ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলায় খাল খননের সাশ্রয়ী টাকা রাষ্ট্রের কোষাগারে জমা দিলেন ইউএনও

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০০:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ১৫ Time View
২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি অর্থের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করে খাল পুনঃখনন প্রকল্পে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়েছে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রশাসন। প্রকল্পটির কাজ নির্ধারিত মান বজায় রেখে সম্পন্ন হলেও প্রাক্কলনের তুলনায় কম অর্থ ব্যয় হওয়ায় অবশিষ্ট টাকা সরকারি বিধি অনুযায়ী ট্রেজারিতে জমা দেয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)’-এর আওতায় চরফ্যাশন উপজেলার সুবল ডাক্তার বাড়ি থেকে সুন্দরী নামক ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের জন্য ২ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সরকারি নির্দেশনা ও নির্ধারিত কারিগরি মান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। তবে খালের বিভিন্ন অংশে প্রস্থ ও খননের গভীরতা প্রাক্কলনের তুলনায় কম প্রয়োজন হওয়ায় বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় না করেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। এতে ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা সাশ্রয় হয়; যা সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়েছে।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা আফরোজ বলেন, ‘দীর্ঘদিনের অবহেলায় উক্ত খালটি ভরাট হয়ে কার্যত অকেজো হয়ে পড়েছিল। স্থানীয় মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে বর্তমান বিএনপি সরকারের উদ্যোগে খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি অর্থের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহারের অংশ হিসেবে সাশ্রয় হওয়া প্রতিটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে। সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন সবসময় দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগের ফলে সরকারি অর্থের সাশ্রয়,স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার এমন পদক্ষেপ একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে ওই উপজেলার সাধারণ মানুষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা আফরোজের এমন সততা ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতার নজির স্থাপনে তাকে সাধুবাদ জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

তালতলীতে মর্গে মরদেহ নিতে গিয়ে দুই পক্ষের হাতাহাতি

ভোলায় খাল খননের সাশ্রয়ী টাকা রাষ্ট্রের কোষাগারে জমা দিলেন ইউএনও

Update Time : ০৫:০০:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি অর্থের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করে খাল পুনঃখনন প্রকল্পে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়েছে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রশাসন। প্রকল্পটির কাজ নির্ধারিত মান বজায় রেখে সম্পন্ন হলেও প্রাক্কলনের তুলনায় কম অর্থ ব্যয় হওয়ায় অবশিষ্ট টাকা সরকারি বিধি অনুযায়ী ট্রেজারিতে জমা দেয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)’-এর আওতায় চরফ্যাশন উপজেলার সুবল ডাক্তার বাড়ি থেকে সুন্দরী নামক ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের জন্য ২ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সরকারি নির্দেশনা ও নির্ধারিত কারিগরি মান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। তবে খালের বিভিন্ন অংশে প্রস্থ ও খননের গভীরতা প্রাক্কলনের তুলনায় কম প্রয়োজন হওয়ায় বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় না করেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। এতে ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা সাশ্রয় হয়; যা সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়েছে।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা আফরোজ বলেন, ‘দীর্ঘদিনের অবহেলায় উক্ত খালটি ভরাট হয়ে কার্যত অকেজো হয়ে পড়েছিল। স্থানীয় মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে বর্তমান বিএনপি সরকারের উদ্যোগে খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি অর্থের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহারের অংশ হিসেবে সাশ্রয় হওয়া প্রতিটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে। সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন সবসময় দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগের ফলে সরকারি অর্থের সাশ্রয়,স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার এমন পদক্ষেপ একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে ওই উপজেলার সাধারণ মানুষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা আফরোজের এমন সততা ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতার নজির স্থাপনে তাকে সাধুবাদ জানান।