ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলাপাড়ায় হত্যার আসামিরা জামিনে মুক্ত, প্রাণনাশের হুমকিতে নিরাপত্তাহীন পরিবার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৭ Time View
১০৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেরদৌস মুন্সী হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামী ইসরাফিল মুন্সী ও রুবেল জামিনে বের হয়ে আবার হত্যার হুমকি দিচ্ছে।  এতে নিহত ফেরদৌসের পাঁচ বোন ও দুই ভাই চরম আতংকে রয়েছে।

 

বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তাদের এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন নিহতের বোন মামলার বাদী হাওয়া বেগম ও মানসুরা বেগম।

 

গত ৮:জানুয়ারি কলাপাড়ার পশ্চিম  মধুখালী সেতু সংলগ্ন খালের তীর থেকে মাটি চাপা দেয়া ফেরদৌস মুন্সীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।  ঘটনার দুই দিন আগে নিখোঁজ হয় সে। সংবাদ সম্মেলনে তার দুই বোন হাওয়া বেগম ও মানসুরা বেগম বলেন তাদের আপন বড় ভাই ফোরকান মুন্সী তাদের পৈত্রিক জমি দখল করতে তার ভাইকে ভাড়াটে লোক দিয়ে এ হত্যাকান্ড ঘটায়।

 

এ ঘটনায় ফোরকান মুন্সী, ইসরাফিল,  রুবেল, ইউসুফ ফকির ও ফোরকান মুন্সীকে পুলিশ গ্রেফতার করে।  কিন্তু ইসরাফিল ও রুবেল জামিনে বের হয়ে নিহত  ফেরদৌস মুন্সীর ভাই ও বোনদের পরিবারকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে।  তাই ভাই হত্যায় জামিনে বের হওয়া আসামীদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন প্রশাসনের কাছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা সংস্কার, দান-অনুদানে প্রশংসায় ভাসছে যুবনেতা আতিক ওসমানী 

কলাপাড়ায় হত্যার আসামিরা জামিনে মুক্ত, প্রাণনাশের হুমকিতে নিরাপত্তাহীন পরিবার

Update Time : ০৪:০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
১০৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেরদৌস মুন্সী হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামী ইসরাফিল মুন্সী ও রুবেল জামিনে বের হয়ে আবার হত্যার হুমকি দিচ্ছে।  এতে নিহত ফেরদৌসের পাঁচ বোন ও দুই ভাই চরম আতংকে রয়েছে।

 

বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তাদের এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন নিহতের বোন মামলার বাদী হাওয়া বেগম ও মানসুরা বেগম।

 

গত ৮:জানুয়ারি কলাপাড়ার পশ্চিম  মধুখালী সেতু সংলগ্ন খালের তীর থেকে মাটি চাপা দেয়া ফেরদৌস মুন্সীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।  ঘটনার দুই দিন আগে নিখোঁজ হয় সে। সংবাদ সম্মেলনে তার দুই বোন হাওয়া বেগম ও মানসুরা বেগম বলেন তাদের আপন বড় ভাই ফোরকান মুন্সী তাদের পৈত্রিক জমি দখল করতে তার ভাইকে ভাড়াটে লোক দিয়ে এ হত্যাকান্ড ঘটায়।

 

এ ঘটনায় ফোরকান মুন্সী, ইসরাফিল,  রুবেল, ইউসুফ ফকির ও ফোরকান মুন্সীকে পুলিশ গ্রেফতার করে।  কিন্তু ইসরাফিল ও রুবেল জামিনে বের হয়ে নিহত  ফেরদৌস মুন্সীর ভাই ও বোনদের পরিবারকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে।  তাই ভাই হত্যায় জামিনে বের হওয়া আসামীদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন প্রশাসনের কাছে।