ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেছারাবাদে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন, চারা-বীজ ও সার বিতরণ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৪৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ২ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় নেছারাবাদ উপজেলায় চারা, বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্ত।
কর্মসূচির আওতায় ১,৪৫৬ জন উপকারভোগীর মাঝে নারিকেল চারা ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়। প্রত্যেককে ৫টি করে চারা, বাঁশের খুঁটি ও জৈব সার (গোবর) প্রদান করা হয়। পাশাপাশি আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৬৫০ জন কৃষকের মধ্যে ৫ কেজি করে উফশী আমন বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নেছারাবাদ যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরূপকাঠি পৌরসভার সাবেক মেয়র শফিকুল ইসলাম ফরিদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তাপস কুমার ঘোষ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহাবুব হাসান শিবলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, কৃষক এবং স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও অমিত দত্ত বলেন, “সরকার কৃষকদের পাশে থেকে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। এই ধরনের প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষকদের উৎসাহিত করবে এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করবে। একই সঙ্গে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রাপ্ত চারা ও উপকরণ যথাযথভাবে ব্যবহার করলে কৃষকরা যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, তেমনি স্থানীয়ভাবে খাদ্য উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে। তাই সবাইকে সঠিকভাবে এই সহায়তা কাজে লাগানোর আহ্বান জানাই।”
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এ ধরনের প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মুলাদীতে হামলার ২৬ দিন পর চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু, এলাকায় উত্তেজনা ও পুলিশ মোতায়েন

নেছারাবাদে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন, চারা-বীজ ও সার বিতরণ

Update Time : ১১:৪৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় নেছারাবাদ উপজেলায় চারা, বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্ত।
কর্মসূচির আওতায় ১,৪৫৬ জন উপকারভোগীর মাঝে নারিকেল চারা ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়। প্রত্যেককে ৫টি করে চারা, বাঁশের খুঁটি ও জৈব সার (গোবর) প্রদান করা হয়। পাশাপাশি আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৬৫০ জন কৃষকের মধ্যে ৫ কেজি করে উফশী আমন বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নেছারাবাদ যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরূপকাঠি পৌরসভার সাবেক মেয়র শফিকুল ইসলাম ফরিদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তাপস কুমার ঘোষ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহাবুব হাসান শিবলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, কৃষক এবং স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও অমিত দত্ত বলেন, “সরকার কৃষকদের পাশে থেকে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। এই ধরনের প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষকদের উৎসাহিত করবে এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করবে। একই সঙ্গে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রাপ্ত চারা ও উপকরণ যথাযথভাবে ব্যবহার করলে কৃষকরা যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, তেমনি স্থানীয়ভাবে খাদ্য উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে। তাই সবাইকে সঠিকভাবে এই সহায়তা কাজে লাগানোর আহ্বান জানাই।”
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এ ধরনের প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।