ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ থেকে আবার চালু হচ্ছে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে-বিদেশি ষড়যন্ত্রের পর অবশেষে সরকারের হাই কমান্ডের মেকানিজমে অবশেষে আজ থেকে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র্র বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। কয়লা সংকটে কারণে গত ১৪ জানুয়ারি এ কেন্দ্র্রর বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ৯ ফেব্রুয়ারি কয়লা নিয়ে একটি জাহাজ বিদ্যুৎ কেন্দ্র্রর জেটিতে ভিড়ায় আবার উৎপাদনে যাচ্ছে কেন্দ্রটি ৬৬০ মগোওয়াট সক্ষমতার প্রথম ইউনটিট।

বর্তমান সরকারের প্রথম ছয় মাসে কয়লা জনবল সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যায়। এ যেন এক লুকোচুরি খেলা। নাগরিক নেতারা বলছেন এটি একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। এ সকল ষড়যন্ত্রের কারন এবং ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে পরবর্তী টেকসই ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি এমনটাই মনে করছেন তারা।

কয়েক মাস ধরে সারা দেশে ব্যাপক লোডশেডিং হচ্ছে। এ সময় রামপালের মতো কয়লাভিত্তিক মূলধারার বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু থাকার কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে রামপাল কেন্দ্র বারবার বন্ধ হয়েছে। ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১৩২০ মেগাওয়াটের (৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট) এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর তিন বছরের মধ্যে মারাত্মক যান্ত্রিক ত্রুটিতে চিন্তায় পড়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। কারণ, এ কেন্দ্র্রর জন্য ভারতের এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে ১৬০ কোটি ডলার। এখন সেই টাকা শোধ করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

 

এদিকে, তীব্র গরমে দেশজুড়ে যখন লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি, তখন দেশের অন্যতম বৃহৎ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রামপাল বন্ধ ও চালুর খেলায় মেতেছে। যান্ত্রিক ত্রুটি এবং কয়লার অভাবে গেল এক বছরে ৩০ বার বন্ধ হয়েছে এর কোনো-না-কোনো ইউনিট। এ কারণে বাগেরহাটের রামপালের বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী বিদ্যুৎ কোম্পানি (বিআইএফপিসিএল) নিয়ে মহাবিপাকে সরকার। বিপুল অঙ্কের বিদেশি ঋণে নির্মিত কেন্দ্রটি এমন বেহাল হওয়ায় খোদ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও সচিব গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিদ্যুৎ কেন্দ্রসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রতিদিন কেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালু রাখতে পাঁচ হাজার টন কয়লা প্রয়োজন।

 

বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ বিনিয়োগে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের দুই ইউনিটের বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির অবস্থান বাগেরহাটের রামপালে। গত ১৭ ডিসেম্বর থেকে এ কেন্দ্র্রর একটি ইউনিট জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছিল। এর উৎপাদনক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট। প্রতিদিন উৎপাদন করা হচ্ছিল ৫৬০ থেকে ৫৭০ মেগাওয়াট। আগামী জুনে দ্বিতীয় ইউনিটও বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

আনোয়ারুল আজিম বলেন, ৩০ হাজার টন কয়লা নিয়ে যে জাহাজটি এসেছে, সেই কয়লা দিয়ে মাত্র ছয়দিন কেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালানো যাবে। পরবর্তী সময়ে ৫০ হাজার টন কয়লাবাহী জাহাজটি এলে সেটি দিয়ে কেন্দ্রটি আরো ১০ দিন চালানো যাবে। সাধারণত ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লাবাহী একটি জাহাজের বিদ্যুৎ কেন্দ্র্রর জেটিতে ভিড়তে ৭ থেকে ১০ দিন সময় লাগে।

 

সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, কয়লা সংকটে বন্ধ থাকা রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র্রর প্রথম ইউনিট দ্রুতই ফের চালু করা হবে। এছাড়া সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জুনে দ্বিতীয় ইউনিট চালু হবে।

 

