ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউএনওর আইডি দিয়ে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তালতলীর প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:২১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • ৩ Time View
ইউএনও’র আইডি দিয়ে টেন্ডার করলেন প্রকৌশলী, কাজ ভাগাভাগির অভিযোগ
তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি : বরগুনার তালতলী উপজেলায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দের কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও গোপন যোগসাজশের মাধ্যমে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. সাখাওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে। এমনকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সরকারি ‘ই-জিপি’ আইডি ব্যবহার করে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে‌।
উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে তালতলী উপজেলায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি)  ৪র্থ ধাপে ৩৯ লাখ ১৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত অর্থ সংসদ সদস্যের অভিপ্রায় অনুযায়ী প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে চলতি মাসের ৩ জুন উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে প্রকল্প বাছাই কমিটির সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় পূর্ববর্তী তিন ধাপের ঘাটতি হিসেবে ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা সংরক্ষণ রেখে অবশিষ্ট অর্থের মধ্যে ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকার প্রকল্প “প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির” (পিআইসি) মাধ্যমে এবং ২১ লাখ ৯৬ হাজার টাকার ১৭ টি প্রকল্প আরএফকিউ পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের জন্য রেজুলেশনে মাধ্যমে প্রকল্প বাছাই কমিটির আহ্বায়ক উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সদস্য সচিব উপজেলা প্রকৌশলী এলজিইডি কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন স্বাক্ষরিত প্রকল্পের তালিকা অনুমোদন দেন।
কিন্তু পরবর্তীতে আরএফকিউ পদ্ধতির নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে ২১ লাখ ৯৬ হাজার টাকা ব্যয়ের ১৭ টি প্রকল্পকে মোট চারটি প্যাকেজে ভাগ করে ই-জিপিতে টেন্ডার আহ্বান করা হয়। তবে টেন্ডার নোটিশটি এমন চতুর কৌশলে ও গোপনীয়তায় পরিচালনা করা হয়, যাতে সাধারণ ঠিকাদাররা কোনোভাবেই বিষয়টি জানতে বা দেখতে না পারেন। নিজের পছন্দের কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন এই কারসাজি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে‌।
অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা প্রকৌশলী সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিজের পছন্দের পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দরপত্র (টেন্ডার) দাখিলের ব্যবস্থা করেন। এর মধ্যে মেসার্স প্রিন্স এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স নাইম এন্টারপ্রাইজ এবং আসিফ এন্টারপ্রাইজসহ মোট পাঁচটি লাইসেন্স ব্যবহার করে নামমাত্র প্রতিযোগিতার মাধ্যমে টেন্ডারে অংশ নেওয়া হয়। দরপত্র দাখিলের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী চারটি প্যাকেজের কাজ ভাগ করে দেওয়া হয়। যার মধ্যে দুটি করে প্যাকেজের কাজ পেয়েছে মেসার্স প্রিন্স এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স নাইম এন্টারপ্রাইজ। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট এই দুই প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত কনফার্মেশন বার্তাও পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ঠিকাদার বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার প্রায় ৪০-৫০ জন নিবন্ধিত ঠিকাদার সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডারে অংশ নিয়ে আসছি।কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, চলমান এই আরএফকিউ টেন্ডারটির বিষয়ে আমাদের অধিকাংশ ঠিকাদারই সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেছেন। আমরা কেউ জানতাম না। পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গোপন রাখা হয়েছে। সাধারণ ও যোগ্য ঠিকাদারদের তথ্য না জানিয়ে, মাত্র সীমিত কয়েকজন পছন্দের মানুষকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্যই এই লুকোচুরির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। একটি বিশেষ চক্রকে কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে, যার কারণে আমরা দরপত্র জমা দেওয়ার ন্যূনতম সুযোগটুকুও পাইনি। তারা আরও বলেন, “পুরো অনিয়মের বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে খতিয়ে দেখে এর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. সাখাওয়াত হোসেনের ভাষ্যমতে, “উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসব টেন্ডার তার আইডি দিয়ে করতে পারেন না, কারণ তিনি এ বিষয়ে এক্সপার্ট নন। একবার টেন্ডারের সময় ভুল করে তিনি আইডি ব্লকও করেছিলেন। মূলতঃ তার আইডি দিয়ে আমি নিজেই টেন্ডার প্রক্রিয়ার কাজ সম্পন্ন করেছি।
তিনি আরও বলেন, “সংসদ সদস্যের অভিপ্রায় অনুযায়ী প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে এবং টেন্ডার প্রক্রিয়াও সেই বাস্তবায়নের একটি অংশ। এমপি মহোদয় পাঁচটি লাইসেন্স পাঠিয়েছিলেন। সেই লাইসেন্সগুলো এখানে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের দিয়ে আবেদন করানো হয়েছে। পরবর্তীতে ওই লাইসেন্সগুলোর ভেতর থেকে দুটি লাইসেন্সকে কাজ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “বরাদ্দ পাওয়ার পর, মাননীয় সংসদ সদস্যের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী কমিটির সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন করা হয়। এরপর উপজেলা প্রকৌশলীকে ইজিপি’র মাধ্যমে দ্রুত কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। উপজেলা প্রকৌশলী টেন্ডার প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন করার পর, হোপ আইডি থেকে রেসপন্সিভ দরদাতাদের অনুমোদন প্রদান করা হয়।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউএনওর আইডি দিয়ে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তালতলীর প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে

Update Time : ০১:২১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
ইউএনও’র আইডি দিয়ে টেন্ডার করলেন প্রকৌশলী, কাজ ভাগাভাগির অভিযোগ
তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি : বরগুনার তালতলী উপজেলায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দের কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও গোপন যোগসাজশের মাধ্যমে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. সাখাওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে। এমনকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সরকারি ‘ই-জিপি’ আইডি ব্যবহার করে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে‌।
উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে তালতলী উপজেলায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি)  ৪র্থ ধাপে ৩৯ লাখ ১৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত অর্থ সংসদ সদস্যের অভিপ্রায় অনুযায়ী প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে চলতি মাসের ৩ জুন উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে প্রকল্প বাছাই কমিটির সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় পূর্ববর্তী তিন ধাপের ঘাটতি হিসেবে ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা সংরক্ষণ রেখে অবশিষ্ট অর্থের মধ্যে ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকার প্রকল্প “প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির” (পিআইসি) মাধ্যমে এবং ২১ লাখ ৯৬ হাজার টাকার ১৭ টি প্রকল্প আরএফকিউ পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের জন্য রেজুলেশনে মাধ্যমে প্রকল্প বাছাই কমিটির আহ্বায়ক উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সদস্য সচিব উপজেলা প্রকৌশলী এলজিইডি কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন স্বাক্ষরিত প্রকল্পের তালিকা অনুমোদন দেন।
কিন্তু পরবর্তীতে আরএফকিউ পদ্ধতির নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে ২১ লাখ ৯৬ হাজার টাকা ব্যয়ের ১৭ টি প্রকল্পকে মোট চারটি প্যাকেজে ভাগ করে ই-জিপিতে টেন্ডার আহ্বান করা হয়। তবে টেন্ডার নোটিশটি এমন চতুর কৌশলে ও গোপনীয়তায় পরিচালনা করা হয়, যাতে সাধারণ ঠিকাদাররা কোনোভাবেই বিষয়টি জানতে বা দেখতে না পারেন। নিজের পছন্দের কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন এই কারসাজি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে‌।
অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা প্রকৌশলী সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিজের পছন্দের পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দরপত্র (টেন্ডার) দাখিলের ব্যবস্থা করেন। এর মধ্যে মেসার্স প্রিন্স এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স নাইম এন্টারপ্রাইজ এবং আসিফ এন্টারপ্রাইজসহ মোট পাঁচটি লাইসেন্স ব্যবহার করে নামমাত্র প্রতিযোগিতার মাধ্যমে টেন্ডারে অংশ নেওয়া হয়। দরপত্র দাখিলের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী চারটি প্যাকেজের কাজ ভাগ করে দেওয়া হয়। যার মধ্যে দুটি করে প্যাকেজের কাজ পেয়েছে মেসার্স প্রিন্স এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স নাইম এন্টারপ্রাইজ। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট এই দুই প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত কনফার্মেশন বার্তাও পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ঠিকাদার বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার প্রায় ৪০-৫০ জন নিবন্ধিত ঠিকাদার সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডারে অংশ নিয়ে আসছি।কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, চলমান এই আরএফকিউ টেন্ডারটির বিষয়ে আমাদের অধিকাংশ ঠিকাদারই সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেছেন। আমরা কেউ জানতাম না। পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গোপন রাখা হয়েছে। সাধারণ ও যোগ্য ঠিকাদারদের তথ্য না জানিয়ে, মাত্র সীমিত কয়েকজন পছন্দের মানুষকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্যই এই লুকোচুরির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। একটি বিশেষ চক্রকে কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে, যার কারণে আমরা দরপত্র জমা দেওয়ার ন্যূনতম সুযোগটুকুও পাইনি। তারা আরও বলেন, “পুরো অনিয়মের বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে খতিয়ে দেখে এর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. সাখাওয়াত হোসেনের ভাষ্যমতে, “উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসব টেন্ডার তার আইডি দিয়ে করতে পারেন না, কারণ তিনি এ বিষয়ে এক্সপার্ট নন। একবার টেন্ডারের সময় ভুল করে তিনি আইডি ব্লকও করেছিলেন। মূলতঃ তার আইডি দিয়ে আমি নিজেই টেন্ডার প্রক্রিয়ার কাজ সম্পন্ন করেছি।
তিনি আরও বলেন, “সংসদ সদস্যের অভিপ্রায় অনুযায়ী প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে এবং টেন্ডার প্রক্রিয়াও সেই বাস্তবায়নের একটি অংশ। এমপি মহোদয় পাঁচটি লাইসেন্স পাঠিয়েছিলেন। সেই লাইসেন্সগুলো এখানে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের দিয়ে আবেদন করানো হয়েছে। পরবর্তীতে ওই লাইসেন্সগুলোর ভেতর থেকে দুটি লাইসেন্সকে কাজ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “বরাদ্দ পাওয়ার পর, মাননীয় সংসদ সদস্যের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী কমিটির সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন করা হয়। এরপর উপজেলা প্রকৌশলীকে ইজিপি’র মাধ্যমে দ্রুত কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। উপজেলা প্রকৌশলী টেন্ডার প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন করার পর, হোপ আইডি থেকে রেসপন্সিভ দরদাতাদের অনুমোদন প্রদান করা হয়।