
নিজস্ব প্রতিবেদক : সড়ক দুর্ঘটনায় সহপাঠী গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষার্থী ও তেলবাহী লরি মালিকপক্ষের মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এতে সড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকে পড়ে এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন দপদপিয়া সেতু এলাকায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নাহিদুল ইসলাম তামিম একটি তেলবাহী ট্যাংক লরির সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
দুর্ঘটনার পর দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষার্থীরা সড়কে নামেন। তারা পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন, দুর্ঘটনায় জড়িত চালককে গ্রেপ্তার, মহাসড়কে স্থায়ী ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন এবং আহত শিক্ষার্থীর ক্ষতিপূরণসহ চার দফা দাবি জানান।
বিকেলে উপাচার্যের কার্যালয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, লরি মালিকপক্ষ ও শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৈঠকে আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ও মোটরসাইকেল মেরামতের জন্য ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
সমঝোতার পর বিকেল ৪টার দিকে শিক্ষার্থীরা সড়ক ছেড়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
Reporter Name 
