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, রাজধানী ঢাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে রামপালের এ কেন্দ্র চালু করা হয়েছিল। কেন্দ্রটি থেকে রাজধানীতে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো। বাকি বিদ্যুৎ খুলনায় সরবরাহ করা হতো। শীতকালের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা কিছুটা কম থাকায় রামপাল কেন্দ্র বন্ধ রাখায় তেমন বিরূপ প্রভাব পড়েনি। কিন্তু বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়তে থাকায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধের প্রভাব রাজধানীসহ দেশজুড়ে পড়েছে। যার ফলে কিছু এলাকায় লোডশেডিং বেড়েছে। এখন সেচ মৌসুম ও গ্রীষ্মকাল শুরু হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা আরো বাড়ছে, তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু রাখা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই।

 

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্র জানায়, গত ১৫ আগস্ট বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করে। রাজধানীর বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে গত ১৭ ডিসেম্বর রাত থেকে জাতীয় গ্রিডে কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। এলসি জটিলতায় কয়লা আমদানি ব্যাহত হওয়ায় কয়লা সংকটে গত ১৪ জানুয়ারি সকাল ৯টার দিকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। কেন্দ্রটিতে কয়লা মজুদের সক্ষমতা রয়েছে তিন মাসের। নিয়ম অনুযায়ী এক মাসের কয়লা মজুদ রাখার বাধ্যবাধকতা থাকলেও এতদিন কেন্দ্রটিতে কয়লার কোনো মজুদ ছিল না।

 

বাংলাদেশ পরিবেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি বৃহত্তর খুলনার চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সাংবাদিক এস এম কামাল  বলেন, বারবার তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার ঘটনাটি আমাদের কাছে রহস্যময় মনে হয়। এর পেছনে হয়তো কোন গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। এর বিরুদ্ধে সরকারকে অনুসন্ধানমূলক ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিদ্যুৎ প্রকল্পটি যাতে টেকসই হয় সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পটুয়াখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বেগম জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী পালিত

আজ থেকে আবার চালু হচ্ছে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র

Update Time : ১১:২৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে-বিদেশি ষড়যন্ত্রের পর অবশেষে সরকারের হাই কমান্ডের মেকানিজমে অবশেষে আজ থেকে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র্র বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। কয়লা সংকটে কারণে গত ১৪ জানুয়ারি এ কেন্দ্র্রর বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ৯ ফেব্রুয়ারি কয়লা নিয়ে একটি জাহাজ বিদ্যুৎ কেন্দ্র্রর জেটিতে ভিড়ায় আবার উৎপাদনে যাচ্ছে কেন্দ্রটি ৬৬০ মগোওয়াট সক্ষমতার প্রথম ইউনটিট।

বর্তমান সরকারের প্রথম ছয় মাসে কয়লা জনবল সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যায়। এ যেন এক লুকোচুরি খেলা। নাগরিক নেতারা বলছেন এটি একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। এ সকল ষড়যন্ত্রের কারন এবং ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে পরবর্তী টেকসই ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি এমনটাই মনে করছেন তারা।

কয়েক মাস ধরে সারা দেশে ব্যাপক লোডশেডিং হচ্ছে। এ সময় রামপালের মতো কয়লাভিত্তিক মূলধারার বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু থাকার কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে রামপাল কেন্দ্র বারবার বন্ধ হয়েছে। ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১৩২০ মেগাওয়াটের (৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট) এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর তিন বছরের মধ্যে মারাত্মক যান্ত্রিক ত্রুটিতে চিন্তায় পড়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। কারণ, এ কেন্দ্র্রর জন্য ভারতের এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে ১৬০ কোটি ডলার। এখন সেই টাকা শোধ করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

 

