ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি সংকটে জাল গুটিয়েছেন জেলেরা : দিন কাটছে খেয়ে না-খেয়ে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৫ Time View
৯৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : মানিকগঞ্জের শিবালয়ে চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল না পেয়ে ট্রলারযোগে পদ্মা-যমুনা নদীতে ঠিকমতো মাছ ধরতে পারছেনা জেলেরা। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটছে তাদের।

 

মাঝে-মধ্যেই একদম তেল শূন্য হয়ে পড়ছে ফিলিং স্টেশনগুলো। আরিচা ঘাটের আরিবল ফিলিং স্টেশন ২২দিন ধরে অকটেন, ৪ দিন ধরে পেট্রোল শূন্য হয়ে বন্ধ রয়েছে। যে ডিজেল আছে তা শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। কিছু স্টেশনে বিক্রি হলেও চাহিদা অনুপাতে সরবরাহ না থাকায় মানুষের ভোগান্তি লেগেই আছে। ডিজেল সংকটের কারণে পদ্মা-যমুনায় ঠিকমতো মাছ ধরতে পারছেনা জেলেরা।

উথুলী মোড়ে সারমানো ফিলিং ষ্টেশনের ম্যানেজার মো. দাউদ হায়দার বলেন, গত বৃহস্পতিবার থেকে থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত তার পাম্পে অকটেন ও ডিজেলসহ কোন জ্বালানি না থাকায় পাম্প বন্ধ করে রাখা হয়েছে। গ্রাহকরা তেল নিতে এসে ঘুরে যাচ্ছে।

 

আরিচা ঘাটে অবস্থিত অনেক পুরানো তেলের পাম্প আরিবল ফিলিং ষ্টেশনের মালিক আকতার হোসেন আনন্দ বলেন, আমার পাম্পে ২২ ধরে অকটেন, ৪ দিন ধরে পেট্রোল নাই। অল্প কিছু ডিজেল আছে তাও আজ শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। আবার কবে পাবো তা বলতে পারছি না। গ্রাহকরা এসে তেল না পেয়ে ঘুরে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় ব্যাবসা ঠিক রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

 

 

পদ্মা-যমুনার তীরবর্তী পাটুরিয়া, দাশকান্দি অন্বয়পুর, ঝড়িয়ারবাগ আরিচা, তেওতা, আলোকদিয়া ও জাফরগঞ্জ এলাকার জেলেরা জানান, ইঞ্জিন চালিত নৌকা ও ট্রলার চালাতে তারা চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল না পেয়ে নদীতে গিয়ে ঠিকমতো মাছ ধরতে পারছে না। ফলে অধিকাংশ জেলে এখন একদিন মাছ ধরে আর দু’দিন বাধ্য হয়ে ঘরে বসে থাকছে। এতে একদিকে বাজারে মাছের অভাব দেখা দিয়েছে অপরদিকে এসব জেলেরা পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করছেন।

 

নদী পাড়ের বাজারগুলোতে যেসব খুচরা ডিজেল বিক্রেতা রয়েছেন তাদের কাছেও ডিজেল থাকে না। দু/এক দোকানে থাকলেও দাম নিচ্ছে বেশী। ১শ’ টাকা লিটারের ডিজেলের দাম নিচ্ছে ১২০/১৩০ টাকা করে। কোথাও কোথাও ১৫০/১৮০ টাকা করেও দাম নিচ্ছে।

 

যমুনায় মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত একাধিক জেলেরা জানান, আগে তারা ৭/৮ ঘণ্টা নদীতে মাছ ধরেছে। কিন্তু এখন জ্বালানি সংকটের কারণে তারা ২/৩ ঘণ্টার বেশি মাছ ধরতে পারছে না। এমনকি তারা এখন ইচ্ছে করলে অনেক দুরেও যেতে পারছে না। দোকানে তেল আনতে গেলে তাদেরকে সর্বোচ্চ ২/৩ লিটার তেল দিচ্ছে। এতটুক তেলে তো আর মাছ ধরা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন মাছ ধরে যে টাকা আয় হয়, সেই টাকায় বাজার-সদাই করে বাড়িতে নিয়ে যায়। কিন্তু এখন মাছ ধরতে না পারায় সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে জেলেদেরকে।

 

মাছ শিকারী আজগর আলী বলেন, তেলের খুবই সংকট চলছে। যে কারণে ঠিকমতো মাছ ধরতে পারছি না। দিনপাত অনেক কষ্টে কাটছে। তেল যাওবা পাওয়া যায় দাম নেয় বেশী। আমার প্রতিদিন ৫ লিটার করে তেল লাগে। যাদের নৌকা বড় তাদের আরো আরো বেশী তেল লাগে। আগে ১ লিটার তেল কিনতাম ১০০ টাকা দিয়ে। আর এখন কিনতে হচ্ছে ১২০ টাকা থেকে শুরু করে ১৮০ টাকা দিয়েও কিনতে হচ্ছে। একেক যায়গায় একেক রকম দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে তেল।

 

আরেক মাছ শিকারি উজ্জ¦ল শেখ বলেন, আমি যমুনা নদীতে মাছ ধরি। যেখানে আমার প্রতিদিন ১০ লিটার করে তেল লাগে। সেখানে আমি তেল পাচ্ছি ৩ লিটার। তাও আবার অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে। ১শ টাকা লিটার তেলের দাম নিচ্ছে ১২০/১৩০ টাকা করে। এভাবে আমরাতো আর বাঁচতেছিনা, আমাদের অবস্থা খুব খারাপ।

 

মৎস্য শিকারী বাবুল হোসেন বলেন, আমরা নদীতে মাছ ধরি। তেল সংকটের কারণে মাঝে মধ্যে নদীতে যেতে পারছিনা আমরা। তেল পেলেও দাম বেশী নিচ্ছে। ১শ’ টাকার জায়গায় ১২০/১৩০ টাকা করে তেলের দাম নিচ্ছে। এমতাবস্থায় পরিবার-পরিজন নিয়ে খুব কষ্টে আছি আমরা।

 

শনিবার উপজেলার পাম্প মালিক ও ম্যানেজারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার এবং আজ শনিবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ডিজেল, পেট্রোল, অকটেনের সরবরাহ না থাকায় বাধ্য হয়ে ফিলিং স্টেশনগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে।

 

এদিকে কেউ যেন তেল মজুত করতে না পারে সেজন্য খোলা বাজারে খুচরা তেল বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে প্রশাসনের। তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে কোনো কোনো ফিলিং স্টেশন কৃষক ও জেলেদেরকে সামান্য পরিমাণে তেল দিচ্ছেন। আর যেসব খুচরা বিক্রেতাদের কাছে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে তারা অনেকেই লিটারে ৩০ থেকে ৫০ টাকা করে বেশি নিচ্ছেন। বাধ্য হয়ে জেলেদের কেউ কেউ অতিরিক্ত দামে স্বল্প পরিমাণে তেল কিনে মাছ ধরতে যাচ্ছে না।

 

শিবালয় মাছের আড়তের সাবেক সভাপতি হাজী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মানিকগঞ্জ জেলার পদ্মা-যমুনা নদী দ্বারা বেষ্টিত শিবালয়, দৌলতপুর ও হরিরামপুর এ তিনটি উপজেলার প্রায় ৭ হাজার জেলে আছে পদ্মা-যমুনা নদীতে মাছ ধরেন। যার মধ্যে প্রায় ৫ হাজার জেলে নৌকা দিয়ে নদীতে নিয়মিত মাছ ধরতে যায়। এসব নৌকার জেলেরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছে না। তারা জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় আগের তুলনায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ডিজেল কম পাচ্ছে বলে তিনি জানান।

 

মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা বলেন, যারা জেলে রয়েছেন, তারা জেলে কার্ড নিয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার বা মৎস্য অফিসারের প্রত্যায়ন পত্র নিয়ে পাম্প থেকে তেল নিতে হবে। তাছাড়াতো পাম্পগুলো তেল দিবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা সংস্কার, দান-অনুদানে প্রশংসায় ভাসছে যুবনেতা আতিক ওসমানী 

জ্বালানি সংকটে জাল গুটিয়েছেন জেলেরা : দিন কাটছে খেয়ে না-খেয়ে

Update Time : ০১:৪৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
৯৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : মানিকগঞ্জের শিবালয়ে চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল না পেয়ে ট্রলারযোগে পদ্মা-যমুনা নদীতে ঠিকমতো মাছ ধরতে পারছেনা জেলেরা। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটছে তাদের।

 

মাঝে-মধ্যেই একদম তেল শূন্য হয়ে পড়ছে ফিলিং স্টেশনগুলো। আরিচা ঘাটের আরিবল ফিলিং স্টেশন ২২দিন ধরে অকটেন, ৪ দিন ধরে পেট্রোল শূন্য হয়ে বন্ধ রয়েছে। যে ডিজেল আছে তা শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। কিছু স্টেশনে বিক্রি হলেও চাহিদা অনুপাতে সরবরাহ না থাকায় মানুষের ভোগান্তি লেগেই আছে। ডিজেল সংকটের কারণে পদ্মা-যমুনায় ঠিকমতো মাছ ধরতে পারছেনা জেলেরা।

উথুলী মোড়ে সারমানো ফিলিং ষ্টেশনের ম্যানেজার মো. দাউদ হায়দার বলেন, গত বৃহস্পতিবার থেকে থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত তার পাম্পে অকটেন ও ডিজেলসহ কোন জ্বালানি না থাকায় পাম্প বন্ধ করে রাখা হয়েছে। গ্রাহকরা তেল নিতে এসে ঘুরে যাচ্ছে।

 

আরিচা ঘাটে অবস্থিত অনেক পুরানো তেলের পাম্প আরিবল ফিলিং ষ্টেশনের মালিক আকতার হোসেন আনন্দ বলেন, আমার পাম্পে ২২ ধরে অকটেন, ৪ দিন ধরে পেট্রোল নাই। অল্প কিছু ডিজেল আছে তাও আজ শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। আবার কবে পাবো তা বলতে পারছি না। গ্রাহকরা এসে তেল না পেয়ে ঘুরে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় ব্যাবসা ঠিক রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

 

 

পদ্মা-যমুনার তীরবর্তী পাটুরিয়া, দাশকান্দি অন্বয়পুর, ঝড়িয়ারবাগ আরিচা, তেওতা, আলোকদিয়া ও জাফরগঞ্জ এলাকার জেলেরা জানান, ইঞ্জিন চালিত নৌকা ও ট্রলার চালাতে তারা চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল না পেয়ে নদীতে গিয়ে ঠিকমতো মাছ ধরতে পারছে না। ফলে অধিকাংশ জেলে এখন একদিন মাছ ধরে আর দু’দিন বাধ্য হয়ে ঘরে বসে থাকছে। এতে একদিকে বাজারে মাছের অভাব দেখা দিয়েছে অপরদিকে এসব জেলেরা পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করছেন।

 

নদী পাড়ের বাজারগুলোতে যেসব খুচরা ডিজেল বিক্রেতা রয়েছেন তাদের কাছেও ডিজেল থাকে না। দু/এক দোকানে থাকলেও দাম নিচ্ছে বেশী। ১শ’ টাকা লিটারের ডিজেলের দাম নিচ্ছে ১২০/১৩০ টাকা করে। কোথাও কোথাও ১৫০/১৮০ টাকা করেও দাম নিচ্ছে।

 

যমুনায় মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত একাধিক জেলেরা জানান, আগে তারা ৭/৮ ঘণ্টা নদীতে মাছ ধরেছে। কিন্তু এখন জ্বালানি সংকটের কারণে তারা ২/৩ ঘণ্টার বেশি মাছ ধরতে পারছে না। এমনকি তারা এখন ইচ্ছে করলে অনেক দুরেও যেতে পারছে না। দোকানে তেল আনতে গেলে তাদেরকে সর্বোচ্চ ২/৩ লিটার তেল দিচ্ছে। এতটুক তেলে তো আর মাছ ধরা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন মাছ ধরে যে টাকা আয় হয়, সেই টাকায় বাজার-সদাই করে বাড়িতে নিয়ে যায়। কিন্তু এখন মাছ ধরতে না পারায় সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে জেলেদেরকে।

 

মাছ শিকারী আজগর আলী বলেন, তেলের খুবই সংকট চলছে। যে কারণে ঠিকমতো মাছ ধরতে পারছি না। দিনপাত অনেক কষ্টে কাটছে। তেল যাওবা পাওয়া যায় দাম নেয় বেশী। আমার প্রতিদিন ৫ লিটার করে তেল লাগে। যাদের নৌকা বড় তাদের আরো আরো বেশী তেল লাগে। আগে ১ লিটার তেল কিনতাম ১০০ টাকা দিয়ে। আর এখন কিনতে হচ্ছে ১২০ টাকা থেকে শুরু করে ১৮০ টাকা দিয়েও কিনতে হচ্ছে। একেক যায়গায় একেক রকম দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে তেল।

 

আরেক মাছ শিকারি উজ্জ¦ল শেখ বলেন, আমি যমুনা নদীতে মাছ ধরি। যেখানে আমার প্রতিদিন ১০ লিটার করে তেল লাগে। সেখানে আমি তেল পাচ্ছি ৩ লিটার। তাও আবার অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে। ১শ টাকা লিটার তেলের দাম নিচ্ছে ১২০/১৩০ টাকা করে। এভাবে আমরাতো আর বাঁচতেছিনা, আমাদের অবস্থা খুব খারাপ।

 

মৎস্য শিকারী বাবুল হোসেন বলেন, আমরা নদীতে মাছ ধরি। তেল সংকটের কারণে মাঝে মধ্যে নদীতে যেতে পারছিনা আমরা। তেল পেলেও দাম বেশী নিচ্ছে। ১শ’ টাকার জায়গায় ১২০/১৩০ টাকা করে তেলের দাম নিচ্ছে। এমতাবস্থায় পরিবার-পরিজন নিয়ে খুব কষ্টে আছি আমরা।

 

শনিবার উপজেলার পাম্প মালিক ও ম্যানেজারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার এবং আজ শনিবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ডিজেল, পেট্রোল, অকটেনের সরবরাহ না থাকায় বাধ্য হয়ে ফিলিং স্টেশনগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে।

 

এদিকে কেউ যেন তেল মজুত করতে না পারে সেজন্য খোলা বাজারে খুচরা তেল বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে প্রশাসনের। তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে কোনো কোনো ফিলিং স্টেশন কৃষক ও জেলেদেরকে সামান্য পরিমাণে তেল দিচ্ছেন। আর যেসব খুচরা বিক্রেতাদের কাছে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে তারা অনেকেই লিটারে ৩০ থেকে ৫০ টাকা করে বেশি নিচ্ছেন। বাধ্য হয়ে জেলেদের কেউ কেউ অতিরিক্ত দামে স্বল্প পরিমাণে তেল কিনে মাছ ধরতে যাচ্ছে না।

 

শিবালয় মাছের আড়তের সাবেক সভাপতি হাজী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মানিকগঞ্জ জেলার পদ্মা-যমুনা নদী দ্বারা বেষ্টিত শিবালয়, দৌলতপুর ও হরিরামপুর এ তিনটি উপজেলার প্রায় ৭ হাজার জেলে আছে পদ্মা-যমুনা নদীতে মাছ ধরেন। যার মধ্যে প্রায় ৫ হাজার জেলে নৌকা দিয়ে নদীতে নিয়মিত মাছ ধরতে যায়। এসব নৌকার জেলেরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছে না। তারা জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় আগের তুলনায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ডিজেল কম পাচ্ছে বলে তিনি জানান।

 

মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা বলেন, যারা জেলে রয়েছেন, তারা জেলে কার্ড নিয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার বা মৎস্য অফিসারের প্রত্যায়ন পত্র নিয়ে পাম্প থেকে তেল নিতে হবে। তাছাড়াতো পাম্পগুলো তেল দিবে না।