ঢাকা ১০:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মনপুরায় সাবমেরিন কেবলে বিদ্যুতের মহাপরিকল্পনা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৪২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • ২৮ Time View
৪৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরা-তে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে পশ্চিম অঞ্চল বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি লিমিটেড (ডতচউঈখ)।

 

প্রকল্পের আওতায় সাবমেরিন কেবল ও ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের জন্য আন্তর্জাতিক মানের টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। শক্তি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়-এর অধীন বিদ্যুৎ বিভাগ এবং ডতচউঈখ-এর “মনপুরা দ্বীপপুঞ্জে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ (গওটঊচউঝ)”প্রকল্পের আওতায় এ দরপত্র আহ্বান করা হয়।

 

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, টার্নকি ভিত্তিতে ৩৩ কেভি সাবমেরিন কেবলের নকশা, সরবরাহ, স্থাপন, পরীক্ষণ ও কমিশনিংসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা হবে। প্রকল্পে প্রতিটি ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে ৪টি রানসহ মোট ২৮ কিলোমিটার ১সি. ৩০০ বর্গমিলিমিটার সাবমেরিন কেবল স্থাপন করা হবে। এর সঙ্গে ল্যান্ডিং স্টেশন নির্মাণের কাজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 

 

দরপত্রটি “ওয়ান স্টেজ টু এনভেলপ টেন্ডারিং মেথড (ঙঝঞঊঞগ)”পদ্ধতিতে আহ্বান করা হয়েছে। প্রকল্পের অর্থায়ন হবে ডতচউঈখ-এর নিজস্ব তহবিল থেকে। টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগ্রহী ঠিকাদারদের গত ১০ বছরের মধ্যে কমপক্ষে দুটি অনুরূপ প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এসব প্রকল্পে ৩৩ কেভি বা তার বেশি ক্ষমতার সাবমেরিন কেবল স্থাপন, পরীক্ষণ ও চালুকরণের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে অন্তত একটি প্রকল্প বিদেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশের অনুরূপ ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলে বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া দরদাতাকে সাবমেরিন কেবল স্থাপনে ব্যবহৃত জাহাজের মডেল, ধরন ও সক্ষমতার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ২৫ জুন ২০২৬ দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। একই দিন বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে দরপত্র খোলা হবে। টেন্ডার ডকুমেন্টের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার টাকা।

 

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মনপুরা-র বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা হবে। দীর্ঘদিন ধরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত দ্বীপবাসী উন্নত ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

মনপুরায় সাবমেরিন কেবলে বিদ্যুতের মহাপরিকল্পনা

Update Time : ১১:৪২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
৪৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরা-তে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে পশ্চিম অঞ্চল বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি লিমিটেড (ডতচউঈখ)।

 

প্রকল্পের আওতায় সাবমেরিন কেবল ও ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের জন্য আন্তর্জাতিক মানের টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। শক্তি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়-এর অধীন বিদ্যুৎ বিভাগ এবং ডতচউঈখ-এর “মনপুরা দ্বীপপুঞ্জে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ (গওটঊচউঝ)”প্রকল্পের আওতায় এ দরপত্র আহ্বান করা হয়।

 

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, টার্নকি ভিত্তিতে ৩৩ কেভি সাবমেরিন কেবলের নকশা, সরবরাহ, স্থাপন, পরীক্ষণ ও কমিশনিংসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা হবে। প্রকল্পে প্রতিটি ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে ৪টি রানসহ মোট ২৮ কিলোমিটার ১সি. ৩০০ বর্গমিলিমিটার সাবমেরিন কেবল স্থাপন করা হবে। এর সঙ্গে ল্যান্ডিং স্টেশন নির্মাণের কাজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 

 

দরপত্রটি “ওয়ান স্টেজ টু এনভেলপ টেন্ডারিং মেথড (ঙঝঞঊঞগ)”পদ্ধতিতে আহ্বান করা হয়েছে। প্রকল্পের অর্থায়ন হবে ডতচউঈখ-এর নিজস্ব তহবিল থেকে। টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগ্রহী ঠিকাদারদের গত ১০ বছরের মধ্যে কমপক্ষে দুটি অনুরূপ প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এসব প্রকল্পে ৩৩ কেভি বা তার বেশি ক্ষমতার সাবমেরিন কেবল স্থাপন, পরীক্ষণ ও চালুকরণের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে অন্তত একটি প্রকল্প বিদেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশের অনুরূপ ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলে বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া দরদাতাকে সাবমেরিন কেবল স্থাপনে ব্যবহৃত জাহাজের মডেল, ধরন ও সক্ষমতার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ২৫ জুন ২০২৬ দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। একই দিন বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে দরপত্র খোলা হবে। টেন্ডার ডকুমেন্টের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার টাকা।

 

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মনপুরা-র বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা হবে। দীর্ঘদিন ধরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত দ্বীপবাসী উন্নত ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।