Update Time :
০১:৫৪:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
৩২
Time View
উন্নয়নের সুফল মিলল ১ মাসেই : বাকেরগঞ্জে ভেঙে চুরমার নতুন বাঁধের ঘাট!
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাকেরগঞ্জের তুলাতলি নদীর বাঁধে উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২ লাখ টাকায় নির্মিত ঘাটলা তৈরির এক (১) মাসের মাথায় ভেঙে গেলো। সরে জমিনে দেখা যায়, উপজেলার ১০ নং গারুড়িয়া ইউনিয়নের চর-আউলিয়াপুর তুলাতলি নদীর বাঁধে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২ লাখ টাকায় নির্মিত ঘাটলা তৈরির ১ (এক) মাসের মাথায় ভেঙে গিয়েছে। এই ঘাটলা ব্যবহারের সাথে স্থানীয় জনগণের অভিযোগ ঘাটলাটি তৈরিতে চরম দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে মানসম্মতভাবে নির্মাণে ত্রুটি ছিল। তথ্য সুত্র মতে, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ১০ নং গারুরিয়া ইউনিয়নের চর- আউলিয়ারপুর গ্রামে শামসু হাওলাদার বাড়ির পশ্চিম পাশে তুলাতলি নদীর ভেরীবাঁধে জনসাধারণের সুবিধার্থে একটি ঘাটলা নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ...
৬২
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাকেরগঞ্জের তুলাতলি নদীর বাঁধে উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২ লাখ টাকায় নির্মিত ঘাটলা তৈরির এক (১) মাসের মাথায় ভেঙে গেলো।
সরে জমিনে দেখা যায়, উপজেলার ১০ নং গারুড়িয়া ইউনিয়নের চর-আউলিয়াপুর তুলাতলি নদীর বাঁধে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২ লাখ টাকায় নির্মিত ঘাটলা তৈরির ১ (এক) মাসের মাথায় ভেঙে গিয়েছে।
এই ঘাটলা ব্যবহারের সাথে স্থানীয় জনগণের অভিযোগ ঘাটলাটি তৈরিতে চরম দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে মানসম্মতভাবে নির্মাণে ত্রুটি ছিল।
তথ্য সুত্র মতে, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ১০ নং গারুরিয়া ইউনিয়নের চর- আউলিয়ারপুর গ্রামে শামসু হাওলাদার বাড়ির পশ্চিম পাশে তুলাতলি নদীর ভেরীবাঁধে জনসাধারণের সুবিধার্থে একটি ঘাটলা নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এবং ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা বরাদ্দের এই প্রকল্পের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো: ফারুক হোসেন। গত মাসেই কাজ শেষ হওয়া এই ঘাটলাটি বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে ভেঙে পড়ছে।
দেখা গেছে, ঘাটলার বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল ধরেছে এবং অনেক জায়গার সিমেন্ট-বালু খসে পড়ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণের সময় অত্যন্ত নিম্নমানের ইট, বালু এবং প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করে বিল উত্তোলন করার কারণেই আজ এই দশা।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, “আমরা ভেবেছিলাম নদীর পাড়ে সুন্দর একটা ঘাটলা হবে, আমাদের কষ্ট কমবে। কিন্তু এক মাস না যেতেই যদি এটা ভেঙে যায়, তবে এই ২ লাখ টাকা খরচ করার মানে কী? যারা এই দুর্নীতির সাথে জড়িত তাদের শাস্তি হওয়া উচিত।
প্রকল্পের অনিয়মের বিষয়ে প্রকল্প সভাপতি মো: ফারুক হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে কোনো সন্তোষজনক সদুত্তর পাওয়া যায়নি।