ঢাকা ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশালে সাবেক পুলিশ কমিশনারসহ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩৭:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৩৬ Time View
৩৭৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল | ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬​২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় বাধা প্রদান, বিএনপি নেতাকর্মীদের অপহরণ ও হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার অভিযোগে বরিশালের সাবেক পুলিশ কমিশনার এবং সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমসহ ১৪ জন নামধারী ও আরও ২০-২৫ জন অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে মামলার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

​আজ বরিশাল অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-০২ এর বিচারক বাদীর আরজি পর্যালোচনা করে বন্দর থানাকে বিষয়টি নিয়মিত মামলা (এজাহার) হিসেবে রুজু করার নির্দেশ প্রদান করেন।

​মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ১৮:৩০ ঘটিকায় বরিশাল বন্দর থানাধীন চাঁদপুর ইউনিয়নের রায়পুরা সাকিনস্থ বিশ্বাসের হাট নদীর ঘাটে এই অপরাধ সংঘটিত হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে অবৈধভাবে পথরোধ, হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ, মারপিট করে জখম এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে (দণ্ডবিধি ধারা: ৩৪১/৩৬৫/৩২৩/৩০৭/৫০৬/১০৯)।

​মামলায় অভিযুক্ত প্রধান আসামিরা হলেন: জাহিদ ফারুক শামীম: সাবেক এমপি ও সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।​রুহুল আমিন: সাবেক পুলিশ কমিশনার, বিএমপি, বরিশাল।​ এস এম অজিয়র রহমান: সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং অফিসার, বরিশাল। মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁইয়া: সাবেক ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিসি), বিএমপি, বরিশাল।​ মোঃ মোস্তফা কামাল হায়দার: সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বন্দর থানা।​ শাহ মোঃ ফয়সাল আহমেদ: সাবেক ওসি (তদন্ত), বন্দর থানা। এছাড়াও বন্দর থানার তৎকালীন এসআই এরফান হোসেন মৃদুল, সহিদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন এএসআই ও কনস্টেবলকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে।

​মামলাটি দায়ের করেছেন বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মশিউল আলম খান পলাশ। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের প্রচারণাকালে পুলিশ ও তৎকালীন সরকারি দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা ও অপহরণের ঘটনা ঘটিয়েছিলেন।

​আদালতের এই আদেশের প্রেক্ষিতে বন্দর থানা (বিএমপি) মামলা নম্বর ১১, তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২৪ মূলে এফআইআর গ্রহণ করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা সংস্কার, দান-অনুদানে প্রশংসায় ভাসছে যুবনেতা আতিক ওসমানী 

বরিশালে সাবেক পুলিশ কমিশনারসহ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

Update Time : ০৯:৩৭:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৩৭৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল | ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬​২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় বাধা প্রদান, বিএনপি নেতাকর্মীদের অপহরণ ও হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার অভিযোগে বরিশালের সাবেক পুলিশ কমিশনার এবং সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমসহ ১৪ জন নামধারী ও আরও ২০-২৫ জন অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে মামলার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

​আজ বরিশাল অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-০২ এর বিচারক বাদীর আরজি পর্যালোচনা করে বন্দর থানাকে বিষয়টি নিয়মিত মামলা (এজাহার) হিসেবে রুজু করার নির্দেশ প্রদান করেন।

​মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ১৮:৩০ ঘটিকায় বরিশাল বন্দর থানাধীন চাঁদপুর ইউনিয়নের রায়পুরা সাকিনস্থ বিশ্বাসের হাট নদীর ঘাটে এই অপরাধ সংঘটিত হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে অবৈধভাবে পথরোধ, হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ, মারপিট করে জখম এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে (দণ্ডবিধি ধারা: ৩৪১/৩৬৫/৩২৩/৩০৭/৫০৬/১০৯)।

​মামলায় অভিযুক্ত প্রধান আসামিরা হলেন: জাহিদ ফারুক শামীম: সাবেক এমপি ও সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।​রুহুল আমিন: সাবেক পুলিশ কমিশনার, বিএমপি, বরিশাল।​ এস এম অজিয়র রহমান: সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং অফিসার, বরিশাল। মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁইয়া: সাবেক ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিসি), বিএমপি, বরিশাল।​ মোঃ মোস্তফা কামাল হায়দার: সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বন্দর থানা।​ শাহ মোঃ ফয়সাল আহমেদ: সাবেক ওসি (তদন্ত), বন্দর থানা। এছাড়াও বন্দর থানার তৎকালীন এসআই এরফান হোসেন মৃদুল, সহিদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন এএসআই ও কনস্টেবলকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে।

​মামলাটি দায়ের করেছেন বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মশিউল আলম খান পলাশ। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের প্রচারণাকালে পুলিশ ও তৎকালীন সরকারি দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা ও অপহরণের ঘটনা ঘটিয়েছিলেন।

​আদালতের এই আদেশের প্রেক্ষিতে বন্দর থানা (বিএমপি) মামলা নম্বর ১১, তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২৪ মূলে এফআইআর গ্রহণ করেছে।