ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশালের চরমোনাই ঘাটে ডুবল নোঙর করা লঞ্চ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৭ Time View
৫৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশালের চরমোনাই এলাকায় বাৎসরিক মাহফিলে আসা যাত্রীবাহী ‘মানিক-৪’ নামে একটি রিজার্ভ লঞ্চ ডুবির ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

লঞ্চ সংশ্লিষ্টরা জানান, গতকাল মঙ্গলবার রাতে মুন্সিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চটি ভোরে চরমোনাই পৌঁছায়। সেখানে যাত্রী নামিয়ে ঘাটে নোঙর করে রাখা হয়েছিল নৌযানটি। ভাটার সময় পানি দ্রুত নেমে গেলে লঞ্চটির পেছনের অংশ নিচে বসে যায়। একপর্যায়ে ভারসাম্য হারিয়ে কাত হয়ে ডুবে যায় লঞ্চটি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, লঞ্চটি যথেষ্ট মজবুতভাবে বেঁধে রাখা হয়নি। ফলে পানির স্তর কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। নদীর তলদেশের সঙ্গে পেছনের অংশ আটকে যাওয়ায় সামনের দিক ভেসে থাকে কিছুক্ষণ, পরে সেটিও ডুবে যায়।

দুর্ঘটনার সময় লঞ্চে কোনো যাত্রী বা কর্মী না থাকায় হতাহতের ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে লঞ্চের ভেতর রাখা মুসল্লিদের কিছু সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কে এম শরীয়াতুল্লাহ বলেন, ‘লঞ্চটি যাত্রী নামানোর পর খালি অবস্থায় ছিল। ভাটার কারণে পানি কমে যাওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে কেউ হতাহত হননি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

চরফ্যাশনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

বরিশালের চরমোনাই ঘাটে ডুবল নোঙর করা লঞ্চ

Update Time : ১০:৪৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
৫৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশালের চরমোনাই এলাকায় বাৎসরিক মাহফিলে আসা যাত্রীবাহী ‘মানিক-৪’ নামে একটি রিজার্ভ লঞ্চ ডুবির ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

লঞ্চ সংশ্লিষ্টরা জানান, গতকাল মঙ্গলবার রাতে মুন্সিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চটি ভোরে চরমোনাই পৌঁছায়। সেখানে যাত্রী নামিয়ে ঘাটে নোঙর করে রাখা হয়েছিল নৌযানটি। ভাটার সময় পানি দ্রুত নেমে গেলে লঞ্চটির পেছনের অংশ নিচে বসে যায়। একপর্যায়ে ভারসাম্য হারিয়ে কাত হয়ে ডুবে যায় লঞ্চটি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, লঞ্চটি যথেষ্ট মজবুতভাবে বেঁধে রাখা হয়নি। ফলে পানির স্তর কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। নদীর তলদেশের সঙ্গে পেছনের অংশ আটকে যাওয়ায় সামনের দিক ভেসে থাকে কিছুক্ষণ, পরে সেটিও ডুবে যায়।

দুর্ঘটনার সময় লঞ্চে কোনো যাত্রী বা কর্মী না থাকায় হতাহতের ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে লঞ্চের ভেতর রাখা মুসল্লিদের কিছু সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কে এম শরীয়াতুল্লাহ বলেন, ‘লঞ্চটি যাত্রী নামানোর পর খালি অবস্থায় ছিল। ভাটার কারণে পানি কমে যাওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে কেউ হতাহত হননি।