ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝালকাঠিতে মাছের দাম ঊর্ধ্বমুখী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০৯:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • ৪৭ Time View
১০০

নিজস্ব প্রতিবেদক : সমুদ্রে মাছ ধরায় চলমান নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় ঝালকাঠিতে বেড়েছে সব ধরনের মাছের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি মাছের দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত, যা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

আজকের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকার ভেদে তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া পাঙ্গাস এখন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। পোয়া মাছের দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, চাষের শিং ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং কই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। এছাড়া পাবদা মাছ ৩৫০ টাকা, তুলারডাটি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং কাতল মাছ ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট আকারের ইলিশের দাম উঠেছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায়। বিভিন্ন প্রজাতির চিংড়িও বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজি দরে।

মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, সমুদ্রে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে বাজারে চাপ পড়েছে স্বাদুপানির মাছের ওপর, যার কারণে বেড়েছে দাম। তবে নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে বাজার স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশা করছেন তারা।

অন্যদিকে, ক্রেতারা বলছেন, হঠাৎ করে মাছের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় আমিষের চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাজারে নিয়মিত মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

ঝালকাঠিতে মাছের দাম ঊর্ধ্বমুখী

Update Time : ০৫:০৯:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
১০০

নিজস্ব প্রতিবেদক : সমুদ্রে মাছ ধরায় চলমান নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় ঝালকাঠিতে বেড়েছে সব ধরনের মাছের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি মাছের দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত, যা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

আজকের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকার ভেদে তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া পাঙ্গাস এখন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। পোয়া মাছের দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, চাষের শিং ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং কই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। এছাড়া পাবদা মাছ ৩৫০ টাকা, তুলারডাটি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং কাতল মাছ ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট আকারের ইলিশের দাম উঠেছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায়। বিভিন্ন প্রজাতির চিংড়িও বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজি দরে।

মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, সমুদ্রে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে বাজারে চাপ পড়েছে স্বাদুপানির মাছের ওপর, যার কারণে বেড়েছে দাম। তবে নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে বাজার স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশা করছেন তারা।

অন্যদিকে, ক্রেতারা বলছেন, হঠাৎ করে মাছের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় আমিষের চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাজারে নিয়মিত মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।