ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ সামান্য এগিয়ে : শান্ত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ৫১ Time View
৭৫

খেলা ডেস্ক : সাম্প্রতিক পারফরমেন্স বিবেচনায় পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ সামান্য এগিয়ে আছে বলে জানালেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। আগামীকাল থেকে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে শুরু হতে যাওয়া দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের আগে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী পেস বোলিং ইউনিট হিসেবে বিবেচিত পাকিস্তান। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে উচুঁমানের পেসার তৈরি করেছে তারা। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ দেশে ও বিদেশের মাটিতে নিজেদের উন্নতির প্রমান দিয়েছে।
২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে ২-০ ব্যবধানে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ে বড় অবদান রাখে বাংলাদেশের পেসাররা। ঐ সিরিজে নাহিদ রানা, হাসান মাহমুদ, তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম মিলে ২১ উইকেট ভাগাভাগি করে নেন।

অন্যদিকে ঐ সিরিজে ১০ উইকেট ভাগাভাগি করে নেন পাকিস্তানের শাহীন শাহ আফ্রিদি, মীর হামজা, মোহাম্মদ আলী এবং নাসিম শাহ।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশের পেসারদের উন্নতির কথা জানান শান্ত। তার মতে পাকিস্তানের
শক্তিশালী পেস ইউনিটের সাথে তুলনা করা যায় টাইগারদের পেস আক্রমন।

শান্ত বলেন, ‘পাকিস্তানের পেস বোলিং সবসময়ই শক্তিশালী। এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু গত কয়েক বছরে আমাদের পেসাররা যেভাবে বোলিং করেছে সেটি বিবেচনায় নিলে আমি বলব, এই মুহূর্তে আমাদের পেস আক্রমণ তাদের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে।’

পেসারদের দক্ষতা ও ধারাবাহিকতার উন্নতি অধিনায়ক হিসেবে শান্তকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের পেসাররা দক্ষতার দিক থেকে অনেক উন্নতি করেছে, যা অধিনায়ক হিসেবে আমাকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেয়। আমি চাই ব্যাটাররা প্রথম ইনিংসে বড় রান করে দায়িত্ব পালন করুক। আমরা যদি বোর্ডে বড় রান তুলতে পারি তবে বোলাররা আমাদের জন্য ম্যাচ জেতাতে পারবে। পেসার ও স্পিনারদের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ হবে।’

বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে দ্রুততম বোলার এখন নাহিদ রানা। ধারাবাহিকভাবে ১৫০ কিমি/ঘণ্টায় বোলিং করছেন তিনি। সিরিজে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার সামর্থ্য আছে তার। সিরিজ শুরুর আগে নাহিদের প্রস্তুতি ও ফর্মের ওপর আস্থা রাখছেন শান্ত।

তিনি বলেন, ‘আমি রানাকে খুব ছোটবেলা থেকে চিনি এবং আমি জানি সে কতটা গুরুত্ব সহকারে নিজেকে প্রস্তুত করে। তার মতো একজন দ্রুতগতির পেসার দলে থাকা যেকোন অধিনায়কের জন্য সবসময়ই বড় সুবিধার। সে খুব ভালো ফর্মে আছে এবং আশা করি এই সিরিজে সে তার সেরাটা দেবে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

লালমোহনে বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ সামান্য এগিয়ে : শান্ত

Update Time : ০৩:৩০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
৭৫

খেলা ডেস্ক : সাম্প্রতিক পারফরমেন্স বিবেচনায় পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ সামান্য এগিয়ে আছে বলে জানালেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। আগামীকাল থেকে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে শুরু হতে যাওয়া দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের আগে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী পেস বোলিং ইউনিট হিসেবে বিবেচিত পাকিস্তান। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে উচুঁমানের পেসার তৈরি করেছে তারা। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ দেশে ও বিদেশের মাটিতে নিজেদের উন্নতির প্রমান দিয়েছে।
২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে ২-০ ব্যবধানে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ে বড় অবদান রাখে বাংলাদেশের পেসাররা। ঐ সিরিজে নাহিদ রানা, হাসান মাহমুদ, তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম মিলে ২১ উইকেট ভাগাভাগি করে নেন।

অন্যদিকে ঐ সিরিজে ১০ উইকেট ভাগাভাগি করে নেন পাকিস্তানের শাহীন শাহ আফ্রিদি, মীর হামজা, মোহাম্মদ আলী এবং নাসিম শাহ।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশের পেসারদের উন্নতির কথা জানান শান্ত। তার মতে পাকিস্তানের
শক্তিশালী পেস ইউনিটের সাথে তুলনা করা যায় টাইগারদের পেস আক্রমন।

শান্ত বলেন, ‘পাকিস্তানের পেস বোলিং সবসময়ই শক্তিশালী। এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু গত কয়েক বছরে আমাদের পেসাররা যেভাবে বোলিং করেছে সেটি বিবেচনায় নিলে আমি বলব, এই মুহূর্তে আমাদের পেস আক্রমণ তাদের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে।’

পেসারদের দক্ষতা ও ধারাবাহিকতার উন্নতি অধিনায়ক হিসেবে শান্তকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের পেসাররা দক্ষতার দিক থেকে অনেক উন্নতি করেছে, যা অধিনায়ক হিসেবে আমাকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেয়। আমি চাই ব্যাটাররা প্রথম ইনিংসে বড় রান করে দায়িত্ব পালন করুক। আমরা যদি বোর্ডে বড় রান তুলতে পারি তবে বোলাররা আমাদের জন্য ম্যাচ জেতাতে পারবে। পেসার ও স্পিনারদের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ হবে।’

বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে দ্রুততম বোলার এখন নাহিদ রানা। ধারাবাহিকভাবে ১৫০ কিমি/ঘণ্টায় বোলিং করছেন তিনি। সিরিজে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার সামর্থ্য আছে তার। সিরিজ শুরুর আগে নাহিদের প্রস্তুতি ও ফর্মের ওপর আস্থা রাখছেন শান্ত।

তিনি বলেন, ‘আমি রানাকে খুব ছোটবেলা থেকে চিনি এবং আমি জানি সে কতটা গুরুত্ব সহকারে নিজেকে প্রস্তুত করে। তার মতো একজন দ্রুতগতির পেসার দলে থাকা যেকোন অধিনায়কের জন্য সবসময়ই বড় সুবিধার। সে খুব ভালো ফর্মে আছে এবং আশা করি এই সিরিজে সে তার সেরাটা দেবে।’