ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই মামলায় জামিন পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২০:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৫ Time View
৮৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : হত্যার অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুই মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী অন্তবর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন। জামিন চেয়ে আইভীর করা পৃথক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রুলসহ এ আদেশ দেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ও ২০২৫ সালের ৩০ জুন ওই দুই মামলা দায়ের করা হয়। এই দুই মামলার একটিতে ২ মার্চ ও অন্যটিতে ১২ এপ্রিল তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এই দুই মামলায় অধস্তন আদালতে বিফল হয়ে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে পৃথক আবেদন করেন কারাবন্দী সাবেক মেয়র আইভী। আদালতে আইভীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন ও মোতাহার হোসেন সাজু শুনানি করেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এস এম হৃদয় রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।

এর আগে গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র–জনতার আন্দোলনের ঘটনায় হওয়া তিনটি হত্যা মামলা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এই পাঁচ মামলায় হাইকোর্ট থেকে গত বছরের ৯ নভেম্বর জামিন পান কারাবন্দী সেলিনা হায়াৎ আইভী। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে পৃথক পাঁচটি আবেদন করে। চেম্বার আদালত গত বছরের ১২ নভেম্বর হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনগুলো আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। আবেদনগুলো আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায়।

আইভীর আইনজীবীর তথ্যমতে, ওই পাঁচ মামলায় যেদিন হাইকোর্ট থেকে আইভী জামিন পান, সেদিনই (গত বছরের নভেম্বর) আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয় এবং তা মঞ্জুর হয়। এই পাঁচ মামলার এজাহারে আইভীর নাম ছিল না। পৃথক এই পাঁচ মামলায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সেলিনা হায়াৎ আইভী হাইকোর্ট থেকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান। এসব জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

চেম্বার আদালত ৫ মার্চ শুনানি নিয়ে আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনগুলো আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। এর ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর ২৭ এপ্রিল শুনানি হয়। সেদিন শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ আদেশের জন্য আগামী ৩ মে দিন ধার্য করেন।

এদিকে ১০ মামলায় জামিনের পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওই দুই গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইভী। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ২৬ এপ্রিল রুলসহ আদেশ দেন। সর্বশেষ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পৃথক দুটি মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো (শোন্য অ্যারেস্ট) কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন আইভী। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ও ২০২৫ সালের ৩০ জুন ওই দুই মামলা দায়ের করা হয়। এই দুই মামলার একটিতে ২ মার্চ ও অন্যটিতে ১২ এপ্রিল তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এই দুই মামলায় অধস্তন আদালতে বিফল হয়ে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে পৃথক আবেদন করেন কারাবন্দী সাবেক মেয়র আইভী। আদালতে আইভীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন ও মোতাহার হোসেন সাজু শুনানি করেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এস এম হৃদয় রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।

এর আগে গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র–জনতার আন্দোলনের ঘটনায় হওয়া তিনটি হত্যা মামলা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এই পাঁচ মামলায় হাইকোর্ট থেকে গত বছরের ৯ নভেম্বর জামিন পান কারাবন্দী সেলিনা হায়াৎ আইভী। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে পৃথক পাঁচটি আবেদন করে। চেম্বার আদালত গত বছরের ১২ নভেম্বর হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনগুলো আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। আবেদনগুলো আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায়।

আইভীর আইনজীবীর তথ্যমতে, ওই পাঁচ মামলায় যেদিন হাইকোর্ট থেকে আইভী জামিন পান, সেদিনই (গত বছরের নভেম্বর) আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয় এবং তা মঞ্জুর হয়। এই পাঁচ মামলার এজাহারে আইভীর নাম ছিল না। পৃথক এই পাঁচ মামলায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সেলিনা হায়াৎ আইভী হাইকোর্ট থেকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান। এসব জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

চেম্বার আদালত ৫ মার্চ শুনানি নিয়ে আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনগুলো আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। এর ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর ২৭ এপ্রিল শুনানি হয়। সেদিন শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ আদেশের জন্য আগামী ৩ মে দিন ধার্য করেন।

এদিকে ১০ মামলায় জামিনের পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওই দুই গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইভী। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ২৬ এপ্রিল রুলসহ আদেশ দেন। সর্বশেষ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পৃথক দুটি মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো (শোন্য অ্যারেস্ট) কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন আইভী। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জাগঞ্জে ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি কমিটি, ৯ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস

দুই মামলায় জামিন পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী

Update Time : ১১:২০:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
৮৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : হত্যার অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুই মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী অন্তবর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন। জামিন চেয়ে আইভীর করা পৃথক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রুলসহ এ আদেশ দেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ও ২০২৫ সালের ৩০ জুন ওই দুই মামলা দায়ের করা হয়। এই দুই মামলার একটিতে ২ মার্চ ও অন্যটিতে ১২ এপ্রিল তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এই দুই মামলায় অধস্তন আদালতে বিফল হয়ে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে পৃথক আবেদন করেন কারাবন্দী সাবেক মেয়র আইভী। আদালতে আইভীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন ও মোতাহার হোসেন সাজু শুনানি করেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এস এম হৃদয় রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।

এর আগে গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র–জনতার আন্দোলনের ঘটনায় হওয়া তিনটি হত্যা মামলা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এই পাঁচ মামলায় হাইকোর্ট থেকে গত বছরের ৯ নভেম্বর জামিন পান কারাবন্দী সেলিনা হায়াৎ আইভী। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে পৃথক পাঁচটি আবেদন করে। চেম্বার আদালত গত বছরের ১২ নভেম্বর হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনগুলো আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। আবেদনগুলো আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায়।

আইভীর আইনজীবীর তথ্যমতে, ওই পাঁচ মামলায় যেদিন হাইকোর্ট থেকে আইভী জামিন পান, সেদিনই (গত বছরের নভেম্বর) আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয় এবং তা মঞ্জুর হয়। এই পাঁচ মামলার এজাহারে আইভীর নাম ছিল না। পৃথক এই পাঁচ মামলায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সেলিনা হায়াৎ আইভী হাইকোর্ট থেকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান। এসব জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

চেম্বার আদালত ৫ মার্চ শুনানি নিয়ে আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনগুলো আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। এর ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর ২৭ এপ্রিল শুনানি হয়। সেদিন শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ আদেশের জন্য আগামী ৩ মে দিন ধার্য করেন।

এদিকে ১০ মামলায় জামিনের পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওই দুই গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইভী। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ২৬ এপ্রিল রুলসহ আদেশ দেন। সর্বশেষ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পৃথক দুটি মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো (শোন্য অ্যারেস্ট) কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন আইভী। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ও ২০২৫ সালের ৩০ জুন ওই দুই মামলা দায়ের করা হয়। এই দুই মামলার একটিতে ২ মার্চ ও অন্যটিতে ১২ এপ্রিল তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এই দুই মামলায় অধস্তন আদালতে বিফল হয়ে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে পৃথক আবেদন করেন কারাবন্দী সাবেক মেয়র আইভী। আদালতে আইভীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন ও মোতাহার হোসেন সাজু শুনানি করেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এস এম হৃদয় রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।

এর আগে গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র–জনতার আন্দোলনের ঘটনায় হওয়া তিনটি হত্যা মামলা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এই পাঁচ মামলায় হাইকোর্ট থেকে গত বছরের ৯ নভেম্বর জামিন পান কারাবন্দী সেলিনা হায়াৎ আইভী। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে পৃথক পাঁচটি আবেদন করে। চেম্বার আদালত গত বছরের ১২ নভেম্বর হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনগুলো আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। আবেদনগুলো আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায়।

আইভীর আইনজীবীর তথ্যমতে, ওই পাঁচ মামলায় যেদিন হাইকোর্ট থেকে আইভী জামিন পান, সেদিনই (গত বছরের নভেম্বর) আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয় এবং তা মঞ্জুর হয়। এই পাঁচ মামলার এজাহারে আইভীর নাম ছিল না। পৃথক এই পাঁচ মামলায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সেলিনা হায়াৎ আইভী হাইকোর্ট থেকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান। এসব জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

চেম্বার আদালত ৫ মার্চ শুনানি নিয়ে আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনগুলো আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। এর ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর ২৭ এপ্রিল শুনানি হয়। সেদিন শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ আদেশের জন্য আগামী ৩ মে দিন ধার্য করেন।

এদিকে ১০ মামলায় জামিনের পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওই দুই গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইভী। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ২৬ এপ্রিল রুলসহ আদেশ দেন। সর্বশেষ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পৃথক দুটি মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো (শোন্য অ্যারেস্ট) কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন আইভী। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি।