ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিয়াউর রহমানই গ্রামে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর প্রথম পদক্ষেপ নেন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৫৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ৩৩ Time View
৫৭

ডেস্ক সংবাদ :  শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি থানা হেডকোয়ার্টারে ৩১ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামীণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আধুনিকায়নে শহীদ জিয়াউর রহমানের অবদান ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে জিয়াউর রহমানের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শহীদ জিয়াই প্রথম রাষ্ট্রনায়ক যিনি গ্রামের সাধারণ মানুষের চিকিৎসাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রতিটি থানা হেডকোয়ার্টারে ৩১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ছিলেন এ দেশের স্বাস্থ্য খাতের প্রকৃত পথপ্রদর্শক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শহীদ জিয়ার দেখানো পথ অনুসরণ করেই পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৩১ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করেছিলেন।

শহীদ জিয়ার উন্নয়ন দর্শনকে ধারণ করে বর্তমান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সূচনা করেছিলেন, তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ৩১ বা ৫০ শয্যার বিদ্যমান সব হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা এরই মধ্যে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ শুরু করে দিয়েছি।

শহীদ জিয়ার অন্যান্য কালজয়ী কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে শহীদ জিয়া যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, বর্তমান সরকারও পানি ধারণক্ষমতা বাড়াতে তা পুনরায় চালু করেছে।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান শিশুদের বিকাশের জন্য শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং তার সততা ছিল প্রশ্নাতীত।

ড্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ডা. আবুল কেনানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ও সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, সংগঠনটির মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল বক্তব্য দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

লালমোহনে বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

জিয়াউর রহমানই গ্রামে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর প্রথম পদক্ষেপ নেন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Update Time : ০৯:৫৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
৫৭

ডেস্ক সংবাদ :  শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি থানা হেডকোয়ার্টারে ৩১ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামীণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আধুনিকায়নে শহীদ জিয়াউর রহমানের অবদান ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে জিয়াউর রহমানের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শহীদ জিয়াই প্রথম রাষ্ট্রনায়ক যিনি গ্রামের সাধারণ মানুষের চিকিৎসাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রতিটি থানা হেডকোয়ার্টারে ৩১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ছিলেন এ দেশের স্বাস্থ্য খাতের প্রকৃত পথপ্রদর্শক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শহীদ জিয়ার দেখানো পথ অনুসরণ করেই পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৩১ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করেছিলেন।

শহীদ জিয়ার উন্নয়ন দর্শনকে ধারণ করে বর্তমান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সূচনা করেছিলেন, তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ৩১ বা ৫০ শয্যার বিদ্যমান সব হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা এরই মধ্যে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ শুরু করে দিয়েছি।

শহীদ জিয়ার অন্যান্য কালজয়ী কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে শহীদ জিয়া যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, বর্তমান সরকারও পানি ধারণক্ষমতা বাড়াতে তা পুনরায় চালু করেছে।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান শিশুদের বিকাশের জন্য শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং তার সততা ছিল প্রশ্নাতীত।

ড্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ডা. আবুল কেনানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ও সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, সংগঠনটির মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল বক্তব্য দেন।