ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সদরঘাটে বরিশালগামী যাত্রীর চাপ কম, লঞ্চের কেবিনও ফাঁকা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৪২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • ১১৫ Time View
১৮২

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঘরমুখো মানুষের কয়েকদিনের উপচেপড়া ভিড়ের পর রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে এখন কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। যাত্রীচাপ সেভাবে নেই বললেই চলে। এখনো যারা পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে বাড়ি যাচ্ছেন, তারা সহজেই লঞ্চের টিকিট পাচ্ছেন।

 

শেষ মুহূর্তে পারাবত-১৮, সুন্দরবন-১৬-সহ চারটি লঞ্চ বরিশাল যাওয়ার অপেক্ষায় থাকলেও অন্যদিনের তুলনায় যাত্রীচাপ একেবারেই কম। অনেক কেবিনও ফাঁকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে ঢাকা-বরিশাল রুটের পারাবত-১৮ লঞ্চের মাস্টার (চালক) খোরশেদ আলম  বলেন, সাড়ে ৯টার মধ্যে আমাদের লঞ্চ ছাড়বে। শেষ সময়ে যাত্রীরা যেন বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করতে পারেন, সেই চেষ্টা করছি।

 

লঞ্চে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের মধ্যেও স্বস্তির ছাপ দেখা গেছে। বরিশালগামী যাত্রী মো. রাসেল বলেন, গত দুই দিন যে ভিড় দেখেছি, আজ তার কিছুই নেই। খুব সহজেই টিকিট পেয়েছি, লঞ্চেও ভিড় কম, যাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে মনে হচ্ছে।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানভীর হাসান বলেন, শেষ দিনে আসার কারণে হয়তো ভিড় কম পেয়েছি। তাড়াহুড়া ছাড়াই উঠতে পেরেছি, এটা বড় সুবিধা। নির্ধারিত ভাড়াই নেওয়া হবে জানিয়েছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।

 

এদিকে দুপুরে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সদরঘাটসহ বসিলা, শিমুলিয়া, পাটুরিয়া ও ফেনীঘাট এলাকায় যাত্রীচাপ এখন আগের তুলনায় অনেক কম।

 

তিনি বলেন, আজ মূলত বাড়িফেরা যাত্রীদের শেষ দিনের চাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এরপর থেকেই কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের ফেরার প্রস্তুতি শুরু হবে।

 

বরিশাল, চাঁদপুর, ইলিশা, পটুয়াখালী ও হাতিয়াসহ বিভিন্ন নৌরুটে যাত্রীদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিয়মিত সময়সূচির পাশাপাশি বিশেষ শিডিউলও চালু রয়েছে। বিশেষ শিডিউলে সাধারণত নির্ধারিত ধারণক্ষমতা পূরণ হলেই লঞ্চ ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রতিটি জাহাজের ধারণক্ষমতা ফিটনেস সনদ অনুযায়ী নির্ধারিত এবং তা দৃশ্যমানভাবে উল্লেখ থাকে।

 

তিনি আরও জানান, কোনো লঞ্চে ফ্যান না চলা, দেরিতে ছেড়ে যাওয়া বা অন্য কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

সদরঘাটে বরিশালগামী যাত্রীর চাপ কম, লঞ্চের কেবিনও ফাঁকা

Update Time : ০৩:৪২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
১৮২

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঘরমুখো মানুষের কয়েকদিনের উপচেপড়া ভিড়ের পর রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে এখন কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। যাত্রীচাপ সেভাবে নেই বললেই চলে। এখনো যারা পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে বাড়ি যাচ্ছেন, তারা সহজেই লঞ্চের টিকিট পাচ্ছেন।

 

শেষ মুহূর্তে পারাবত-১৮, সুন্দরবন-১৬-সহ চারটি লঞ্চ বরিশাল যাওয়ার অপেক্ষায় থাকলেও অন্যদিনের তুলনায় যাত্রীচাপ একেবারেই কম। অনেক কেবিনও ফাঁকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে ঢাকা-বরিশাল রুটের পারাবত-১৮ লঞ্চের মাস্টার (চালক) খোরশেদ আলম  বলেন, সাড়ে ৯টার মধ্যে আমাদের লঞ্চ ছাড়বে। শেষ সময়ে যাত্রীরা যেন বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করতে পারেন, সেই চেষ্টা করছি।

 

লঞ্চে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের মধ্যেও স্বস্তির ছাপ দেখা গেছে। বরিশালগামী যাত্রী মো. রাসেল বলেন, গত দুই দিন যে ভিড় দেখেছি, আজ তার কিছুই নেই। খুব সহজেই টিকিট পেয়েছি, লঞ্চেও ভিড় কম, যাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে মনে হচ্ছে।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানভীর হাসান বলেন, শেষ দিনে আসার কারণে হয়তো ভিড় কম পেয়েছি। তাড়াহুড়া ছাড়াই উঠতে পেরেছি, এটা বড় সুবিধা। নির্ধারিত ভাড়াই নেওয়া হবে জানিয়েছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।

 

এদিকে দুপুরে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সদরঘাটসহ বসিলা, শিমুলিয়া, পাটুরিয়া ও ফেনীঘাট এলাকায় যাত্রীচাপ এখন আগের তুলনায় অনেক কম।

 

তিনি বলেন, আজ মূলত বাড়িফেরা যাত্রীদের শেষ দিনের চাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এরপর থেকেই কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের ফেরার প্রস্তুতি শুরু হবে।

 

বরিশাল, চাঁদপুর, ইলিশা, পটুয়াখালী ও হাতিয়াসহ বিভিন্ন নৌরুটে যাত্রীদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিয়মিত সময়সূচির পাশাপাশি বিশেষ শিডিউলও চালু রয়েছে। বিশেষ শিডিউলে সাধারণত নির্ধারিত ধারণক্ষমতা পূরণ হলেই লঞ্চ ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রতিটি জাহাজের ধারণক্ষমতা ফিটনেস সনদ অনুযায়ী নির্ধারিত এবং তা দৃশ্যমানভাবে উল্লেখ থাকে।

 

তিনি আরও জানান, কোনো লঞ্চে ফ্যান না চলা, দেরিতে ছেড়ে যাওয়া বা অন্য কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।