ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দলীয় দুঃসময়ের লড়াকু মুখ, এবার মেয়র পদে শওকত সরকারের নামই শীর্ষে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৮৬ Time View
৩৬৬

মোঃ ফেরদাউছ সিকদার।। গাজীপুর মহানগরীর রাজনীতিতে ত্যাগ, সাহসিকতা আর জনসেবার এক অনন্য নাম শওকত হোসেন সরকার। গত ১৭ বছরের দুঃশাসন, হামলা-মামলা আর জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে সক্রিয় থাকা এই নেতাকে ঘিরেই এখন নতুন স্বপ্ন দেখছেন দলটির তৃণমূল নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ। আসন্ন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে তাকে দলের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চেয়ে ইতোমধ্যে মহানগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে সরব হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ।

​শওকত হোসেন সরকার কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি একজন অভিজ্ঞ ও শেকড় সন্ধানী জনপ্রতিনিধি। তার রক্তে মিশে আছে জনসেবার ইতিহাস। তার পিতা ছিলেন এই অঞ্চলের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং সাবেক সফল চেয়ারম্যান। বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে শওকত হোসেন সরকার নিজেও সফল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চেয়ারম্যান থাকাকালীন তার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং সাধারণ মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর রেকর্ড আজও স্থানীয়দের মুখে মুখে ফেরে।

এছাড়াও ​সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মজিবর রহমানের (মেয়র মজিবর) ঐতিহাসিক বিজয়ে শওকত হোসেন সরকারের ভূমিকা ছিল জাদুকরী। তিনি এই নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার বিচক্ষণ রণকৌশল এবং দিনরাত মাঠ চষে বেড়ানোর ফলেই ধানের শীষের প্রার্থী ২ লাখ ৮ হাজার ৮৮৮ ভোট পেয়ে বিশাল জয় লাভ করেন।
​এ বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় শওকত হোসেন সরকার বলেন, মজিবর রহমান ভাইয়ের বিজয় ছিল গাজীপুরবাসীর বিজয়। আমরা তৃণমূলের প্রতিটি কর্মীকে সাথে নিয়ে প্রতিকূল পরিবেশ জয় করেছি। শহীদ জিয়ার আদর্শে আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম বলেই এই বিজয় সম্ভব হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আগামীতেও আমরা একইভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকব।

​উল্লেখ্য, ​বিগত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে শওকত হোসেন সরকার ছিলেন রাজপথের অকুতোভয় যোদ্ধা। দলীয় কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তিনি অসংখ্যবার কারাবরণ করেছেন। শত শত ভুয়া ও রাজনৈতিক মামলার শিকার হয়েও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।

​তার এক ঘনিষ্ঠ সহচর বলেন, যখন অনেক বড় বড় নেতা ঘরে ছিলেন, তখন শওকত ভাই গাজীপুরের রাজপথে পুলিশের টিয়ারশেল আর লাঠিচার্জ উপেক্ষা করে মিছিল করেছেন। জেল খেটেছেন, কিন্তু পিছু হটেননি। বর্তমানে মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে তিনি প্রমাণ করেছেন, তিনি একজন অদম্য লড়াকু সৈনিক।


​আসন্ন সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে শওকত হোসেন সরকারের পক্ষে জনমত ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। সাধারণ ভোটাররা মনে করেন, যার নিজের ও বাবার জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতা আছে, তিনিই পারবেন গাজীপুরকে একটি পরিকল্পিত ও দুর্নীতিমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে।

​মেয়র প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে শওকত হোসেন সরকার বলেন, আমি পদের জন্য রাজনীতি করি না। গত ১৭ বছর রাজপথে ছিলাম জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে এবং গাজীপুরবাসী যদি চায়, তবে আমি আধুনিক ও তিলোত্তমা গাজীপুর গড়তে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত। আমার বাবা যেভাবে এই জনপদে সেবা করেছেন, আমিও সেভাবেই জনগণের সেবক হয়ে থাকতে চাই।