এদিকে, তীব্র গরমে দেশজুড়ে যখন লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি, তখন দেশের অন্যতম বৃহৎ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রামপাল বন্ধ ও চালুর খেলায় মেতেছে। যান্ত্রিক ত্রুটি এবং কয়লার অভাবে গেল এক বছরে ৩০ বার বন্ধ হয়েছে এর কোনো-না-কোনো ইউনিট। এ কারণে বাগেরহাটের রামপালের বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী বিদ্যুৎ কোম্পানি (বিআইএফপিসিএল) নিয়ে মহাবিপাকে সরকার। বিপুল অঙ্কের বিদেশি ঋণে নির্মিত কেন্দ্রটি এমন বেহাল হওয়ায় খোদ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও সচিব গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিদ্যুৎ কেন্দ্রসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রতিদিন কেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালু রাখতে পাঁচ হাজার টন কয়লা প্রয়োজন।

 

বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ বিনিয়োগে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের দুই ইউনিটের বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির অবস্থান বাগেরহাটের রামপালে। গত ১৭ ডিসেম্বর থেকে এ কেন্দ্র্রর একটি ইউনিট জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছিল। এর উৎপাদনক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট। প্রতিদিন উৎপাদন করা হচ্ছিল ৫৬০ থেকে ৫৭০ মেগাওয়াট। আগামী জুনে দ্বিতীয় ইউনিটও বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

আনোয়ারুল আজিম বলেন, ৩০ হাজার টন কয়লা নিয়ে যে জাহাজটি এসেছে, সেই কয়লা দিয়ে মাত্র ছয়দিন কেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালানো যাবে। পরবর্তী সময়ে ৫০ হাজার টন কয়লাবাহী জাহাজটি এলে সেটি দিয়ে কেন্দ্রটি আরো ১০ দিন চালানো যাবে। সাধারণত ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লাবাহী একটি জাহাজের বিদ্যুৎ কেন্দ্র্রর জেটিতে ভিড়তে ৭ থেকে ১০ দিন সময় লাগে।

 

সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, কয়লা সংকটে বন্ধ থাকা রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র্রর প্রথম ইউনিট দ্রুতই ফের চালু করা হবে। এছাড়া সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জুনে দ্বিতীয় ইউনিট চালু হবে।

 

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, রাজধানী ঢাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে রামপালের এ কেন্দ্র চালু করা হয়েছিল। কেন্দ্রটি থেকে রাজধানীতে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো। বাকি বিদ্যুৎ খুলনায় সরবরাহ করা হতো। শীতকালের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা কিছুটা কম থাকায় রামপাল কেন্দ্র বন্ধ রাখায় তেমন বিরূপ প্রভাব পড়েনি। কিন্তু বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়তে থাকায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধের প্রভাব রাজধানীসহ দেশজুড়ে পড়েছে। যার ফলে কিছু এলাকায় লোডশেডিং বেড়েছে। এখন সেচ মৌসুম ও গ্রীষ্মকাল শুরু হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা আরো বাড়ছে, তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু রাখা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই।

 

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্র জানায়, গত ১৫ আগস্ট বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করে। রাজধানীর বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে গত ১৭ ডিসেম্বর রাত থেকে জাতীয় গ্রিডে কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। এলসি জটিলতায় কয়লা আমদানি ব্যাহত হওয়ায় কয়লা সংকটে গত ১৪ জানুয়ারি সকাল ৯টার দিকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। কেন্দ্রটিতে কয়লা মজুদের সক্ষমতা রয়েছে তিন মাসের। নিয়ম অনুযায়ী এক মাসের কয়লা মজুদ রাখার বাধ্যবাধকতা থাকলেও এতদিন কেন্দ্রটিতে কয়লার কোনো মজুদ ছিল না।

 

বাংলাদেশ পরিবেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি বৃহত্তর খুলনার চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সাংবাদিক এস এম কামাল  বলেন, বারবার তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার ঘটনাটি আমাদের কাছে রহস্যময় মনে হয়। এর পেছনে হয়তো কোন গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। এর বিরুদ্ধে সরকারকে অনুসন্ধানমূলক ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিদ্যুৎ প্রকল্পটি যাতে টেকসই হয় সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে।