Update Time :
০১:২৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
৫৩
Time View
যৌথ অভিযানে ৩১ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোর রাতে বিশেষ প্রযুক্তির সহায়তায় হ্নীলা ইউনিয়নের নাফ নদীসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় বিজিবি। এ সময় ৮ লাখ ৫৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই দিনে রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) খুনিয়াপালং ইউনিয়নের তুলাবাগান এলাকা থেকে আরো ২ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করে। ওই দিন বিকেলে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এ সময় উপ-অধিনায়ক...
৯৯
নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোর রাতে বিশেষ প্রযুক্তির সহায়তায় হ্নীলা ইউনিয়নের নাফ নদীসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় বিজিবি। এ সময় ৮ লাখ ৫৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
একই দিনে রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) খুনিয়াপালং ইউনিয়নের তুলাবাগান এলাকা থেকে আরো ২ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করে।
ওই দিন বিকেলে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এ সময় উপ-অধিনায়ক ইশতিয়াক আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
কর্নেল জহিরুল ইসলাম জানান, রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে একটি চোরাকারবারি দল নাফ নদী পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হ্নীলা বিওপির একটি টহল দল ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়।
টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে মায়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।
পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ১৩টি পোটলার ভেতর জলরোধী প্যাকেটে মোড়ানো বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়েও কাউকে আটক করা যায়নি বলে জানিয়েছে বিজিবি। পলায়নরতদের ধরতে এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, এ দিনের অভিযানে রামু সেক্টরের আওতায় মোট ১০ লাখ ৫৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩১ কোটি ৭৮ লাখ ২০ হাজার টাকা।
সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক চোরাচালান রোধে সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।