ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজাপুরে ভাঙাচোরা আয়রন ব্রিজে সুপারি গাছের ভরসায় চলাচল

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪১:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৯৮ Time View
১৬৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বাদুরতলা গ্রামের মল্লিকবাড়ি-হাজিবাড়ি সংযোগ সড়কের আয়রন ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে চুড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। ব্রিজের পাটাতন ও রেলিংয়ের বেশিরভাগ অংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কয়েকশ পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা সুপারি গাছ ফেলে অস্থায়ীভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন। শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীসহ প্রতিদিন শতাধিক মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবেই পারাপার করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় দুই দশক আগে নির্মিত ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে। লোহার পাটাতনের কয়েকটি অংশ ভেঙে নিচে পড়ে গেছে, অনেক জায়গায় বড় ফাঁক তৈরি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে খালটির পানির স্রোত বেড়ে গেলে ঝুঁকি আরও বাড়ে। রাতের বেলায় আলো না থাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে সবসময়।

বাদুরতলা গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মালেক বলেন, ব্রিজটা দিয়ে হাঁটা যায় না। তাই আমরা সুপারি গাছ কেটে পেতে রেখেছি। শিশুদের কোলে নিয়ে পার হতে হয়। অসুস্থ মানুষ হলে আরও বিপদ।”

আরেক বাসিন্দা রওশন আরা বেগম বলেন, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ভয় নিয়ে যাতায়াত করে। যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি একাধিকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। দ্রুত নতুন ব্রিজ নির্মাণ বা পুরোনোটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয়দের দাবি, বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আগেই যেন কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। তা না হলে যে কোনো সময় প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

রাজাপুরে ভাঙাচোরা আয়রন ব্রিজে সুপারি গাছের ভরসায় চলাচল

Update Time : ০৮:৪১:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১৬৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বাদুরতলা গ্রামের মল্লিকবাড়ি-হাজিবাড়ি সংযোগ সড়কের আয়রন ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে চুড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। ব্রিজের পাটাতন ও রেলিংয়ের বেশিরভাগ অংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কয়েকশ পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা সুপারি গাছ ফেলে অস্থায়ীভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন। শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীসহ প্রতিদিন শতাধিক মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবেই পারাপার করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় দুই দশক আগে নির্মিত ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে। লোহার পাটাতনের কয়েকটি অংশ ভেঙে নিচে পড়ে গেছে, অনেক জায়গায় বড় ফাঁক তৈরি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে খালটির পানির স্রোত বেড়ে গেলে ঝুঁকি আরও বাড়ে। রাতের বেলায় আলো না থাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে সবসময়।

বাদুরতলা গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মালেক বলেন, ব্রিজটা দিয়ে হাঁটা যায় না। তাই আমরা সুপারি গাছ কেটে পেতে রেখেছি। শিশুদের কোলে নিয়ে পার হতে হয়। অসুস্থ মানুষ হলে আরও বিপদ।”

আরেক বাসিন্দা রওশন আরা বেগম বলেন, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ভয় নিয়ে যাতায়াত করে। যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি একাধিকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। দ্রুত নতুন ব্রিজ নির্মাণ বা পুরোনোটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয়দের দাবি, বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আগেই যেন কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। তা না হলে যে কোনো সময় প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।