ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরগুনায় খাল দখল ও ভরাট: ২০টি খাল পুনঃখননের দাবি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩২ Time View
৬৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : উপকূলীয় জেলা বরগুনার নদী-খালনির্ভর প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ ব্যবস্থা এখন চরম হুমকির মুখে। একসময় শতাধিক খালের প্রবাহে সচল থাকা এই জনপদ আজ দখল, ভরাট, অপরিকল্পিত অবকাঠামো এবং দীর্ঘদিন খনন না হওয়ার কারণে কার্যত পানিবদ্ধতার ফাঁদে আটকে পড়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জেলার অন্তত ১৫ থেকে ২০টি গুরুত্বপূর্ণ খাল অবিলম্বে খনন বা পুনঃখনন না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

বরগুনা সদর উপজেলার ভাড়ানি খাল, খাকদোন নদী-সংযুক্ত খালসমূহ, বুড়িরচর খাল, বড় লবণ গোলা খাল ছোট লবণ গোলা খাল, নাপিতখালী খাল, সোনাখালি খাল, চড়কগাছিয়া খাল, কামরাবাদ খাল, হাজারবিঘা খাল, গোলবুনিয়া খাল, বাঁশবুনিয়া খাল, নলটোনা খাল, কেওড়াবুনিয়া খালসহ আমতলী খাল, পাথরঘাটা বাজার সংলগ্ন খাল, তালতলীর সুন্দরিয়া শাখা খাল, বেতাগীর বিভিন্ন সেচ খাল এবং পায়রা নদীসংলগ্ন একাধিক উপখাল বর্তমানে মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। এসব খালের অনেক জায়গা প্রভাবশালীদের দখলে চলে গেছে, আবার কোথাও পলি জমে পানি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে।

 

জেলার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ধমনী হিসেবে পরিচিত ভাড়ানি খাল একসময় খাকদোন নদীর সঙ্গে সংযুক্ত থেকে পায়রা নদীতে পানি প্রবাহ নিশ্চিত করত। বর্তমানে খালটির বিভিন্ন অংশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় বরগুনা পৌর শহরে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। একইভাবে খাকদোন নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় এর সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলোতেও পানি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা পুরো জলব্যবস্থাকে অচল করে দিচ্ছে।

 

সরকারি হিসাবে গত কয়েক বছরে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় একাধিক খাল খননের প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও বাস্তবতায় সেসব প্রকল্পের কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, অপরিকল্পিত খনন, প্রয়োজনীয় গভীরতা বজায় না রাখা এবং খননের পর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অধিকাংশ খাল অল্প সময়ের মধ্যেই পুনরায় ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফলে কোটি কোটি টাকার ব্যয় হলেও টেকসই কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, খাল খনন ও পানি ব্যবস্থাপনা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতির একটি উপেক্ষিত ইস্যু হয়ে আছে। নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রতিশ্রুতিতে খাল খননের বিষয়টি গুরুত্ব পেলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সমন্বয়ের অভাব, স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং জবাবদিহিতার সংকট স্পষ্ট। অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী মহলের দখলদারিত্বের কারণে প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

 

এদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেও উপকূলীয় এই জেলায় লবণাক্ততা ও পানি নিষ্কাশন সংকট বাড়ছে। খালগুলো সচল না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হচ্ছে না, ফলে কৃষি জমিতে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে এবং উৎপাদন কমে যাচ্ছে। একই সঙ্গে মৎস্যসম্পদ, জীববৈচিত্র্য ও গ্রামীণ নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

সাম্প্রতিক তথ্য-উপাত্তে উঠে এসেছে, অবৈধ দখল, অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ এবং পলি জমে ভরাট হওয়ার কারণে বরগুনার প্রায় চার শতাধিক ছোট-বড় খালের বড় অংশই অস্তিত্ব সংকটে। এর মধ্যে অন্তত ২৪৩টি খাল দখল ও ভরাটের কারণে কার্যকারিতা হারানোর পথে। নদী ও খালের নাব্যতা হ্রাসের চিত্রও উদ্বেগজনক। খাকদোন নদের প্রশস্ততা সোয়া কিলোমিটার থেকে কমে প্রায় ২৫০ মিটারে নেমে এসেছে, আর ভাড়ানি খালসহ অসংখ্য খাল এখন মৃতপ্রায় নালায় পরিণত হয়েছে।

