ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নদীগর্ভে স্কুল-মসজিদ ও বাজার: ভাঙন আতঙ্কে কাউখালীর আশোয়াবাসী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭৪ Time View
১২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার আমরাজুরী ইউনিয়নের আশোয়া গ্রামটি এখন ভয়াবহ নদীভাঙনের কবলে পড়ে বিলুপ্তির পথে।

 

গ্রামের এক পাশে সন্ধ্যা নদী এবং অন্য পাশে গাবখান নদী হওয়ায় দুই দিক থেকেই ভাঙনের চাপ বাড়ছে। এতে করে ইতোমধ্যে গ্রামের শত-শত বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সরকারি আবাসন সহ বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশোয়া ফেরিঘাট এলাকাতেও ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। নদীর পাড় ধসে পড়ে ৫০টি দোকানপাট, বাজার, মসজিদ, স্কুল নদীতে চলে গেছে। প্রতিনিয়ত ভাঙনের কারণে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এলাকাবাসী।

 

আশোয়া গ্রামের বাসিন্দা রুহুল আমিন জানান, প্রতিদিনই নদী একটু একটু করে আমাদের গ্রামটাকে গিলে খাচ্ছে। গ্রামের অনেক পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে পথে বসেছে। এখনই যদি স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধ করা না হয়, তাহলে পুরো গ্রামটি মানচিত্র থেকে মুছে যাবে।

 

আশোয়া গ্রামের বাসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের নারী ইউপি সদস্য আকলিমা বেগম বলেন, “আমাদের শেষ সম্বলটুকুও নদীতে চলে যাচ্ছে। দ্রুত টেকসই ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আমরা কোথায় যাবো জানি না।

 

এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, আশোয়া গ্রামের ভাঙন পরিস্থিতি আমরা গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করছি। স্থায়ী সমাধানের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভাঙনরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। তবে স্থায়ী বাঁধ বা টেকসই প্রকল্প গ্রহণের জন্য প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

নদীগর্ভে স্কুল-মসজিদ ও বাজার: ভাঙন আতঙ্কে কাউখালীর আশোয়াবাসী

Update Time : ০৪:০৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
১২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার আমরাজুরী ইউনিয়নের আশোয়া গ্রামটি এখন ভয়াবহ নদীভাঙনের কবলে পড়ে বিলুপ্তির পথে।

 

গ্রামের এক পাশে সন্ধ্যা নদী এবং অন্য পাশে গাবখান নদী হওয়ায় দুই দিক থেকেই ভাঙনের চাপ বাড়ছে। এতে করে ইতোমধ্যে গ্রামের শত-শত বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সরকারি আবাসন সহ বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশোয়া ফেরিঘাট এলাকাতেও ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। নদীর পাড় ধসে পড়ে ৫০টি দোকানপাট, বাজার, মসজিদ, স্কুল নদীতে চলে গেছে। প্রতিনিয়ত ভাঙনের কারণে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এলাকাবাসী।

 

আশোয়া গ্রামের বাসিন্দা রুহুল আমিন জানান, প্রতিদিনই নদী একটু একটু করে আমাদের গ্রামটাকে গিলে খাচ্ছে। গ্রামের অনেক পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে পথে বসেছে। এখনই যদি স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধ করা না হয়, তাহলে পুরো গ্রামটি মানচিত্র থেকে মুছে যাবে।

 

আশোয়া গ্রামের বাসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের নারী ইউপি সদস্য আকলিমা বেগম বলেন, “আমাদের শেষ সম্বলটুকুও নদীতে চলে যাচ্ছে। দ্রুত টেকসই ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আমরা কোথায় যাবো জানি না।

 

এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, আশোয়া গ্রামের ভাঙন পরিস্থিতি আমরা গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করছি। স্থায়ী সমাধানের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভাঙনরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। তবে স্থায়ী বাঁধ বা টেকসই প্রকল্প গ্রহণের জন্য প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।