ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারাদেশে সরকারিভাবে ধান, চাল ও গম সংগ্রহ শুরু ৩ মে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৬ Time View
৭২

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগামী ৩ মে থেকে সারাদেশে সরকারিভাবে ধান ও ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হচ্ছে। এটি চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সারাদেশে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যে এই ধান, চাল ও গম সংগ্রহ করা হবে।

আজ সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

এর আগে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী-সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার এ বছর সারা দেশে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, সাড়ে ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করবে।

মন্ত্রী বলেন, ধানের কেজি ৩৬ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা, আতপ চাল ৪৮ টাকা এবং গম ৩৬ টাকা মূল্যে সরকারিভাবে সংগ্রহের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, চাল সংগ্রহ করার বিষয়ে আমাদের চাহিদার বিপরীতে কী পরিমাণ মজুত রাখব, কী পরিমাণ নিরাপত্তা মজুত এবং কী পরিমাণ আমদানি করব— এই বিষয়গুলো নিয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে সভায়।

মন্ত্রী বলেন, দেশে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা আছে ২৪ থেকে ২৫ লাখ মেট্রিক টন। সরকারের কাছে বর্তমানে মজুত আছে ১৭ থেকে ১৮ লাখ মেট্রিক টন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জিটুজি পদ্ধতিতে সরকার গম আমদানি করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জিটুজি পদ্ধতিতে একটি সমঝোতা রয়েছে বাংলাদেশের। সেখান থেকে পুরোপুরি আমদানি সম্ভব না হলে বিকল্প যেকোনো উন্মুক্ত পদ্ধতিতে গম আমদানি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে চালের উৎপাদনে ঘাটতি নেই। আমদানি প্রয়োজন হবে না। তবে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সংগ্রহকৃত অবশিষ্ট চাল মজুত করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চালে আমাদের জাতীয় চাহিদা ৪ কোটি ২৪ লাখ মেট্রিক টন। চালের ক্ষেত্রে আমাদের ঘাটতি নেই। উৎপাদনও ভালো হয়েছে এ বছর। আমাদের যে আবহাওয়া রিপোর্ট, সেই অনুসারে এ পর্যন্ত দুর্যোগের কোনো আশঙ্কা নেই, ইনশাআল্লাহ। সেই হিসেবে আমরা আমাদের লক্ষ্যমাত্রার চাইতেও বেশি উৎপাদন করতে পারবো বলে আশা করছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা সংস্কার, দান-অনুদানে প্রশংসায় ভাসছে যুবনেতা আতিক ওসমানী 

সারাদেশে সরকারিভাবে ধান, চাল ও গম সংগ্রহ শুরু ৩ মে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Update Time : ১১:০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
৭২

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগামী ৩ মে থেকে সারাদেশে সরকারিভাবে ধান ও ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হচ্ছে। এটি চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সারাদেশে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যে এই ধান, চাল ও গম সংগ্রহ করা হবে।

আজ সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

এর আগে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী-সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার এ বছর সারা দেশে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, সাড়ে ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করবে।

মন্ত্রী বলেন, ধানের কেজি ৩৬ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা, আতপ চাল ৪৮ টাকা এবং গম ৩৬ টাকা মূল্যে সরকারিভাবে সংগ্রহের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, চাল সংগ্রহ করার বিষয়ে আমাদের চাহিদার বিপরীতে কী পরিমাণ মজুত রাখব, কী পরিমাণ নিরাপত্তা মজুত এবং কী পরিমাণ আমদানি করব— এই বিষয়গুলো নিয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে সভায়।

মন্ত্রী বলেন, দেশে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা আছে ২৪ থেকে ২৫ লাখ মেট্রিক টন। সরকারের কাছে বর্তমানে মজুত আছে ১৭ থেকে ১৮ লাখ মেট্রিক টন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জিটুজি পদ্ধতিতে সরকার গম আমদানি করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জিটুজি পদ্ধতিতে একটি সমঝোতা রয়েছে বাংলাদেশের। সেখান থেকে পুরোপুরি আমদানি সম্ভব না হলে বিকল্প যেকোনো উন্মুক্ত পদ্ধতিতে গম আমদানি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে চালের উৎপাদনে ঘাটতি নেই। আমদানি প্রয়োজন হবে না। তবে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সংগ্রহকৃত অবশিষ্ট চাল মজুত করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চালে আমাদের জাতীয় চাহিদা ৪ কোটি ২৪ লাখ মেট্রিক টন। চালের ক্ষেত্রে আমাদের ঘাটতি নেই। উৎপাদনও ভালো হয়েছে এ বছর। আমাদের যে আবহাওয়া রিপোর্ট, সেই অনুসারে এ পর্যন্ত দুর্যোগের কোনো আশঙ্কা নেই, ইনশাআল্লাহ। সেই হিসেবে আমরা আমাদের লক্ষ্যমাত্রার চাইতেও বেশি উৎপাদন করতে পারবো বলে আশা করছি।