ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিয়ে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৩:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • ৩০ Time View
৫৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : গায়ে হলুদের পর্ব শেষ হতে পারেনি। এরই মধ্যে পন্ড হয়ে গেল সকল প্রস্তুতি।  বন্ধ হয়ে গেল বাল্যবিয়ে। রক্ষা পেল নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী।

 

সকল অনুষ্ঠান প্রশাসন ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের ইউসুফপুর গ্রামের ঘটনা। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বালবিয়েটি বন্ধ হয়ে গেছে।

 

 

ওখানকার চৌকিদার প্রসেনজিৎ জানান, মহিপুর বন্দরের মাছের আড়তে কর্মী সোহাগ হাওলাদারের (১৭) সঙ্গে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় ঘটে মাদারিপুরের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে। তারা প্রেমে মজে যায়। সিদ্ধান্ত নেয় বিয়ের।

 

মাদারিপুর থেকে ওই কিশোরী শনিবার রাতে চলে আসে সোহাগের বাড়িতে। মধ্যরাতে বিয়ের প্রস্ততি নেয়। গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ করে দেওয়া হয় বাল্যবিয়ের সকল কর্মকান্ড। পন্ড হয়ে যায় বিয়ের সকল আনুষ্ঠানিকতা। কিশোরীর পরিবারকে খবর দেয়া হয়।

 

রবিবার তাঁদের হাতে ওই কিশোরীকে তুলে দেয়া হয়েছে। মাদারিপুরের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। চৌকিদার প্রসেনজিৎ আরো জানান, ওই কিশোরী এক-দেড় মাস আগে আরও একবার ছুটে আসছিল। তখন বলে-কয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। কলাপাড়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক জানান, বাল্যবিয়ে বন্ধে তারা সচেষ্ট রয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা সংস্কার, দান-অনুদানে প্রশংসায় ভাসছে যুবনেতা আতিক ওসমানী 

উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিয়ে

Update Time : ১১:৩৩:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
৫৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : গায়ে হলুদের পর্ব শেষ হতে পারেনি। এরই মধ্যে পন্ড হয়ে গেল সকল প্রস্তুতি।  বন্ধ হয়ে গেল বাল্যবিয়ে। রক্ষা পেল নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী।

 

সকল অনুষ্ঠান প্রশাসন ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের ইউসুফপুর গ্রামের ঘটনা। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বালবিয়েটি বন্ধ হয়ে গেছে।

 

 

ওখানকার চৌকিদার প্রসেনজিৎ জানান, মহিপুর বন্দরের মাছের আড়তে কর্মী সোহাগ হাওলাদারের (১৭) সঙ্গে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় ঘটে মাদারিপুরের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে। তারা প্রেমে মজে যায়। সিদ্ধান্ত নেয় বিয়ের।

 

মাদারিপুর থেকে ওই কিশোরী শনিবার রাতে চলে আসে সোহাগের বাড়িতে। মধ্যরাতে বিয়ের প্রস্ততি নেয়। গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ করে দেওয়া হয় বাল্যবিয়ের সকল কর্মকান্ড। পন্ড হয়ে যায় বিয়ের সকল আনুষ্ঠানিকতা। কিশোরীর পরিবারকে খবর দেয়া হয়।

 

রবিবার তাঁদের হাতে ওই কিশোরীকে তুলে দেয়া হয়েছে। মাদারিপুরের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। চৌকিদার প্রসেনজিৎ আরো জানান, ওই কিশোরী এক-দেড় মাস আগে আরও একবার ছুটে আসছিল। তখন বলে-কয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। কলাপাড়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক জানান, বাল্যবিয়ে বন্ধে তারা সচেষ্ট রয়েছেন।