এবিষয়ে সাইফুল ইসলাম শাহীন, গাজীপুর মহানগর যুবদল, যুগ্ম আহবায়ক বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর একটা জেলার বিএনপির মাঠ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন বুকে আগলে রেখেছেন শওকত হোসেন সরকারের নেতৃত্বে। এটা অনেক কষ্টের, জেল জুলুমের শিকার, মামলা, হামলা বহন করেন। তার ত্যাগ আশাকরি দল মূল্যায়ন করবেন ইনশাআল্লাহ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাহীন মোল্লা, কাশিমপুর থানা যুবদলের অন্যতম নেতা যিনি এবারের বিএনপি মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী মজিবুর রহমানের নির্বাচনের মাঠে ব্যপক প্রচারণা চালান এবং জনগণের দুয়ারে দুয়ারে যান এবং জনাব তারেক রহমানের ৩১ দফা লিফলেট বিতরণের বড় ভূমিকা রাখেন তিনি বলেন, একজন নেতা ১৭ বছর দুলের দুর্দিনে রাজপথে নেমে দলকে ও জনগণকে আগলে রাখা কতটা কষ্টের তা বলে প্রকাশ করা যায় না। আশাকরি কেন্দ্রীয় নেতারাও এবিষয়ে অবগত। তাই আমরা যেহেতু ঘনবসতি গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়ে বসবাস করি তাই এতটুকু বলতে পারি জনগণ শওকত হোসেন সরকারকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায় এবং এই আকাঙ্খা অনেক আগ থেকেই।

অন্যদিকে গাজীপুর মহানগর কৃষকদের যুগ্ম আহবায়ক মোস্তফা কামাল জানান, জনাব শওকত হোসেন সরকারের প্রতিনিধিত্বের প্রশাসনিক দক্ষতা আছে। আমরা দীর্ঘবছর তার সাথে রাজনীতি করি তিনি এই গাজীপুরবাসীর জনগণের আশা আকাঙ্খা বুঝতে পারেন। আমার প্রাণের দাবি এবার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচনে দল যেন এমন একজন নেতাকে মনোনয়ন দিয়ে জনগণের খেদমত করার সুযোগ দেন এবং ইনশাআল্লাহ আমরা যেভাবে এমপি মজিবুর রহমানকে বিজয়ী করে দলকে উপহার দিয়েছি ঠিক শওকত হোসেন সরকারকেও বিজয়ী করে দলকে উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ।

​রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সংসদ নির্বাচনে প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে সফলতার পর শওকত হোসেন সরকার এখন গাজীপুরের বিএনপির সবচেয়ে শক্তিশালী সাংগঠনিক স্তম্ভ। ত্যাগী নেতা হিসেবে তার যেমন সুনাম আছে, তেমনি রয়েছে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা। ফলে আসন্ন মেয়র নির্বাচনে তাকে ধানের শীষের মনোনয়ন দিলে জয়ের পাল্লা অনেক বেশি ভারী হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা সংস্কার, দান-অনুদানে প্রশংসায় ভাসছে যুবনেতা আতিক ওসমানী 

দলীয় দুঃসময়ের লড়াকু মুখ, এবার মেয়র পদে শওকত সরকারের নামই শীর্ষে

Update Time : ১২:২৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৩৬৬

মোঃ ফেরদাউছ সিকদার।। গাজীপুর মহানগরীর রাজনীতিতে ত্যাগ, সাহসিকতা আর জনসেবার এক অনন্য নাম শওকত হোসেন সরকার। গত ১৭ বছরের দুঃশাসন, হামলা-মামলা আর জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে সক্রিয় থাকা এই নেতাকে ঘিরেই এখন নতুন স্বপ্ন দেখছেন দলটির তৃণমূল নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ। আসন্ন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে তাকে দলের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চেয়ে ইতোমধ্যে মহানগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে সরব হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ।

​শওকত হোসেন সরকার কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি একজন অভিজ্ঞ ও শেকড় সন্ধানী জনপ্রতিনিধি। তার রক্তে মিশে আছে জনসেবার ইতিহাস। তার পিতা ছিলেন এই অঞ্চলের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং সাবেক সফল চেয়ারম্যান। বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে শওকত হোসেন সরকার নিজেও সফল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চেয়ারম্যান থাকাকালীন তার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং সাধারণ মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর রেকর্ড আজও স্থানীয়দের মুখে মুখে ফেরে।

এছাড়াও ​সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মজিবর রহমানের (মেয়র মজিবর) ঐতিহাসিক বিজয়ে শওকত হোসেন সরকারের ভূমিকা ছিল জাদুকরী। তিনি এই নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার বিচক্ষণ রণকৌশল এবং দিনরাত মাঠ চষে বেড়ানোর ফলেই ধানের শীষের প্রার্থী ২ লাখ ৮ হাজার ৮৮৮ ভোট পেয়ে বিশাল জয় লাভ করেন।
​এ বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় শওকত হোসেন সরকার বলেন, মজিবর রহমান ভাইয়ের বিজয় ছিল গাজীপুরবাসীর বিজয়। আমরা তৃণমূলের প্রতিটি কর্মীকে সাথে নিয়ে প্রতিকূল পরিবেশ জয় করেছি। শহীদ জিয়ার আদর্শে আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম বলেই এই বিজয় সম্ভব হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আগামীতেও আমরা একইভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকব।

