ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, বিপাকে মানুষ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
  • ৯৭ Time View
২৪৪

ডেস্ক সংবাদ : বরিশালে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঘাটতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। নগরী ও জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে চাহিদা অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় পরিবহণ খাতের পাশাপাশি চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

 

আজ শনিবার (২৮ মার্চ) বরিশালের বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, পেট্রল ও অকটেনের সংকট প্রকট রূপ নিয়েছে।

 

ফিলিং স্টেশন মালিকদের দাবি, ডিপো থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী তেলের বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে আগেই তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেক স্টেশনে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর তেল বিক্রি বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

 

নগরীর নতুন বাজার এলাকার তালুকদার ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার অকটেন দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ‘পেট্রল নেই’ লিখে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

সংকট নিয়ে রাব্বি ফিলিং স্টেশনের মালিক সুমন খান জানান, তার পাম্পে প্রতিদিন গড়ে ১৬ হাজার লিটার ডিজেলের প্রয়োজন হলেও তিন দিন পরপর মাত্র ১০ হাজার লিটার তেল দেওয়া হচ্ছে। পেট্রল ও অকটেনের ক্ষেত্রেও চাহিদার অর্ধেকেরও কম সরবরাহ করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

 

সরবরাহ ব্যবস্থার এই সমন্বয়হীনতার কারণে পরিবহণ চালকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। চালকদের অভিযোগ, তেলের অভাবে নিয়মিত ট্রিপ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যার ফলে যাত্রী পরিবহণ ব্যাহত হচ্ছে এবং ভাড়ার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, বিপাকে মানুষ

Update Time : ০৩:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
২৪৪

ডেস্ক সংবাদ : বরিশালে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঘাটতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। নগরী ও জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে চাহিদা অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় পরিবহণ খাতের পাশাপাশি চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

 

আজ শনিবার (২৮ মার্চ) বরিশালের বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, পেট্রল ও অকটেনের সংকট প্রকট রূপ নিয়েছে।

 

ফিলিং স্টেশন মালিকদের দাবি, ডিপো থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী তেলের বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে আগেই তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেক স্টেশনে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর তেল বিক্রি বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

 

নগরীর নতুন বাজার এলাকার তালুকদার ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার অকটেন দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ‘পেট্রল নেই’ লিখে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

সংকট নিয়ে রাব্বি ফিলিং স্টেশনের মালিক সুমন খান জানান, তার পাম্পে প্রতিদিন গড়ে ১৬ হাজার লিটার ডিজেলের প্রয়োজন হলেও তিন দিন পরপর মাত্র ১০ হাজার লিটার তেল দেওয়া হচ্ছে। পেট্রল ও অকটেনের ক্ষেত্রেও চাহিদার অর্ধেকেরও কম সরবরাহ করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

 

সরবরাহ ব্যবস্থার এই সমন্বয়হীনতার কারণে পরিবহণ চালকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। চালকদের অভিযোগ, তেলের অভাবে নিয়মিত ট্রিপ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যার ফলে যাত্রী পরিবহণ ব্যাহত হচ্ছে এবং ভাড়ার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।