ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল ১২ লাখ মানুষের একমাত্র ভরসা, খুড়িয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৭:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫ Time View
১০

নিজস্ব প্রতিবেদক :সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় জেলা বরগুনার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালটি ১২ লাখ মানুষের একমাত্র ভরসা। প্রতিবছরই সংক্রামক রোগের আঘাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বরগুনা জেলার জনপদ। কখনো ডেঙ্গু, কখনো হাম, আবার কখনো ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয় বরগুনাবাসী।

গত বছর জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছু মানুষের মৃত্যু হয়। অথচ চিকিৎসাসেবার একমাত্র ভরসাস্থল বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল এখন নিজেই ভুগছে জনবল সংকটে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও অবকাঠামোর অভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা, চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ রোগীরা।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কাগজে-কলমে জেলায় চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ রয়েছে ২৩১টি। অথচ বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৭৮ জন চিকিৎসক। আর বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের চিত্র আরও ভয়াবহ। হাসপাতালটিতে চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ ৮১ টি হলেও প্রশাসনিক দায়িত্বসহ বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১৭ জন চিকিৎসক। গত ২০ দিন ধরে শিশু কনসালটেন্ট ও নেই। পদোন্নতি দিয়ে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বদলি করা হয়েছে। এ কারণে অন্যান্য রোগীর পাশাপাশি শিশুদের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

এর মধ্যে ১জন ডেন্টাল চিকিৎসক এবং ১জন হোমিওপ্যাথী চিকিৎসক। এছাড়া ১জন চিকিৎসক যোগদানের পর আর কর্মস্থলে ফেরেননি। এর মধ্যে আবার ১জন রয়েছেন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে এবং ৪জন চিকিৎসকের উপস্থিতি সপ্তাহে মাত্র ১দিন।

সব মিলিয়ে কার্যত হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার পুরো দায়িত্ব সামলাচ্ছেন মাত্র ৬ থেকে ৭ জন চিকিৎসক। এ অল্পসংখ্যক চিকিৎসকই প্রতিদিন লড়াই করছেন উপকূলীয় লাখো মানুষের জীবন বাঁচাতে। চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি রয়েছে নার্স সংকটও। ১০৯ টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৬৫ জন নার্স।

২৫০ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন ভর্তি থাকেন ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী। বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন আর ও ১৫০ থেকে ২০০ মানুষ। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় রোগীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে শিশু রোগীরা। শিশুদের জন্য নির্ধারিত ৫০ টি শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন ভর্তি থাকছে ৪০ শিশু। স্থান সংকটের কারণে অনেক শিশুকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে হাসপাতালের মেঝে, বারান্দা, এমনকি সিঁড়ির পাশেও। এতে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ।

হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজন মহিবুল (২৬) বলেন, রোগী বেশি, কিন্তু ডাক্তার খুব কম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ঠিকমতো চিকিৎসা পাওয়া যায় না। অনেক সময় চিকিৎসক না থাকায় রোগীদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের লেমুয়া গ্রামের পান্না মিয়া (৫৫)-বলেন, সকালে এসে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। জেলা সদর হাসপাতালে ডাক্তার সংকট থাকায় রোগীদের সেবা ব্যহত হচ্ছে। তাই পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে এ জেলার মানুষের চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টদের প্রতি।

হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজন সাবিনা ইয়াসমিন (৪৩) বলেন, আমার ছেলেটার বয়স ১ বছর, বেশ কয়েকদিন ধরে জ্বর ও ঠান্ডায় ভূগছে। হাসপাতালে কয়েক বার গেলাম তবে কাঙ্খিত সেবা পেলাম না। সেবা পাবো কি ভাবে হাসপাতালেতো চিকিৎসক নেই। উপকূলের মানুষ সারা বছর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে টিকে আছি। শিশু ওয়ার্ডে জায়গা না থাকায় রোগীদের মেঝেতে থাকতে হচ্ছে। দ্রুত চিকিৎসক ও নার্স বাড়ানো দরকার।

বরগুনা জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সভাপতি মনির হোসেন কামাল বলেন, ‘উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবার প্রধান ভরসা এ ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালটি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক ও নার্স সংকট চললেও কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ না দিলে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা আরও ভেঙে পড়বে।’

এ বিষয়ে ২৫০ শয্যা বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক তাসকিয়া সিদ্দিকাহ বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্স সংকট রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সীমিত জনবল দিয়েই আমরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। বর্তমানে হাসপাতালের শিশু কনসালটেন্ট মেহেদী পারভেজকে পদোন্নতি দিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বদলি করা হয়েছে। এখন হাসপাতালে কোন শিশু বিশেষজ্ঞ না থাকায় শিশুদের চিকিৎসা সেবা মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক না থাকায় বর্তমানে প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে বরগুনা-১ (বরগুনা-আমতলী-তালতলী) আসনের সংসদ সদস্য মো. অলিউল্লাহ বলেন, জেলা সদর হাসপাতালের বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন ও তত্বাবধায়কের সাথে সভা করেছি। চিকিৎসক চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা-পরিচালককে ডিও লেটার দিয়েছি। তিনি শূন্যপদে চিকিৎসক পদায়ন করার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে জেলার সিভিল সার্জন আবুল ফাত্তাহ বলেন, হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ ও তত্বাবধায়কসহ আমরা চিকিৎসক চেয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটে আ.লীগ নেতা, তার স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল ১২ লাখ মানুষের একমাত্র ভরসা, খুড়িয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা

Update Time : ১১:৫৭:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
১০

নিজস্ব প্রতিবেদক :সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় জেলা বরগুনার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালটি ১২ লাখ মানুষের একমাত্র ভরসা। প্রতিবছরই সংক্রামক রোগের আঘাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বরগুনা জেলার জনপদ। কখনো ডেঙ্গু, কখনো হাম, আবার কখনো ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয় বরগুনাবাসী।

গত বছর জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছু মানুষের মৃত্যু হয়। অথচ চিকিৎসাসেবার একমাত্র ভরসাস্থল বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল এখন নিজেই ভুগছে জনবল সংকটে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও অবকাঠামোর অভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা, চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ রোগীরা।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কাগজে-কলমে জেলায় চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ রয়েছে ২৩১টি। অথচ বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৭৮ জন চিকিৎসক। আর বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের চিত্র আরও ভয়াবহ। হাসপাতালটিতে চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ ৮১ টি হলেও প্রশাসনিক দায়িত্বসহ বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১৭ জন চিকিৎসক। গত ২০ দিন ধরে শিশু কনসালটেন্ট ও নেই। পদোন্নতি দিয়ে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বদলি করা হয়েছে। এ কারণে অন্যান্য রোগীর পাশাপাশি শিশুদের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

এর মধ্যে ১জন ডেন্টাল চিকিৎসক এবং ১জন হোমিওপ্যাথী চিকিৎসক। এছাড়া ১জন চিকিৎসক যোগদানের পর আর কর্মস্থলে ফেরেননি। এর মধ্যে আবার ১জন রয়েছেন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে এবং ৪জন চিকিৎসকের উপস্থিতি সপ্তাহে মাত্র ১দিন।

সব মিলিয়ে কার্যত হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার পুরো দায়িত্ব সামলাচ্ছেন মাত্র ৬ থেকে ৭ জন চিকিৎসক। এ অল্পসংখ্যক চিকিৎসকই প্রতিদিন লড়াই করছেন উপকূলীয় লাখো মানুষের জীবন বাঁচাতে। চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি রয়েছে নার্স সংকটও। ১০৯ টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৬৫ জন নার্স।

২৫০ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন ভর্তি থাকেন ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী। বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন আর ও ১৫০ থেকে ২০০ মানুষ। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় রোগীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে শিশু রোগীরা। শিশুদের জন্য নির্ধারিত ৫০ টি শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন ভর্তি থাকছে ৪০ শিশু। স্থান সংকটের কারণে অনেক শিশুকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে হাসপাতালের মেঝে, বারান্দা, এমনকি সিঁড়ির পাশেও। এতে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ।

হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজন মহিবুল (২৬) বলেন, রোগী বেশি, কিন্তু ডাক্তার খুব কম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ঠিকমতো চিকিৎসা পাওয়া যায় না। অনেক সময় চিকিৎসক না থাকায় রোগীদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের লেমুয়া গ্রামের পান্না মিয়া (৫৫)-বলেন, সকালে এসে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। জেলা সদর হাসপাতালে ডাক্তার সংকট থাকায় রোগীদের সেবা ব্যহত হচ্ছে। তাই পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে এ জেলার মানুষের চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টদের প্রতি।

হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজন সাবিনা ইয়াসমিন (৪৩) বলেন, আমার ছেলেটার বয়স ১ বছর, বেশ কয়েকদিন ধরে জ্বর ও ঠান্ডায় ভূগছে। হাসপাতালে কয়েক বার গেলাম তবে কাঙ্খিত সেবা পেলাম না। সেবা পাবো কি ভাবে হাসপাতালেতো চিকিৎসক নেই। উপকূলের মানুষ সারা বছর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে টিকে আছি। শিশু ওয়ার্ডে জায়গা না থাকায় রোগীদের মেঝেতে থাকতে হচ্ছে। দ্রুত চিকিৎসক ও নার্স বাড়ানো দরকার।

বরগুনা জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সভাপতি মনির হোসেন কামাল বলেন, ‘উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবার প্রধান ভরসা এ ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালটি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক ও নার্স সংকট চললেও কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ না দিলে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা আরও ভেঙে পড়বে।’

এ বিষয়ে ২৫০ শয্যা বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক তাসকিয়া সিদ্দিকাহ বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্স সংকট রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সীমিত জনবল দিয়েই আমরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। বর্তমানে হাসপাতালের শিশু কনসালটেন্ট মেহেদী পারভেজকে পদোন্নতি দিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বদলি করা হয়েছে। এখন হাসপাতালে কোন শিশু বিশেষজ্ঞ না থাকায় শিশুদের চিকিৎসা সেবা মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক না থাকায় বর্তমানে প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে বরগুনা-১ (বরগুনা-আমতলী-তালতলী) আসনের সংসদ সদস্য মো. অলিউল্লাহ বলেন, জেলা সদর হাসপাতালের বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন ও তত্বাবধায়কের সাথে সভা করেছি। চিকিৎসক চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা-পরিচালককে ডিও লেটার দিয়েছি। তিনি শূন্যপদে চিকিৎসক পদায়ন করার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে জেলার সিভিল সার্জন আবুল ফাত্তাহ বলেন, হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ ও তত্বাবধায়কসহ আমরা চিকিৎসক চেয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।