ঢাকা ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোনো ‘গ্রহণযোগ্য’ নির্বাচনে হারেননি মজিবর রহমান সরওয়ার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:২৮:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৮ Time View
৭৫

অনলাইন ডেস্ক : দক্ষিণবঙ্গে খালেদা জিয়ার ‘সিপাহসালার’ হিসেবে পরিচিত মজিবর রহমান সরওয়ার গ্রহণযোগ্য কোনো নির্বাচনেই কখনো হারেননি। এবার নিয়ে তিন ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশিবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে তিনি অন্যতম।

 

বরিশাল-৫ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বিশ্বাস বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তার ছেড়ে দেয়া আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মজিবর রহমান সরওয়ার। ১৯৯৬ সালের ৬ষ্ঠ ও সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি। ১৯৯৮ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য এহতেশামুল হক নাসিম বিশ্বাসের মৃত্যু হলে আওয়ামী লীগের শাসনামলে অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

 

 

২০০১ সালের অস্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং জাতীয় সংসদের হুইপ নিযুক্ত হন। ২০০৩ সালে বরিশাল সিটি করপোরেশন গঠিত হলে তিনি এর প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশব্যাপী বিএনপির ভরাডুবির মধ্যেও তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

 

২০১৮ সালের রাতের ভোটে তিনি জীবনে প্রথম কোনো নির্বাচনে পরাজিত হন। যে নির্বাচন সারাদেশসহ বিশ্ববাসীর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। মজিবুর রহমান সরওয়ার বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, ‍যুগ্ম মহাসচিব, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির সভাপতি ছাড়াও পুরো বরিশাল বিভাগে বিএনপিকে সংগঠিত করার জন্য কাজ করেন।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। বরিশাল-৫ আসনের ঘোষিত ফলাফলে মজিবর রহমান ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬ ভোট বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ২১৬ ভোট। জামায়াতে ইসলামী এই আসনে ফজলুল করিমকে সম্মান জানিয়ে কোনো প্রার্থী রাখেনি। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ছিলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পটুয়াখালীতে গাঁজাসহ মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

কোনো ‘গ্রহণযোগ্য’ নির্বাচনে হারেননি মজিবর রহমান সরওয়ার

Update Time : ০২:২৮:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৭৫

অনলাইন ডেস্ক : দক্ষিণবঙ্গে খালেদা জিয়ার ‘সিপাহসালার’ হিসেবে পরিচিত মজিবর রহমান সরওয়ার গ্রহণযোগ্য কোনো নির্বাচনেই কখনো হারেননি। এবার নিয়ে তিন ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশিবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে তিনি অন্যতম।

 

বরিশাল-৫ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বিশ্বাস বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তার ছেড়ে দেয়া আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মজিবর রহমান সরওয়ার। ১৯৯৬ সালের ৬ষ্ঠ ও সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি। ১৯৯৮ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য এহতেশামুল হক নাসিম বিশ্বাসের মৃত্যু হলে আওয়ামী লীগের শাসনামলে অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

 

 

২০০১ সালের অস্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং জাতীয় সংসদের হুইপ নিযুক্ত হন। ২০০৩ সালে বরিশাল সিটি করপোরেশন গঠিত হলে তিনি এর প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশব্যাপী বিএনপির ভরাডুবির মধ্যেও তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

 

২০১৮ সালের রাতের ভোটে তিনি জীবনে প্রথম কোনো নির্বাচনে পরাজিত হন। যে নির্বাচন সারাদেশসহ বিশ্ববাসীর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। মজিবুর রহমান সরওয়ার বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, ‍যুগ্ম মহাসচিব, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির সভাপতি ছাড়াও পুরো বরিশাল বিভাগে বিএনপিকে সংগঠিত করার জন্য কাজ করেন।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। বরিশাল-৫ আসনের ঘোষিত ফলাফলে মজিবর রহমান ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬ ভোট বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ২১৬ ভোট। জামায়াতে ইসলামী এই আসনে ফজলুল করিমকে সম্মান জানিয়ে কোনো প্রার্থী রাখেনি। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ছিলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল।