ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলাপাড়ায় ফেসবুক স্ট্যাটাসে জামায়াত নেতার পদত্যাগের ঘোষণা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ১৪ Time View
২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান কিয়াম গাজী জামায়াতের রাজনীতি থেকে সওে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) স্ট্যাটাস দিয়ে জামায়াতের দলীয় পদ ও সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে তিনি সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

 

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে দেয়া ওই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়ভাবে এটি আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খলিলুর রহমান বলেন, ‘ন্যায়, ইনসাফ ও নৈতিক মূল্যবোধের আদর্শে তিনি রাজনীতি করেছেন। তবে সমপ্রতি দলের কিছু কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে ওঠা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তার ব্যক্তিগত আদর্শ ও বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তিনি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বিবৃতিতে ‘ইসলাম’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। তার ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নামের সঙ্গে ‘ইসলাম’ যুক্ত থাকলেই তা ইসলামের প্রকৃত আদর্শের প্রতিনিধিত্ব করে না; মানুষের পরিচয় নির্ধারিত হয় তার কর্ম ও চরিত্রে।’ একই সঙ্গে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার কোনো বক্তব্য বা আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।’ এ বিষয়ে মহিপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির তোফাজ্জল হোসেন সিপাহি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর খলিলুর রহমান দুই-তিন মাস সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয় ছিলেন। পরে তিনি কোনো কর্মসূচিতে অংশ নেননি এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখেননি। তিনি দাবি করেন, খলিলুর রহমানের জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ ও প্রায় তিন লাখ টাকা পাওনা আদায়ের বিষয়ে সংগঠন কোনো দায়িত্ব না নেওয়ায় ধীরে ধীরে সংগঠন থেকে দূরে সরে গেছেন। এছাড়া, এখন পর্যন্ত তিনি সংগঠনের কাছে কোনো লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দেননি।

 

বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বশীল নেতারা আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। বর্তমানে খলিলুর রহমানের ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে মহিপুর বন্দরসহ কলাপাড়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইন মেরামতের দাবিতে নলছিটিতে ওজোপাডিকো ঘেরাও

কলাপাড়ায় ফেসবুক স্ট্যাটাসে জামায়াত নেতার পদত্যাগের ঘোষণা

Update Time : ০১:০৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান কিয়াম গাজী জামায়াতের রাজনীতি থেকে সওে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) স্ট্যাটাস দিয়ে জামায়াতের দলীয় পদ ও সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে তিনি সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

 

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে দেয়া ওই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়ভাবে এটি আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খলিলুর রহমান বলেন, ‘ন্যায়, ইনসাফ ও নৈতিক মূল্যবোধের আদর্শে তিনি রাজনীতি করেছেন। তবে সমপ্রতি দলের কিছু কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে ওঠা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তার ব্যক্তিগত আদর্শ ও বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তিনি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বিবৃতিতে ‘ইসলাম’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। তার ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নামের সঙ্গে ‘ইসলাম’ যুক্ত থাকলেই তা ইসলামের প্রকৃত আদর্শের প্রতিনিধিত্ব করে না; মানুষের পরিচয় নির্ধারিত হয় তার কর্ম ও চরিত্রে।’ একই সঙ্গে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার কোনো বক্তব্য বা আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।’ এ বিষয়ে মহিপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির তোফাজ্জল হোসেন সিপাহি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর খলিলুর রহমান দুই-তিন মাস সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয় ছিলেন। পরে তিনি কোনো কর্মসূচিতে অংশ নেননি এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখেননি। তিনি দাবি করেন, খলিলুর রহমানের জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ ও প্রায় তিন লাখ টাকা পাওনা আদায়ের বিষয়ে সংগঠন কোনো দায়িত্ব না নেওয়ায় ধীরে ধীরে সংগঠন থেকে দূরে সরে গেছেন। এছাড়া, এখন পর্যন্ত তিনি সংগঠনের কাছে কোনো লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দেননি।

 

বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বশীল নেতারা আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। বর্তমানে খলিলুর রহমানের ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে মহিপুর বন্দরসহ কলাপাড়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।