ঢাকা ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এবার মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হতে যাচ্ছেন বরিশালের দুই রত্ন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২২ Time View
১৭৯
সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি :  বরিশাল–৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের জন্য রাজনীতিতে সৃষ্টি হয়েছে নতুন সম্ভাবনার বার্তা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর প্রস্তাবিত মন্ত্রীসভায় এই আসন থেকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।
দলীয় একাধিক সূত্র জানায়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান মন্ত্রীসভায় স্থান পেতে পারেন। তিনি সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী এবং বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান। তাঁর পিতা ছিলেন জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার—যা এই পরিবারটির রাজনৈতিক ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
এদিকে জাতীয় সংসদের স্পিকার পদে আলোচনায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সদ্য নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। তিনি বরিশাল–৩ আসনের মুলাদী উপজেলার সন্তান। দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী মহলে একজন পরিচিত ও আস্থাভাজন মুখ হিসেবে পরিচিত।
সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী মঙ্গলবার বেগম সেলিমা রহমান মন্ত্রী এবং অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে শপথ নিতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।
দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দুই অভিজ্ঞ ও প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা যদি মন্ত্রীসভা ও মহান জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে মনোনীত হন, তবে দক্ষিণাঞ্চল বিশেষ করে বরিশাল অঞ্চলের উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিক্ষা ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ইসরত হোসেন কচি তালুকদার বলেন, বেগম সেলিমা রহমান ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন—এই দুইজনই পরীক্ষিত, অভিজ্ঞ ও জনবান্ধব নেতা। তারা যদি মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পান, তাহলে বাবুগঞ্জ–মুলাদীসহ পুরো দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের পথ আরও সুগম হবে বলে আমরা আশাবাদী।
তিনি আরও বলেন, দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এখন উন্নয়ন ও স্থিতিশীল রাজনীতি—আর এই নেতৃত্ব সেই প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম।
রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সকলের দৃষ্টি মঙ্গলবারের সম্ভাব্য শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

এবার মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হতে যাচ্ছেন বরিশালের দুই রত্ন

Update Time : ১২:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১৭৯
সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি :  বরিশাল–৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের জন্য রাজনীতিতে সৃষ্টি হয়েছে নতুন সম্ভাবনার বার্তা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর প্রস্তাবিত মন্ত্রীসভায় এই আসন থেকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।
দলীয় একাধিক সূত্র জানায়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান মন্ত্রীসভায় স্থান পেতে পারেন। তিনি সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী এবং বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান। তাঁর পিতা ছিলেন জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার—যা এই পরিবারটির রাজনৈতিক ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
এদিকে জাতীয় সংসদের স্পিকার পদে আলোচনায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সদ্য নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। তিনি বরিশাল–৩ আসনের মুলাদী উপজেলার সন্তান। দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী মহলে একজন পরিচিত ও আস্থাভাজন মুখ হিসেবে পরিচিত।
সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী মঙ্গলবার বেগম সেলিমা রহমান মন্ত্রী এবং অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে শপথ নিতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।
দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দুই অভিজ্ঞ ও প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা যদি মন্ত্রীসভা ও মহান জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে মনোনীত হন, তবে দক্ষিণাঞ্চল বিশেষ করে বরিশাল অঞ্চলের উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিক্ষা ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ইসরত হোসেন কচি তালুকদার বলেন, বেগম সেলিমা রহমান ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন—এই দুইজনই পরীক্ষিত, অভিজ্ঞ ও জনবান্ধব নেতা। তারা যদি মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পান, তাহলে বাবুগঞ্জ–মুলাদীসহ পুরো দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের পথ আরও সুগম হবে বলে আমরা আশাবাদী।
তিনি আরও বলেন, দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এখন উন্নয়ন ও স্থিতিশীল রাজনীতি—আর এই নেতৃত্ব সেই প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম।
রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সকলের দৃষ্টি মঙ্গলবারের সম্ভাব্য শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে।