ঢাকা ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাত্র ৫ টাকার জন্য খুন, ৮ বছর পর মৃত্যুদণ্ড

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:২০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮১ Time View
১৮৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর ইন্দিরা রোডে মাত্র ৫ টাকার জন্য এক কেয়ারটেকারকে হত্যার ঘটনায় ৮ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। মামলার একমাত্র আসামি মো. কাজলকে মৃত্যুদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকার ১১তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি কাজলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সাজা পরোয়ানা জারি করে তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়। কাজল নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার জারিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার নথি অনুযায়ী, কুমিল্লার হোমনা উপজেলার দরিচর গ্রামের জুলহাস মিয়া প্রায় ৩০ বছর ধরে ঢাকার ইন্দিরা রোডের একটি বাসায় কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

২০১৮ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় একটি সিমেন্টের দোকানের সামনে জুলহাস মিয়ার কাছে ৫ টাকা চান কাজল। টাকা দিতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় জুলহাস মিয়াকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল -এ নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার দিনই নিহতের ছেলে শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ কাজলকে গ্রেপ্তার করে এবং আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৯ জুন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বিচার চলাকালে ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সবশেষে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

মাত্র ৫ টাকার জন্য খুন, ৮ বছর পর মৃত্যুদণ্ড

Update Time : ০৬:২০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
১৮৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর ইন্দিরা রোডে মাত্র ৫ টাকার জন্য এক কেয়ারটেকারকে হত্যার ঘটনায় ৮ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। মামলার একমাত্র আসামি মো. কাজলকে মৃত্যুদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকার ১১তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি কাজলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সাজা পরোয়ানা জারি করে তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়। কাজল নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার জারিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার নথি অনুযায়ী, কুমিল্লার হোমনা উপজেলার দরিচর গ্রামের জুলহাস মিয়া প্রায় ৩০ বছর ধরে ঢাকার ইন্দিরা রোডের একটি বাসায় কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

২০১৮ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় একটি সিমেন্টের দোকানের সামনে জুলহাস মিয়ার কাছে ৫ টাকা চান কাজল। টাকা দিতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় জুলহাস মিয়াকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল -এ নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার দিনই নিহতের ছেলে শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ কাজলকে গ্রেপ্তার করে এবং আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৯ জুন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বিচার চলাকালে ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সবশেষে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।