ঢাকা ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমোহনে সংবাদ সম্মেলনে অর্থ তছরুপের অভিযোগ অস্বীকার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৫৪:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ৩৪ Time View
৬৪

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় সংবাদ সম্মেলন করে মসজিদের অর্থ তছরুপ, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় অস্বীকার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে লালমোহন প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে পৌরশহরের উত্তর বাজার বাইতুর রেদওয়ান জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ফিরোজ অভিযোগগুলো অস্বীকার করেন। একই সঙ্গে তিনি অনিয়ম, দুর্নীতি ও মসজিদের অর্থ তছরুপের বিষয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

লিখিত বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, উত্তর বাজার বাইতুর রেদওয়ান জামে মসজিদের বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগ এনে শনিবার (২ মে) বিভিন্ন অনলাইন ও রোববার (৩ মে) বিভিন্ন প্রিন্ট পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। ওই সংবাদে মুসল্লিদের পক্ষে আব্দুল্লাহ আল-মামুন নামে এক ব্যক্তি ধর্মমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে উল্লেখ করা হলেও বাস্তবে এমন কোনো অভিযোগকারীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি। এ ধরনের সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

তিনি বলেন, বর্তমান মসজিদ কমিটি ২০২৪ সালের ২৩ আগস্ট আগের কমিটির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে। দায়িত্ব গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী কমিটি চারটি ব্যাংক হিসাবে মোট ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা হস্তান্তর করে। দায়িত্ব গ্রহণের পর মসজিদটিকে জরাজীর্ণ অবস্থায় পাওয়া যায়। ছাদ থেকে পানি পড়ায় দ্বিতীয় তলা নামাজের অনুপযোগী ছিল। এছাড়া অযুখানা ও টয়লেট ব্যবহারের অনুপযুক্ত অবস্থায় ছিল এবং মসজিদের কার্পেটও অপর্যাপ্ত ছিল।

তিনি আরও বলেন, পূর্বে টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে তিনজনের স্বাক্ষরের বিধান থাকলেও বর্তমান কমিটি রেজুলেশনের মাধ্যমে তা পরিবর্তন করে সভাপতিসহ চারজনের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করে। এছাড়া নির্ধারিত ফরম্যাটের মাধ্যমে সকল সদস্যকে অবহিত করে স্বাক্ষরের ভিত্তিতে টাকা উত্তোলন করা হয়। মসজিদে রঙ করা, টাইলস বসানো, মেরামত কাজ, গিজার স্থাপন এবং কার্পেট ক্রয়সহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম কমিটির সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপ-কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে।

সাধারণ সম্পাদকের রুম দখলের অভিযোগ প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম বলেন, তিনি কোনো রুম দখল করেননি। বরং মসজিদকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য তিনি ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সঙ্গে যথাযথ আচরণ করে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অন্যান্য অভিযোগকে নি¤œমানের ও মানহানিকর বলেও উল্লেখ করেন মসজিদের সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম ফিরোজ।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

চরফ্যাশনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

লালমোহনে সংবাদ সম্মেলনে অর্থ তছরুপের অভিযোগ অস্বীকার

Update Time : ০৪:৫৪:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
৬৪

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় সংবাদ সম্মেলন করে মসজিদের অর্থ তছরুপ, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় অস্বীকার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে লালমোহন প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে পৌরশহরের উত্তর বাজার বাইতুর রেদওয়ান জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ফিরোজ অভিযোগগুলো অস্বীকার করেন। একই সঙ্গে তিনি অনিয়ম, দুর্নীতি ও মসজিদের অর্থ তছরুপের বিষয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

লিখিত বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, উত্তর বাজার বাইতুর রেদওয়ান জামে মসজিদের বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগ এনে শনিবার (২ মে) বিভিন্ন অনলাইন ও রোববার (৩ মে) বিভিন্ন প্রিন্ট পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। ওই সংবাদে মুসল্লিদের পক্ষে আব্দুল্লাহ আল-মামুন নামে এক ব্যক্তি ধর্মমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে উল্লেখ করা হলেও বাস্তবে এমন কোনো অভিযোগকারীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি। এ ধরনের সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

তিনি বলেন, বর্তমান মসজিদ কমিটি ২০২৪ সালের ২৩ আগস্ট আগের কমিটির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে। দায়িত্ব গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী কমিটি চারটি ব্যাংক হিসাবে মোট ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা হস্তান্তর করে। দায়িত্ব গ্রহণের পর মসজিদটিকে জরাজীর্ণ অবস্থায় পাওয়া যায়। ছাদ থেকে পানি পড়ায় দ্বিতীয় তলা নামাজের অনুপযোগী ছিল। এছাড়া অযুখানা ও টয়লেট ব্যবহারের অনুপযুক্ত অবস্থায় ছিল এবং মসজিদের কার্পেটও অপর্যাপ্ত ছিল।

তিনি আরও বলেন, পূর্বে টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে তিনজনের স্বাক্ষরের বিধান থাকলেও বর্তমান কমিটি রেজুলেশনের মাধ্যমে তা পরিবর্তন করে সভাপতিসহ চারজনের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করে। এছাড়া নির্ধারিত ফরম্যাটের মাধ্যমে সকল সদস্যকে অবহিত করে স্বাক্ষরের ভিত্তিতে টাকা উত্তোলন করা হয়। মসজিদে রঙ করা, টাইলস বসানো, মেরামত কাজ, গিজার স্থাপন এবং কার্পেট ক্রয়সহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম কমিটির সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপ-কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে।

সাধারণ সম্পাদকের রুম দখলের অভিযোগ প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম বলেন, তিনি কোনো রুম দখল করেননি। বরং মসজিদকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য তিনি ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সঙ্গে যথাযথ আচরণ করে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অন্যান্য অভিযোগকে নি¤œমানের ও মানহানিকর বলেও উল্লেখ করেন মসজিদের সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম ফিরোজ।