ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলাপাড়ায় যুগ্ম দায়রা ও যুগ্ম জেলা জজ আদালত প্রতিষ্ঠায় খুশি উপকূলের মানুষ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৯৩ Time View
৭৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নূতনভাবে একটি যুগ্ম দায়রা আদালত প্রতিষ্ঠা এবং কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার অধিক্ষেত্র প্রয়োগকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালত জেলা সদর থেকে কলাপাড়া উপজেলা সদরে স্থানান্তরে খুশি উপকূলের মানুষ।

 

বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের মহতী উদ্দোগে প্রশংসায় ভাসছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক ও ১১৪, পটুয়াখালী-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন। নিজ নির্বাচনী এলাকার বিচারপ্রার্থী মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে তাঁর এ উদ্দোগ ভোট যুদ্ধে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে জানিয়েছেন সাধারন ভোটার, একাধিক আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী মানুষ।

 

সূত্র জানায়, দেশের দক্ষিনাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলবর্তী যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুর্গম এলাকার মানুষের অপরাধমূলক কাজের বিচারের জন্য ১৯২৫ সালে প্রথম কলোনাইজেশন ম্যাজিষ্ট্রেট চৌকি আদালত স্থাপন করা হয় কলাপাড়ায়। এরপর জমি জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ নিস্পত্তির লক্ষ্যে ১৯৮৪ সালে এ উপজেলায় স্থাপন করা হয় সহকারী জজ আদালত, যা আবার ১৯৯০ সালে জেলা সদরে স্থানান্তর করা হয়। ২০১১ সালের ২৪ এপ্রিল এটি পুন:স্থাপন করা হয় ফের উপজেলা সদরে। বর্তমানে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের ভ্যালুয়েশন উন্নীত করা হয়েছে ২৫ লাখে।

 

সূত্রটি আরও জানায়, এ উপজেলায় মেগা উন্নয়ন প্রকল্পের প্রয়োজনে সরকার হাজার হাজার একর জমি অধিগ্রহন করে। আর অধিগ্রহনের টাকা প্রাপ্তি নিয়ে ওয়ারিশদের মধ্যকার বিরোধ নিস্পত্তির জন্য বছরের পর বছর ৪৭ কি.মি. দূরবর্তী পটুয়াখালী জেলা সদরে যুগ্ম জেলা জজ আদালতের বরান্দায় ঘুরতে হয় তাদের। এতে সর্বশান্ত হয় অনেক পরিবার। এরপর দাবী ওঠে যুগ্ম জেলা জজ আদালত কলাপাড়ায় স্থানান্তরের। একই সাথে ফৌজদারী অপরাধ সম্পর্কিত বিচারের ভোগান্তি লাঘবে উপকূলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল কলাপাড়ায় যুগ্ম দায়রা আদালত প্রতিষ্ঠার।

 

কলাপাড়া চৌকি আদালত আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার নাসির উদ্দিন ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম মিয়া বলেন, এ উপজেলার মানুষের এখন থেকে আর দেওয়ানী মোকদ্দমার নিস্পত্তির জন্য বছরের পর বছর পটুয়াখালী ঘুরতে হবে না। এবং একই সাথে ফৌজদারী অপরাধের বিচার নিশ্চিতে যুগ্ম দায়রা জজ আদালত প্রতিষ্ঠায় ফরিয়াদী গন স্বস্তি ফিরে পেয়েছে।

 

বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমি মানুষের কল্যানের জন্য রাজনীতি করি। এ ছাড়া আমি বিশ্বাস করি এ মাটির কাছে আমার ঋন রয়েছে। তাই নিজ এলাকার বিচারপ্রার্থী মানুষের ভোগান্তি লাঘবে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এভাবেই এলাকার মানুষের সুখে, দু:খে সবসময় পাশে থাকতে চাই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পোশাক শিল্পে মূল্য সংযোজন বাড়াতে বাংলাদেশে বড় সম্ভাবনা দেখছে দক্ষিণ কোরিয়া