​উল্লেখ্য, ​বিগত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে শওকত হোসেন সরকার ছিলেন রাজপথের অকুতোভয় যোদ্ধা। দলীয় কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তিনি অসংখ্যবার কারাবরণ করেছেন। শত শত ভুয়া ও রাজনৈতিক মামলার শিকার হয়েও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।

​তার এক ঘনিষ্ঠ সহচর বলেন, যখন অনেক বড় বড় নেতা ঘরে ছিলেন, তখন শওকত ভাই গাজীপুরের রাজপথে পুলিশের টিয়ারশেল আর লাঠিচার্জ উপেক্ষা করে মিছিল করেছেন। জেল খেটেছেন, কিন্তু পিছু হটেননি। বর্তমানে মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে তিনি প্রমাণ করেছেন, তিনি একজন অদম্য লড়াকু সৈনিক।


​আসন্ন সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে শওকত হোসেন সরকারের পক্ষে জনমত ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। সাধারণ ভোটাররা মনে করেন, যার নিজের ও বাবার জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতা আছে, তিনিই পারবেন গাজীপুরকে একটি পরিকল্পিত ও দুর্নীতিমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে।

​মেয়র প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে শওকত হোসেন সরকার বলেন, আমি পদের জন্য রাজনীতি করি না। গত ১৭ বছর রাজপথে ছিলাম জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে এবং গাজীপুরবাসী যদি চায়, তবে আমি আধুনিক ও তিলোত্তমা গাজীপুর গড়তে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত। আমার বাবা যেভাবে এই জনপদে সেবা করেছেন, আমিও সেভাবেই জনগণের সেবক হয়ে থাকতে চাই।

এবিষয়ে সাইফুল ইসলাম শাহীন, গাজীপুর মহানগর যুবদল, যুগ্ম আহবায়ক বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর একটা জেলার বিএনপির মাঠ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন বুকে আগলে রেখেছেন শওকত হোসেন সরকারের নেতৃত্বে। এটা অনেক কষ্টের, জেল জুলুমের শিকার, মামলা, হামলা বহন করেন। তার ত্যাগ আশাকরি দল মূল্যায়ন করবেন ইনশাআল্লাহ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাহীন মোল্লা, কাশিমপুর থানা যুবদলের অন্যতম নেতা যিনি এবারের বিএনপি মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী মজিবুর রহমানের নির্বাচনের মাঠে ব্যপক প্রচারণা চালান এবং জনগণের দুয়ারে দুয়ারে যান এবং জনাব তারেক রহমানের ৩১ দফা লিফলেট বিতরণের বড় ভূমিকা রাখেন তিনি বলেন, একজন নেতা ১৭ বছর দুলের দুর্দিনে রাজপথে নেমে দলকে ও জনগণকে আগলে রাখা কতটা কষ্টের তা বলে প্রকাশ করা যায় না। আশাকরি কেন্দ্রীয় নেতারাও এবিষয়ে অবগত। তাই আমরা যেহেতু ঘনবসতি গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়ে বসবাস করি তাই এতটুকু বলতে পারি জনগণ শওকত হোসেন সরকারকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায় এবং এই আকাঙ্খা অনেক আগ থেকেই।

অন্যদিকে গাজীপুর মহানগর কৃষকদের যুগ্ম আহবায়ক মোস্তফা কামাল জানান, জনাব শওকত হোসেন সরকারের প্রতিনিধিত্বের প্রশাসনিক দক্ষতা আছে। আমরা দীর্ঘবছর তার সাথে রাজনীতি করি তিনি এই গাজীপুরবাসীর জনগণের আশা আকাঙ্খা বুঝতে পারেন। আমার প্রাণের দাবি এবার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচনে দল যেন এমন একজন নেতাকে মনোনয়ন দিয়ে জনগণের খেদমত করার সুযোগ দেন এবং ইনশাআল্লাহ আমরা যেভাবে এমপি মজিবুর রহমানকে বিজয়ী করে দলকে উপহার দিয়েছি ঠিক শওকত হোসেন সরকারকেও বিজয়ী করে দলকে উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ।

​রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সংসদ নির্বাচনে প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে সফলতার পর শওকত হোসেন সরকার এখন গাজীপুরের বিএনপির সবচেয়ে শক্তিশালী সাংগঠনিক স্তম্ভ। ত্যাগী নেতা হিসেবে তার যেমন সুনাম আছে, তেমনি রয়েছে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা। ফলে আসন্ন মেয়র নির্বাচনে তাকে ধানের শীষের মনোনয়ন দিলে জয়ের পাল্লা অনেক বেশি ভারী হবে।