ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মসজিদুল হারাম ও নববীতে ১০ লাখের বেশি কোরআন বিতরণ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৪২:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ৯০ Time View
১৩৮

ইসলাম ডেস্ক : পবিত্র রমজানে মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীতে আগত মুসল্লি ও দর্শনার্থীদের জন্য এবার ১০ লাখেরও বেশি পবিত্র কোরআনের কপি বিতরণ করা হয়েছে।

দুই পবিত্র মসজিদ বিষয়ক জেনারেল অথরিটি জানিয়েছে, কিং ফাহাদ কমপ্লেক্স থেকে মুদ্রিত এই কোরআন শরীফগুলো অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিটি নামাজের স্থানে বণ্টন করা হয়েছে। ওমরাহ যাত্রী ও নামাজ আদায় করতে আসা মুসল্লিরা যেন খুব সহজেই তিলাওয়াতের সুযোগ পান, তা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত বিশেষ টিমগুলো দিনরাত চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করে যাচ্ছে। তারা কোরআন শরীফগুলো গুছিয়ে রাখা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং কোথাও ঘাটতি থাকলে তা দ্রুত পূরণ করার বিষয়টি তদারকি করছে।

মূলত রমজানের শেষ দশ দিন যখন মক্কা ও মদিনায় ওমরাহ যাত্রী ও মুসল্লিদের ভিড় বহুগুণ বেড়ে যায়, তখন তাদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে এই সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সৌদি আরবের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনায় ইবাদতকারীদের জন্য এক আধ্যাত্মিক ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি করতেই এই পদক্ষেপ।

সৌদি সরকারের এই নিরলস প্রচেষ্টা দুই পবিত্র মসজিদের সেবায় তাদের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি এবং মুসল্লিদের ধর্মীয় অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রচেষ্টাকেই ফুটিয়ে তোলে।

সুত: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

মসজিদুল হারাম ও নববীতে ১০ লাখের বেশি কোরআন বিতরণ

Update Time : ১১:৪২:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
১৩৮

ইসলাম ডেস্ক : পবিত্র রমজানে মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীতে আগত মুসল্লি ও দর্শনার্থীদের জন্য এবার ১০ লাখেরও বেশি পবিত্র কোরআনের কপি বিতরণ করা হয়েছে।

দুই পবিত্র মসজিদ বিষয়ক জেনারেল অথরিটি জানিয়েছে, কিং ফাহাদ কমপ্লেক্স থেকে মুদ্রিত এই কোরআন শরীফগুলো অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিটি নামাজের স্থানে বণ্টন করা হয়েছে। ওমরাহ যাত্রী ও নামাজ আদায় করতে আসা মুসল্লিরা যেন খুব সহজেই তিলাওয়াতের সুযোগ পান, তা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত বিশেষ টিমগুলো দিনরাত চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করে যাচ্ছে। তারা কোরআন শরীফগুলো গুছিয়ে রাখা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং কোথাও ঘাটতি থাকলে তা দ্রুত পূরণ করার বিষয়টি তদারকি করছে।

মূলত রমজানের শেষ দশ দিন যখন মক্কা ও মদিনায় ওমরাহ যাত্রী ও মুসল্লিদের ভিড় বহুগুণ বেড়ে যায়, তখন তাদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে এই সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সৌদি আরবের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনায় ইবাদতকারীদের জন্য এক আধ্যাত্মিক ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি করতেই এই পদক্ষেপ।

সৌদি সরকারের এই নিরলস প্রচেষ্টা দুই পবিত্র মসজিদের সেবায় তাদের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি এবং মুসল্লিদের ধর্মীয় অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রচেষ্টাকেই ফুটিয়ে তোলে।

সুত: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন।