ঢাকা ০৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুয়াকাটায় ধরা পড়ল বিরল প্রজাতির ‘সিংহ ফিস ও লাইন্ড সার্জন ফিস

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • ১১ Time View
২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : লম্বা কাঁটাযুক্ত পৃষ্ঠীয় পাখনা, পাখার মতো ছড়ানো বক্ষ-পাখনা আর লাল-কমলা ডোরাকাটা দেহ, সবই লায়ন ফিশের বৈশিষ্ট্য। পটুয়াখালীর কলাপাড়ার কুয়াকাটা বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে এবারই প্রথম ধরা পড়ছে বিরল প্রজাতির দুইটি সামুদ্রিক মাছ রঙিলা লায়ম ফিস। যা জেলেদের ভাষায়  ‘বাঘা মাছ’ বা ‘রাওয়া ফিস।

 

 

শরীর জুড়ে লম্বা লম্বা পাখনা ও বিষাক্ত কাঁটা। দেখতে খুব সুন্দর কিন্তু বিপদজনক এই মাছটি ধরা পড়ে  এফবি জাবের নামে একটি ট্রলারের জেলেদের জালে। যা কলাপাড়ার মৎস্য বন্দর আলীপুরে মায়ের দোয়া ফিস এ বিক্রি করা হয় পাঁচ হাজার টাকা কেজি দরে। সাড়ে সাতশ গ্রাম ওজনের মাছ দুটি পড়ে তিন হাজার ৭৫০ টাকায় কিনে নেয় ছগির আকন। যা দেখতে ভীড় করে অন্য জেলেসহ সাধারণ মানুষ।

 

 

শের ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও ওয়ার্ল্ড ফিস’র গবেষক মীর মোহাম্মদ আলী জানান, লায়ন ফিশ বঙ্গোপসাগর তথা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের স্থানীয়  প্রজাতি। এটি “আক্রমণাত্মক বহিরাগত” নয়। আটলান্টিক, ক্যারিবীয় ও ভূমধ্যসাগরে এটি ভয়াবহ আগ্রাসী প্রজাতি হিসেবে কুখ্যাত।  কিন্তু আমাদের জলসীমায় এটি নিজের প্রাকৃতিক আবাসেই আছে।

 

কাজেই কুয়াকাটায় এটি ধরা পড়া “নতুন হুমকি” নয়, বরং কম-দৃশ্যমান একটি স্থানীয় প্রজাতির নথিভুক্ত উপস্থিতি। নিশ্চিত প্রজাতি শনাক্তে ডিএনএ বারকোডিং প্রয়োজন। কুয়াকাটা সৈকত থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে গতকাল এ মাছটি ধরা পড়ে। এরআগে গতকাল জেলেদের জালে ধরা ধরা পড়ে লাইন্ড সার্জন ফিস। হলুদ, নীল কালো রঙের সামন্তরাল ডোরাকাটা এ মাছটি স্থানীয়দের কাছে সুম্দরী মাছ নামে পরিচিত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পোশাক শিল্পে মূল্য সংযোজন বাড়াতে বাংলাদেশে বড় সম্ভাবনা দেখছে দক্ষিণ কোরিয়া

কুয়াকাটায় ধরা পড়ল বিরল প্রজাতির ‘সিংহ ফিস ও লাইন্ড সার্জন ফিস

Update Time : ০১:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : লম্বা কাঁটাযুক্ত পৃষ্ঠীয় পাখনা, পাখার মতো ছড়ানো বক্ষ-পাখনা আর লাল-কমলা ডোরাকাটা দেহ, সবই লায়ন ফিশের বৈশিষ্ট্য। পটুয়াখালীর কলাপাড়ার কুয়াকাটা বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে এবারই প্রথম ধরা পড়ছে বিরল প্রজাতির দুইটি সামুদ্রিক মাছ রঙিলা লায়ম ফিস। যা জেলেদের ভাষায়  ‘বাঘা মাছ’ বা ‘রাওয়া ফিস।

 

 

শরীর জুড়ে লম্বা লম্বা পাখনা ও বিষাক্ত কাঁটা। দেখতে খুব সুন্দর কিন্তু বিপদজনক এই মাছটি ধরা পড়ে  এফবি জাবের নামে একটি ট্রলারের জেলেদের জালে। যা কলাপাড়ার মৎস্য বন্দর আলীপুরে মায়ের দোয়া ফিস এ বিক্রি করা হয় পাঁচ হাজার টাকা কেজি দরে। সাড়ে সাতশ গ্রাম ওজনের মাছ দুটি পড়ে তিন হাজার ৭৫০ টাকায় কিনে নেয় ছগির আকন। যা দেখতে ভীড় করে অন্য জেলেসহ সাধারণ মানুষ।

 

 

শের ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও ওয়ার্ল্ড ফিস’র গবেষক মীর মোহাম্মদ আলী জানান, লায়ন ফিশ বঙ্গোপসাগর তথা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের স্থানীয়  প্রজাতি। এটি “আক্রমণাত্মক বহিরাগত” নয়। আটলান্টিক, ক্যারিবীয় ও ভূমধ্যসাগরে এটি ভয়াবহ আগ্রাসী প্রজাতি হিসেবে কুখ্যাত।  কিন্তু আমাদের জলসীমায় এটি নিজের প্রাকৃতিক আবাসেই আছে।

 

কাজেই কুয়াকাটায় এটি ধরা পড়া “নতুন হুমকি” নয়, বরং কম-দৃশ্যমান একটি স্থানীয় প্রজাতির নথিভুক্ত উপস্থিতি। নিশ্চিত প্রজাতি শনাক্তে ডিএনএ বারকোডিং প্রয়োজন। কুয়াকাটা সৈকত থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে গতকাল এ মাছটি ধরা পড়ে। এরআগে গতকাল জেলেদের জালে ধরা ধরা পড়ে লাইন্ড সার্জন ফিস। হলুদ, নীল কালো রঙের সামন্তরাল ডোরাকাটা এ মাছটি স্থানীয়দের কাছে সুম্দরী মাছ নামে পরিচিত।