
নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশালের বানারীপাড়া ও বগুড়ার শিবগঞ্জে পৃথক ঘটনায় দুই গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্বামীর মারধরে তাদের মৃত্যু হয় বলে দাবি করেছেন দুজনের পরিবার।
বুধবার (৮ এপ্রিল) শিবগঞ্জের বিহার ইউনিয়নের পশ্চিম মৃধা পাড়া এলাকা ও বানারীপাড়ার সলিয়া-বাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে।
এর মধ্যে শিবগঞ্জে হত্যার শিকার গৃহবধূর হলেন, ওই এলাকার মিন্টু মিয়ার স্ত্রী শিল্পী বেগম (৩২) এবং বানারীপাড়ায় নিহত গৃহবধূ মারিয়া আক্তার (১৮) ও সলিয়া-বাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রবিউল মৃধার স্ত্রী। তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের বরাতে ইত্তেফাকের শিবগঞ্জ সংবাদদাতা জানান, ওই বুধবার দুপুরে নিজের ঘর থেকে শিল্পী বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে যেকোনো সময় স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা পর তার স্বামী পালিয়ে গেছে। উদ্ধারের পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
শিবগঞ্জ থানার ওসি শাহিনুজ্জামান শাহীন বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি বিয়ের পর থেকেই তাদের সংসারে ঝগড়া ও মারপিট লেগেই থাকতো। পারিবারিক কলহের জেরে মঙ্গলবার রাতের মধ্যে যে কোনো সময় মিন্টু মিয়া তার স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ঘটনায় জড়িত মিন্টুকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
এদিকে নিহত মারিয়া আক্তারের পরিবারের বরাতে বানাড়ীপাড়া সংবাদদাতা জানিয়েছেন, গত তিন বছর আগে একই এলাকার বাসিন্দা মৃধার সঙ্গে মারিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। চাকরির সুবাদে মারিয়া আক্তার স্বামী রবিউল মৃধার সঙ্গে রাজধানী ঢাকা বসবাস করে। গত ৪ দিন আগে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারিয়াকে তার স্বামী অস্বাভাবিকভাবে পিটিয়ে স্পর্শকাতর স্থানসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে পরিবার মারিয়াকে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে এসে চিকিৎসা করান। সর্বশেষ বুধবার দুপুর ৩টার দিকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মারিয়ার মৃত্যু হয়।
এই প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি বলেন, সুষ্ঠু ও নিখুঁত তদন্তের মাধ্যমে অপ্রত্যাশিত ঘটনার পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে কারো জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Reporter Name 





