কলাপাড়ায় যুগ্ম দায়রা ও যুগ্ম জেলা জজ আদালত প্রতিষ্ঠায় খুশি উপকূলের মানুষ

Update Time : ১২:১৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৭৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নূতনভাবে একটি যুগ্ম দায়রা আদালত প্রতিষ্ঠা এবং কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার অধিক্ষেত্র প্রয়োগকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালত জেলা সদর থেকে কলাপাড়া উপজেলা সদরে স্থানান্তরে খুশি উপকূলের মানুষ।

 

বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের মহতী উদ্দোগে প্রশংসায় ভাসছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক ও ১১৪, পটুয়াখালী-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন। নিজ নির্বাচনী এলাকার বিচারপ্রার্থী মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে তাঁর এ উদ্দোগ ভোট যুদ্ধে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে জানিয়েছেন সাধারন ভোটার, একাধিক আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী মানুষ।

 

সূত্র জানায়, দেশের দক্ষিনাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলবর্তী যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুর্গম এলাকার মানুষের অপরাধমূলক কাজের বিচারের জন্য ১৯২৫ সালে প্রথম কলোনাইজেশন ম্যাজিষ্ট্রেট চৌকি আদালত স্থাপন করা হয় কলাপাড়ায়। এরপর জমি জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ নিস্পত্তির লক্ষ্যে ১৯৮৪ সালে এ উপজেলায় স্থাপন করা হয় সহকারী জজ আদালত, যা আবার ১৯৯০ সালে জেলা সদরে স্থানান্তর করা হয়। ২০১১ সালের ২৪ এপ্রিল এটি পুন:স্থাপন করা হয় ফের উপজেলা সদরে। বর্তমানে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের ভ্যালুয়েশন উন্নীত করা হয়েছে ২৫ লাখে।

 

সূত্রটি আরও জানায়, এ উপজেলায় মেগা উন্নয়ন প্রকল্পের প্রয়োজনে সরকার হাজার হাজার একর জমি অধিগ্রহন করে। আর অধিগ্রহনের টাকা প্রাপ্তি নিয়ে ওয়ারিশদের মধ্যকার বিরোধ নিস্পত্তির জন্য বছরের পর বছর ৪৭ কি.মি. দূরবর্তী পটুয়াখালী জেলা সদরে যুগ্ম জেলা জজ আদালতের বরান্দায় ঘুরতে হয় তাদের। এতে সর্বশান্ত হয় অনেক পরিবার। এরপর দাবী ওঠে যুগ্ম জেলা জজ আদালত কলাপাড়ায় স্থানান্তরের। একই সাথে ফৌজদারী অপরাধ সম্পর্কিত বিচারের ভোগান্তি লাঘবে উপকূলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল কলাপাড়ায় যুগ্ম দায়রা আদালত প্রতিষ্ঠার।

 

কলাপাড়া চৌকি আদালত আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার নাসির উদ্দিন ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম মিয়া বলেন, এ উপজেলার মানুষের এখন থেকে আর দেওয়ানী মোকদ্দমার নিস্পত্তির জন্য বছরের পর বছর পটুয়াখালী ঘুরতে হবে না। এবং একই সাথে ফৌজদারী অপরাধের বিচার নিশ্চিতে যুগ্ম দায়রা জজ আদালত প্রতিষ্ঠায় ফরিয়াদী গন স্বস্তি ফিরে পেয়েছে।

 

বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমি মানুষের কল্যানের জন্য রাজনীতি করি। এ ছাড়া আমি বিশ্বাস করি এ মাটির কাছে আমার ঋন রয়েছে। তাই নিজ এলাকার বিচারপ্রার্থী মানুষের ভোগান্তি লাঘবে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এভাবেই এলাকার মানুষের সুখে, দু:খে সবসময় পাশে থাকতে চাই।