ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে আতঙ্ক, যে বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • ৮১ Time View
১৩৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আতঙ্ক চেপেছে জনমনে। তাই ফুয়েল স্টেশনগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন ভোক্তারা। তবে জ্বালানির পর্যাপ্ততা নিশ্চিতে সরকার সজাগ আছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

 

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধনীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দিনভর পাম্পগুলোতে দেখা গেছে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি গাড়ি ছিল ফিলিং স্টেশনগুলোতে। কারণ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার আতঙ্ক জেঁকেছে জনমনে। হরমুজ প্রণালী বন্ধে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে সরবরাহ সংকটেরও।

পাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত কিনছেন ভোক্তারা। ফুল ট্যাংকের চাহিদা বেশি থাকায় তেল দিতে সময় বেশি লাগছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সংকট নেই সরবরাহে।

এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীতে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় তেল কিনতে আসা ভোক্তা ও পাম্প মালিকদের সঙ্গে কথা বলেন তারা। আশ্বস্ত করেন জ্বালানির পর্যাপ্ততা নিশ্চিতে সজাগ আছে সরকার।

যতটুকু জ্বালানি লাগে, এর বেশি না নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত মজুদ আছে। দেশে জ্বালানি সংকটের কোনো শঙ্কা নেই। আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান।

‘বৈশ্বিকভাবে দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। আমাদের চেষ্টা থাকবে, দেশে তেলের দাম না বাড়ানোর। একেবারেই না পারলে তখন জনগণের সঙ্গে সেটা শেয়ার করবো’, যোগ করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

বিপিসির তথ্য বলছে, গত সোমবার (২ মার্চ) থেকে চার দিনে ডিজেল বিক্রি হয়েছে প্রায় ৯৮ হাজার টন। গত বছর একই সময়ে বিক্রি হয়েছিল ৫৫ হাজার টন। একই সময়ে পেট্রল বিক্রি হয়েছে ৪৪ শতাংশ আর অকটেন বিক্রি হয়েছে ৫০ শতাংশের বেশি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা সংস্কার, দান-অনুদানে প্রশংসায় ভাসছে যুবনেতা আতিক ওসমানী 

জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে আতঙ্ক, যে বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

Update Time : ০১:০৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
১৩৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আতঙ্ক চেপেছে জনমনে। তাই ফুয়েল স্টেশনগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন ভোক্তারা। তবে জ্বালানির পর্যাপ্ততা নিশ্চিতে সরকার সজাগ আছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

 

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধনীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দিনভর পাম্পগুলোতে দেখা গেছে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি গাড়ি ছিল ফিলিং স্টেশনগুলোতে। কারণ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার আতঙ্ক জেঁকেছে জনমনে। হরমুজ প্রণালী বন্ধে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে সরবরাহ সংকটেরও।

পাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত কিনছেন ভোক্তারা। ফুল ট্যাংকের চাহিদা বেশি থাকায় তেল দিতে সময় বেশি লাগছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সংকট নেই সরবরাহে।

এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীতে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় তেল কিনতে আসা ভোক্তা ও পাম্প মালিকদের সঙ্গে কথা বলেন তারা। আশ্বস্ত করেন জ্বালানির পর্যাপ্ততা নিশ্চিতে সজাগ আছে সরকার।

যতটুকু জ্বালানি লাগে, এর বেশি না নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত মজুদ আছে। দেশে জ্বালানি সংকটের কোনো শঙ্কা নেই। আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান।

‘বৈশ্বিকভাবে দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। আমাদের চেষ্টা থাকবে, দেশে তেলের দাম না বাড়ানোর। একেবারেই না পারলে তখন জনগণের সঙ্গে সেটা শেয়ার করবো’, যোগ করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

বিপিসির তথ্য বলছে, গত সোমবার (২ মার্চ) থেকে চার দিনে ডিজেল বিক্রি হয়েছে প্রায় ৯৮ হাজার টন। গত বছর একই সময়ে বিক্রি হয়েছিল ৫৫ হাজার টন। একই সময়ে পেট্রল বিক্রি হয়েছে ৪৪ শতাংশ আর অকটেন বিক্রি হয়েছে ৫০ শতাংশের বেশি।