ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নলছিটিতে জালিয়াতির অভিযোগে মাদরাসার ২ শিক্ষক কারাগারে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • ৪৮ Time View
৮৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঝালকাঠি নলছিটির অনুরাগ গৌরিপাশা আল হাসান দাখিল মাদরাসার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে দুই শিক্ষক কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

 

রোববার (১০ মে) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন তাদের কোরাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

জান যায়, ওই মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক নুরুল আমিন মুন্সী ও সহকারী শিক্ষক মনিরুল ইসলাম ২ লাখ ৭৩ হাজার ৪০৫ টাকার ভুয়া বিল ভাউচার ব্যাংকে জমা দিয়ে উত্তোলনের চেষ্টা করেন। কিন্তু রূপালী ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপকের সন্দেহ হলে তিনি উত্তোলন স্থগিত রেখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে প্রতারণা ও জালিয়াতির বিষয়টি স্পষ্ট হলে সভাপতি আল মামুন বাদী হয়ে আদালতে ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন।

 

আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডির উপরে ন্যাস্ত করেন। সিআইডির উপ-পুলিশ পরিদর্শক নিউটন অধিকারী তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জাল জালিয়াতির প্রমাণ পেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

 

রোববার সকালে আদালতে হাজির হয়ে তারা জামিন আবেদন করেন। তবে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

চরফ্যাশনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

নলছিটিতে জালিয়াতির অভিযোগে মাদরাসার ২ শিক্ষক কারাগারে

Update Time : ১২:৪৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
৮৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঝালকাঠি নলছিটির অনুরাগ গৌরিপাশা আল হাসান দাখিল মাদরাসার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে দুই শিক্ষক কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

 

রোববার (১০ মে) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন তাদের কোরাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

জান যায়, ওই মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক নুরুল আমিন মুন্সী ও সহকারী শিক্ষক মনিরুল ইসলাম ২ লাখ ৭৩ হাজার ৪০৫ টাকার ভুয়া বিল ভাউচার ব্যাংকে জমা দিয়ে উত্তোলনের চেষ্টা করেন। কিন্তু রূপালী ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপকের সন্দেহ হলে তিনি উত্তোলন স্থগিত রেখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে প্রতারণা ও জালিয়াতির বিষয়টি স্পষ্ট হলে সভাপতি আল মামুন বাদী হয়ে আদালতে ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন।

 

আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডির উপরে ন্যাস্ত করেন। সিআইডির উপ-পুলিশ পরিদর্শক নিউটন অধিকারী তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জাল জালিয়াতির প্রমাণ পেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

 

রোববার সকালে আদালতে হাজির হয়ে তারা জামিন আবেদন করেন। তবে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।