
নিজস্ব প্রতিবেদক : পিরোজপুরের নেছারাবাদে পা বেঁধে পানিতে ফেলে দুটি ছাগল হত্যার অভিযোগে সুনীল হালদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ছাগলের মালিক হালিম হাওলাদার।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে নেছারাবাদ থানায় মামলাটি করা হয়। অভিযুক্ত সুনীল হালদার ওই গ্রামের মৃত মনোহর হালদারের ছেলে।
এর আগে গত রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের মৈশানী গ্রামের কৃষক হালিম হাওলাদারের দুটি ছাগল পাশের বাড়ির সুনীল হালদারের ফসলি জমিতে গিয়ে গাছপালা ও ফসল নষ্ট করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সুনীল হালদার ছাগল দুটিকে ধরে পা বেঁধে পানিতে ফেলে দেন বলে অভিযোগ করেন ছাগলের মালিক। পরে স্থানীয়রা একটি ডোবা থেকে ছাগল দুটিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
হালিম হাওলাদার বলেন, ভুলক্রমে ছাগল দুটি প্রতিবেশী সুনীল হালদারের জমিতে চলে যায়। পরে ছাগল খুঁজতে গিয়ে জমির পাশের ডোবায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাদের ভাসতে দেখেন। তার অভিযোগ, সুনীল হালদারই ছাগল দুটি পানিতে ফেলে হত্যা করেছেন। এ ঘটনায় তিনি বিচার দাবি করেন।
তবে ছাগল হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুনীল হালদার। তিনি বলেন, ছাগল দুটি প্রায়ই তার ফসলি জমিতে এসে ঘাস খেত। তিনি কখনো ছাগল দুটিকে আঘাত করেননি। বরং মালিককে ছাগল বেঁধে পালনের কথা বলেছিলেন। পারিবারিক বিরোধের কারণে তার বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্য রুবেল গাজী বলেন, বিষয়টি শুনে তিনি মর্মাহত হয়েছেন। এভাবে দুটি প্রাণীকে হত্যা করা হয়ে থাকলে এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির শাস্তি হওয়া উচিত।
নেছারাবাদ থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলার আসামি সুনীল হালদার পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
Reporter Name 



