 

এই সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়ছে কৃষি ও মৎস্যখাতে। কালমেঘা খালসহ বিভিন্ন খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, ফলে তালতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় সেচ সংকট ও জলাবদ্ধতায় কৃষকরা হাজার হাজার একর জমিতে চাষাবাদ করতে পারছেন না। একই সঙ্গে প্রভাবশালীদের দখলদারিত্ব, স্লুইসগেট নির্মাণ, বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ এবং স্থাপনা নির্মাণ, খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহকে আরও বাধাগ্রস্ত করছে।

 

পরিবেশ ও জনজীবনেও এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। বর্ষা মৌসুমে পানিবদ্ধতা এবং শুকনো মৌসুমে তীব্র পানি সংকট এখন নিত্যসঙ্গী। প্রাকৃতিক জলাধার ধ্বংস হওয়ায় জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে, আর একসময়ের ব্যস্ত নৌপথগুলো এখন নৌকার চলাচলেরও অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে।

 

যদিও পাথরঘাটার কিছু এলাকায় খাল পুনঃখননের ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে, কৃষকরা আবার ফসল ফলানোর আশায় বুক বাঁধছেন। তবুও সামগ্রিকভাবে জেলার অধিকাংশ খাল উদ্ধারে কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপের অভাব প্রকট।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু খনন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; প্রয়োজন সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা, দখলমুক্তকরণ, নিয়মিত ড্রেজিং এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ। অন্যথায় প্রতি বছর একই খাল পুনঃখননে অর্থ ব্যয় হলেও বাস্তব কোনো পরিবর্তন আসবে না।

 

বরগুনার টেকসই উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পানিবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। বাস্তবতা বলছে, অন্তত ২০টি গুরুত্বপূর্ণ খাল দ্রুত খনন ও পুনরুদ্ধার করা না গেলে অদূর ভবিষ্যতে বরগুনার বিস্তীর্ণ এলাকা স্থায়ী পানিবদ্ধতা ও পরিবেশগত ঝুঁকির মুখে পড়বে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জাগঞ্জে ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি কমিটি, ৯ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস

বরগুনায় খাল দখল ও ভরাট: ২০টি খাল পুনঃখননের দাবি

Update Time : ০১:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
৬৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : উপকূলীয় জেলা বরগুনার নদী-খালনির্ভর প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ ব্যবস্থা এখন চরম হুমকির মুখে। একসময় শতাধিক খালের প্রবাহে সচল থাকা এই জনপদ আজ দখল, ভরাট, অপরিকল্পিত অবকাঠামো এবং দীর্ঘদিন খনন না হওয়ার কারণে কার্যত পানিবদ্ধতার ফাঁদে আটকে পড়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জেলার অন্তত ১৫ থেকে ২০টি গুরুত্বপূর্ণ খাল অবিলম্বে খনন বা পুনঃখনন না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

বরগুনা সদর উপজেলার ভাড়ানি খাল, খাকদোন নদী-সংযুক্ত খালসমূহ, বুড়িরচর খাল, বড় লবণ গোলা খাল ছোট লবণ গোলা খাল, নাপিতখালী খাল, সোনাখালি খাল, চড়কগাছিয়া খাল, কামরাবাদ খাল, হাজারবিঘা খাল, গোলবুনিয়া খাল, বাঁশবুনিয়া খাল, নলটোনা খাল, কেওড়াবুনিয়া খালসহ আমতলী খাল, পাথরঘাটা বাজার সংলগ্ন খাল, তালতলীর সুন্দরিয়া শাখা খাল, বেতাগীর বিভিন্ন সেচ খাল এবং পায়রা নদীসংলগ্ন একাধিক উপখাল বর্তমানে মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। এসব খালের অনেক জায়গা প্রভাবশালীদের দখলে চলে গেছে, আবার কোথাও পলি জমে পানি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে।

 

জেলার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ধমনী হিসেবে পরিচিত ভাড়ানি খাল একসময় খাকদোন নদীর সঙ্গে সংযুক্ত থেকে পায়রা নদীতে পানি প্রবাহ নিশ্চিত করত। বর্তমানে খালটির বিভিন্ন অংশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় বরগুনা পৌর শহরে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। একইভাবে খাকদোন নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় এর সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলোতেও পানি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা পুরো জলব্যবস্থাকে অচল করে দিচ্ছে।

