ঢাকা ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলায় বাকপ্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণের শিকার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:১৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১০ Time View
১৭১

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোলার তজুমদ্দিনে কীর্তন শুনতে গিয়ে এক সন্তানের জননী বাকপ্রতিবন্ধী কালী রানি নামে এক নারী গণধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করে। এ ঘটনায় আইনগত বিষয়টি প্রকৃয়াধীন রয়েছে বলে জানান ওসি।

ধর্ষিতা ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুশেন দাসের মেয়ে বাকপ্রতিবন্ধী একসন্তানের জননী (২৫) রবিবার দুপুরে চাঁদপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে গোলকপুর গ্রামের অনিল সাধুর মন্দিরে কীর্তন শুনতে যায়। রাত ৯টার দিকে স্থানীয় অটোচালক রাকিব, শাকিল ও রাসেল পূর্ব পরিচিত হওয়ায় তাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে অটোতে উঠিয়ে নিয়ে আসে। অটো কীর্তনের পাশেই ধোপাবাড়ির দরজায় আসলে তিনজনে মিলে প্রতিবন্ধী নারীর মুখ চেপে ধরে সুপারি বাগানে নিয়ে গিয়ে চেতনা নাশক ঔষধ খাওয়াই দিয়ে তিনজন মিলে রাতভর পালাক্রমে যুবতীকে ধর্ষণ করে। পরে রাতের শেষভাগে যুবতীর হুঁশ ফিরলে দেখতে পান তার পরনের সেলোয়ার রক্তে ভিজে গেছে।

 

এ অবস্থা দেখে যুবতী ডাকচিৎকার করলে ধর্ষকরা তাকে শারীরিক নির্যাতন করে। পরে ধর্ষিতার ব্যাপক ডাকচিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করেন।

ধর্ষিতা হাসপাতালে বসে জানান, আমি কীর্তনে গেলে রাতে রাকিব, সোহেল ও রাসেল আমাকে তাদের অটোতে তুলে নিয়ে আসে। পরে ধোপাবাড়ির দরজায় এসে মুখ চেপে ধরে জোড় করে চেতন নাশক ঔষধ খাওয়াই দেয় সুপারি বাগানের মধ্যে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

তজুমদ্দিন হাসপাতালের আরএমও ডা. সামছুল আলম সোহেল বলেন, ধর্ষণের শিকার যুবতীকে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে আসলে তখনও তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পরে তাকে পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

 

জানতে চাইলে তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সালাম বলেন, সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত বিষয়টি প্রকৃয়াধীন রয়েছে

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

ভোলায় বাকপ্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণের শিকার

Update Time : ০৮:১৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১৭১

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোলার তজুমদ্দিনে কীর্তন শুনতে গিয়ে এক সন্তানের জননী বাকপ্রতিবন্ধী কালী রানি নামে এক নারী গণধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করে। এ ঘটনায় আইনগত বিষয়টি প্রকৃয়াধীন রয়েছে বলে জানান ওসি।

ধর্ষিতা ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুশেন দাসের মেয়ে বাকপ্রতিবন্ধী একসন্তানের জননী (২৫) রবিবার দুপুরে চাঁদপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে গোলকপুর গ্রামের অনিল সাধুর মন্দিরে কীর্তন শুনতে যায়। রাত ৯টার দিকে স্থানীয় অটোচালক রাকিব, শাকিল ও রাসেল পূর্ব পরিচিত হওয়ায় তাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে অটোতে উঠিয়ে নিয়ে আসে। অটো কীর্তনের পাশেই ধোপাবাড়ির দরজায় আসলে তিনজনে মিলে প্রতিবন্ধী নারীর মুখ চেপে ধরে সুপারি বাগানে নিয়ে গিয়ে চেতনা নাশক ঔষধ খাওয়াই দিয়ে তিনজন মিলে রাতভর পালাক্রমে যুবতীকে ধর্ষণ করে। পরে রাতের শেষভাগে যুবতীর হুঁশ ফিরলে দেখতে পান তার পরনের সেলোয়ার রক্তে ভিজে গেছে।

 

এ অবস্থা দেখে যুবতী ডাকচিৎকার করলে ধর্ষকরা তাকে শারীরিক নির্যাতন করে। পরে ধর্ষিতার ব্যাপক ডাকচিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করেন।

ধর্ষিতা হাসপাতালে বসে জানান, আমি কীর্তনে গেলে রাতে রাকিব, সোহেল ও রাসেল আমাকে তাদের অটোতে তুলে নিয়ে আসে। পরে ধোপাবাড়ির দরজায় এসে মুখ চেপে ধরে জোড় করে চেতন নাশক ঔষধ খাওয়াই দেয় সুপারি বাগানের মধ্যে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

তজুমদ্দিন হাসপাতালের আরএমও ডা. সামছুল আলম সোহেল বলেন, ধর্ষণের শিকার যুবতীকে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে আসলে তখনও তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পরে তাকে পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

 

জানতে চাইলে তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সালাম বলেন, সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত বিষয়টি প্রকৃয়াধীন রয়েছে