ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ সময়ে ১৩ হাজার জেলের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৫৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৯ Time View
৬২

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইলিশের অভয়াশ্রমে মাছ আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে ভোলার ১৩ হাজার জেলে পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

 

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ডা. শামিম রহমান।

 

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’-এর আওতায় এই খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, সরকার জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। আশা করি, এই সহায়তা পাওয়ার পর জেলেরা নিষিদ্ধ সময়ে আর মাছ আহরণে নামবেন না। মনে রাখতে হবে, নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।

 

প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি জেলে পরিবারকে দুই মাসের জন্য মোট খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—পরিবারপ্রতি ১২ কেজি আটা, ৮ কেজি ডাল, ১০ লিটার তেল, ১৬ কেজি আলু, ৪ কেজি চিনি ও ৪ কেজি লবণ।

 

বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভূঁইয়া। বক্তারা ইলিশ সম্পদ রক্ষায় জেলেদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ সময়ে ১৩ হাজার জেলের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

Update Time : ০৮:৫৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
৬২

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইলিশের অভয়াশ্রমে মাছ আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে ভোলার ১৩ হাজার জেলে পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

 

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ডা. শামিম রহমান।

 

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’-এর আওতায় এই খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, সরকার জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। আশা করি, এই সহায়তা পাওয়ার পর জেলেরা নিষিদ্ধ সময়ে আর মাছ আহরণে নামবেন না। মনে রাখতে হবে, নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।

 

প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি জেলে পরিবারকে দুই মাসের জন্য মোট খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—পরিবারপ্রতি ১২ কেজি আটা, ৮ কেজি ডাল, ১০ লিটার তেল, ১৬ কেজি আলু, ৪ কেজি চিনি ও ৪ কেজি লবণ।

 

বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভূঁইয়া। বক্তারা ইলিশ সম্পদ রক্ষায় জেলেদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।