 

সরকারি হিসাবে গত কয়েক বছরে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় একাধিক খাল খননের প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও বাস্তবতায় সেসব প্রকল্পের কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, অপরিকল্পিত খনন, প্রয়োজনীয় গভীরতা বজায় না রাখা এবং খননের পর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অধিকাংশ খাল অল্প সময়ের মধ্যেই পুনরায় ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফলে কোটি কোটি টাকার ব্যয় হলেও টেকসই কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, খাল খনন ও পানি ব্যবস্থাপনা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতির একটি উপেক্ষিত ইস্যু হয়ে আছে। নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রতিশ্রুতিতে খাল খননের বিষয়টি গুরুত্ব পেলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সমন্বয়ের অভাব, স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং জবাবদিহিতার সংকট স্পষ্ট। অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী মহলের দখলদারিত্বের কারণে প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

 

এদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেও উপকূলীয় এই জেলায় লবণাক্ততা ও পানি নিষ্কাশন সংকট বাড়ছে। খালগুলো সচল না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হচ্ছে না, ফলে কৃষি জমিতে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে এবং উৎপাদন কমে যাচ্ছে। একই সঙ্গে মৎস্যসম্পদ, জীববৈচিত্র্য ও গ্রামীণ নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

সাম্প্রতিক তথ্য-উপাত্তে উঠে এসেছে, অবৈধ দখল, অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ এবং পলি জমে ভরাট হওয়ার কারণে বরগুনার প্রায় চার শতাধিক ছোট-বড় খালের বড় অংশই অস্তিত্ব সংকটে। এর মধ্যে অন্তত ২৪৩টি খাল দখল ও ভরাটের কারণে কার্যকারিতা হারানোর পথে। নদী ও খালের নাব্যতা হ্রাসের চিত্রও উদ্বেগজনক। খাকদোন নদের প্রশস্ততা সোয়া কিলোমিটার থেকে কমে প্রায় ২৫০ মিটারে নেমে এসেছে, আর ভাড়ানি খালসহ অসংখ্য খাল এখন মৃতপ্রায় নালায় পরিণত হয়েছে।

 

এই সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়ছে কৃষি ও মৎস্যখাতে। কালমেঘা খালসহ বিভিন্ন খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, ফলে তালতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় সেচ সংকট ও জলাবদ্ধতায় কৃষকরা হাজার হাজার একর জমিতে চাষাবাদ করতে পারছেন না। একই সঙ্গে প্রভাবশালীদের দখলদারিত্ব, স্লুইসগেট নির্মাণ, বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ এবং স্থাপনা নির্মাণ, খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহকে আরও বাধাগ্রস্ত করছে।

 

পরিবেশ ও জনজীবনেও এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। বর্ষা মৌসুমে পানিবদ্ধতা এবং শুকনো মৌসুমে তীব্র পানি সংকট এখন নিত্যসঙ্গী। প্রাকৃতিক জলাধার ধ্বংস হওয়ায় জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে, আর একসময়ের ব্যস্ত নৌপথগুলো এখন নৌকার চলাচলেরও অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে।

 

যদিও পাথরঘাটার কিছু এলাকায় খাল পুনঃখননের ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে, কৃষকরা আবার ফসল ফলানোর আশায় বুক বাঁধছেন। তবুও সামগ্রিকভাবে জেলার অধিকাংশ খাল উদ্ধারে কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপের অভাব প্রকট।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু খনন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; প্রয়োজন সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা, দখলমুক্তকরণ, নিয়মিত ড্রেজিং এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ। অন্যথায় প্রতি বছর একই খাল পুনঃখননে অর্থ ব্যয় হলেও বাস্তব কোনো পরিবর্তন আসবে না।

 

বরগুনার টেকসই উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পানিবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। বাস্তবতা বলছে, অন্তত ২০টি গুরুত্বপূর্ণ খাল দ্রুত খনন ও পুনরুদ্ধার করা না গেলে অদূর ভবিষ্যতে বরগুনার বিস্তীর্ণ এলাকা স্থায়ী পানিবদ্ধতা ও পরিবেশগত ঝুঁকির মুখে পড়বে।