ঢাকা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদকে ঘিরে হিলি বাজারে বাড়ছে মসলার বেচাকেনা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৩৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ৫৪ Time View
৯০

নিজস্ব প্রতিবেদক : পবিত্র ঈদুল আযহাকে (কোরবানি) সামনে রেখে দিনাজপুরের হিলি বন্দর বাজারে জমে উঠতে শুরু করেছে মসলার বেচাকেনা। তবে মসলার দাম অনেকটা কম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে পর্যাপ্ত মসলা আমদানি হওয়ায় গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় সব ধরনের মসলার দাম কমেছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মাঝে।

 

 

শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় হিলির মসলা বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা বাজারে আসতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে এলাচ, জিরা, গোলমরিচ, লবঙ্গসহ বিভিন্ন মসলার চাহিদা বেড়েছে।

 

মসলা বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, গত কোরবানি ঈদে সাদা এলাচ প্রকারভেদে প্রতি কেজি ৫ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকায়। কালো এলাচের দামও কমেছে। আগে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া কালো এলাচ এখন প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। এছাড়া ১ হাজার ৮০০ টাকার লবঙ্গ এখন ১ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গোলমরিচ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকায় এবং জিরার দাম কেজিতে ৬৩০ টাকা থেকে কমে বর্তমানে ৫৬০ টাকায় নেমে এসেছে।

 

জয়পুরহাট থেকে আসা ক্রেতা নাজমুল হক বলেন, হিলি বন্দর দিয়ে ভারত থেকে সব ধরনের মসলা আমদানি হয়। তাই এখানকার বাজারে দাম তুলনামূলক কম পাওয়া যায়। প্রতি কোরবানির ঈদেই আমরা এখান থেকে মসলা কিনে নিয়ে যাই।

 

স্থানীয় ক্রেতা লুৎফর রহমান বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার মসলার দাম অনেকটাই কম। সাদা এলাচ কেজিতে প্রায় এক হাজার টাকা কমে পাওয়া যাচ্ছে। জিরার দামও কমেছে। এতে আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতারা উপকৃত হচ্ছি।

 

হিলি বিসমিল্লাহ মসলা ঘরের মালিক শাওন আহমেদ জানান, ভারত থেকে নিয়মিত মসলা আমদানি হওয়ায় বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রেতারা বাজারে আসছেন। বর্তমানে বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা সংস্কার, দান-অনুদানে প্রশংসায় ভাসছে যুবনেতা আতিক ওসমানী 

ঈদকে ঘিরে হিলি বাজারে বাড়ছে মসলার বেচাকেনা

Update Time : ০৬:৩৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
৯০

নিজস্ব প্রতিবেদক : পবিত্র ঈদুল আযহাকে (কোরবানি) সামনে রেখে দিনাজপুরের হিলি বন্দর বাজারে জমে উঠতে শুরু করেছে মসলার বেচাকেনা। তবে মসলার দাম অনেকটা কম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে পর্যাপ্ত মসলা আমদানি হওয়ায় গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় সব ধরনের মসলার দাম কমেছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মাঝে।

 

 

শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় হিলির মসলা বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা বাজারে আসতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে এলাচ, জিরা, গোলমরিচ, লবঙ্গসহ বিভিন্ন মসলার চাহিদা বেড়েছে।

 

মসলা বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, গত কোরবানি ঈদে সাদা এলাচ প্রকারভেদে প্রতি কেজি ৫ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকায়। কালো এলাচের দামও কমেছে। আগে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া কালো এলাচ এখন প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। এছাড়া ১ হাজার ৮০০ টাকার লবঙ্গ এখন ১ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গোলমরিচ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকায় এবং জিরার দাম কেজিতে ৬৩০ টাকা থেকে কমে বর্তমানে ৫৬০ টাকায় নেমে এসেছে।

 

জয়পুরহাট থেকে আসা ক্রেতা নাজমুল হক বলেন, হিলি বন্দর দিয়ে ভারত থেকে সব ধরনের মসলা আমদানি হয়। তাই এখানকার বাজারে দাম তুলনামূলক কম পাওয়া যায়। প্রতি কোরবানির ঈদেই আমরা এখান থেকে মসলা কিনে নিয়ে যাই।

 

স্থানীয় ক্রেতা লুৎফর রহমান বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার মসলার দাম অনেকটাই কম। সাদা এলাচ কেজিতে প্রায় এক হাজার টাকা কমে পাওয়া যাচ্ছে। জিরার দামও কমেছে। এতে আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতারা উপকৃত হচ্ছি।

 

হিলি বিসমিল্লাহ মসলা ঘরের মালিক শাওন আহমেদ জানান, ভারত থেকে নিয়মিত মসলা আমদানি হওয়ায় বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রেতারা বাজারে আসছেন। বর্তমানে বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।