ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে কারণে জয়ের দ্বারপ্রান্তে গিয়েও হেরে যান ব্যারিস্টার ফুয়াদ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২৫ Time View
১৭৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ মুলাদী) আসনে ঈগল প্রতীকে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত  হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬১  হাজার ৩০৯ ভোট। বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪২ ভোট।

এদিকে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এবারের নির্বাচনে কোন ম্যাজিকে এত ভোট পেয়েও পরাজিত হলেন?

জানা যায়, নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই বাবুগঞ্জ ও মুলাদী উপজেলা উন্নয়নে মিরগঞ্জ ব্রিজ, মসজিদ, ঈদগাহ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ, এতিমখানা উন্নয়নে বিভিন্ন সংস্থা থেকে বরাদ্দ আনার কারণে বাবুগঞ্জ মুলাদী উপজেলা দুটিতে আলোচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

তিনি কোনো সময় জনপ্রতিনিধি না হয়েও উপদেষ্টাদের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর স্মৃতি জাদুঘর সংস্কারের কাজ, নদী ভাঙন প্রতিরোধ ও বন্যায় বাঁধ নির্মাণে তার বিশেষ ভূমিকার জন্য তিনি দুই উপজেলার মানুষের কাছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। এছাড়াও জেলা পরিষদ থেকে বাবুগঞ্জ মুলাদী ও বরিশাল প্রেস ক্লাব রিপোর্টার্স ইউনিট উন্নয়নে বরাদ্দ তার অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে হয়েছে।

সোমবার বাবুগঞ্জ উপজেলা কেদারপুর, বাহেরচর, রাজগুরু, ক্ষুদ্রকাটি ঘুরে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা হয়। নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত রফিকুল ইসলাম, শহীদ মোল্লা, হাজী সোবাহান বলেন, আসাদুজ্জামান নির্বাচনের আগে তিনি আমাদের নদীভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা করায় আমরা তাকে ঢালাওভাবে ভোট দিয়েছি।

ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনি জনসভায় সাধারণ মানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরেছেন; অন্য কোনো প্রার্থী তার মতো স্পষ্টবাদী কথা বলেননি। এ ব্যাপারে মোল্লারহাট  এলাকার আবুল কাশেম বলেন, বিগত ১৭ বছর পর্যন্ত একটি সরকার ক্ষমতায় থেকেও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের কোনো সুযোগ-সুবিধা দেয়নি; কিন্তু ক্ষমতায় না থেকেও ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ আমাদের কথা চিন্তা করেছেন। তার সততা, সরলতা আমাদের মুগ্ধ করেছে। একই সঙ্গে হিন্দুদের নিরাপত্তার কথা আমরা আমলে নিয়ে ঈগল প্রতীকে ভোট দেই এবার নির্বাচনে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুই উপজেলায় ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ঈগল প্রতীক জয়ের দ্বারপ্রান্তে গিয়েও হেরে যাওয়ার পর এলাকাবাসী তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা সংস্কার, দান-অনুদানে প্রশংসায় ভাসছে যুবনেতা আতিক ওসমানী 

যে কারণে জয়ের দ্বারপ্রান্তে গিয়েও হেরে যান ব্যারিস্টার ফুয়াদ

Update Time : ১২:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১৭৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ মুলাদী) আসনে ঈগল প্রতীকে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত  হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬১  হাজার ৩০৯ ভোট। বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪২ ভোট।

এদিকে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এবারের নির্বাচনে কোন ম্যাজিকে এত ভোট পেয়েও পরাজিত হলেন?

জানা যায়, নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই বাবুগঞ্জ ও মুলাদী উপজেলা উন্নয়নে মিরগঞ্জ ব্রিজ, মসজিদ, ঈদগাহ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ, এতিমখানা উন্নয়নে বিভিন্ন সংস্থা থেকে বরাদ্দ আনার কারণে বাবুগঞ্জ মুলাদী উপজেলা দুটিতে আলোচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

তিনি কোনো সময় জনপ্রতিনিধি না হয়েও উপদেষ্টাদের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর স্মৃতি জাদুঘর সংস্কারের কাজ, নদী ভাঙন প্রতিরোধ ও বন্যায় বাঁধ নির্মাণে তার বিশেষ ভূমিকার জন্য তিনি দুই উপজেলার মানুষের কাছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। এছাড়াও জেলা পরিষদ থেকে বাবুগঞ্জ মুলাদী ও বরিশাল প্রেস ক্লাব রিপোর্টার্স ইউনিট উন্নয়নে বরাদ্দ তার অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে হয়েছে।

সোমবার বাবুগঞ্জ উপজেলা কেদারপুর, বাহেরচর, রাজগুরু, ক্ষুদ্রকাটি ঘুরে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা হয়। নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত রফিকুল ইসলাম, শহীদ মোল্লা, হাজী সোবাহান বলেন, আসাদুজ্জামান নির্বাচনের আগে তিনি আমাদের নদীভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা করায় আমরা তাকে ঢালাওভাবে ভোট দিয়েছি।

ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনি জনসভায় সাধারণ মানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরেছেন; অন্য কোনো প্রার্থী তার মতো স্পষ্টবাদী কথা বলেননি। এ ব্যাপারে মোল্লারহাট  এলাকার আবুল কাশেম বলেন, বিগত ১৭ বছর পর্যন্ত একটি সরকার ক্ষমতায় থেকেও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের কোনো সুযোগ-সুবিধা দেয়নি; কিন্তু ক্ষমতায় না থেকেও ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ আমাদের কথা চিন্তা করেছেন। তার সততা, সরলতা আমাদের মুগ্ধ করেছে। একই সঙ্গে হিন্দুদের নিরাপত্তার কথা আমরা আমলে নিয়ে ঈগল প্রতীকে ভোট দেই এবার নির্বাচনে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুই উপজেলায় ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ঈগল প্রতীক জয়ের দ্বারপ্রান্তে গিয়েও হেরে যাওয়ার পর এলাকাবাসী তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।