ঢাকা ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তীব্র লোডশেডিং এ আমতলীর অতিষ্ট জনজীবন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২৯ Time View
১৭৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদ্যুৎ আসলেতো যাবে, আসেই না। সারা দিনে দুই একবার আসলেও তা ১০-১৫ মিনিটের বেশী টিকে না। বিদ্যুতের যন্ত্রনায় অতিষ্ট হয়ে ওঠেছে জনজীবন। আক্ষেপ করে এ কথা বলেছেন আমতলী পৌর শহরের বাসিন্দা মোঃ রিপন মুন্সি। তিনি আরো বলেন, বিদ্যুতের আশা ছেড়ে দিয়ে বিকল্প চিন্তা ভাবনা করছি।

আমতলী পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের এজিএম মোঃ কাওসার আহমেদ বলেন, চাহিদার চেয়ে সরবরাহ কম থাকায় এমন লোডশেডিং হচ্ছে। আমতলী উপজেলায় ১৩ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে।  সেখানে সরবরাহ পাচ্ছি মাত্র ৫ মেগাওয়ার্ড। ৮ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুতের লোডশেডিংতো থেকেই যাবে।

জানাগেছে, আমতলী উপজেলায় ৬৭ হাজার পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। ওই পরিবারের প্রতিদিন ১৩ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু গত ১৫ দিন ধরে বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে চার-পাঁচ ঘন্টাও বিদ্যুৎ থাকে। অবশিষ্ট সময় কোন না কোন ভাবে লোডিশেডিং হচ্ছে। এমন লোডশেডিং এর কারনে আমতলী জনজীবন অতিষ্ট হয়ে ওঠেছে।

গৃহিনী রুমা আক্তার বলেন, এখন বিদ্যুতের যন্ত্রনাই চরম। দিনেতো থাকেই না, আসে আর যায়, রাতে একটু থাকলেও তা গেলে আর আসেনা। বিদ্যুতের যন্ত্রনা থেকে রক্ষায় জন্য সরকারের কাছে দাবী জানাই।

স্কুল ছাত্রী তানজিলা আক্তার বলেন, বিদ্যুতের কারনে রাতে লেখাপড়া প্রায় বন্ধ। এখন হারিকেন ছাড়া উপায় নেই। মাছ বিক্রেতা আব্দুল কাদের বলেন, বরফ না পাওয়ায় মাছ নিয়ে খুব বিপদে আছি। আল্লাই জানে কখন এ বিপদ থেকে রক্ষা পাব। আমতলীর ফাতেমা আইস ফ্যাক্টরীর মালিক মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিদ্যুতের কারনে বরফ উৎপাদন প্রায় বন্ধ। ব্যবসার অবস্থা বেশ খারাপ। মাছ ব্যবসায়ীদের বরফ দিতে পারছি না। এতে তাদেরও সমস্যা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

তীব্র লোডশেডিং এ আমতলীর অতিষ্ট জনজীবন

Update Time : ১০:৩৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
১৭৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদ্যুৎ আসলেতো যাবে, আসেই না। সারা দিনে দুই একবার আসলেও তা ১০-১৫ মিনিটের বেশী টিকে না। বিদ্যুতের যন্ত্রনায় অতিষ্ট হয়ে ওঠেছে জনজীবন। আক্ষেপ করে এ কথা বলেছেন আমতলী পৌর শহরের বাসিন্দা মোঃ রিপন মুন্সি। তিনি আরো বলেন, বিদ্যুতের আশা ছেড়ে দিয়ে বিকল্প চিন্তা ভাবনা করছি।

আমতলী পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের এজিএম মোঃ কাওসার আহমেদ বলেন, চাহিদার চেয়ে সরবরাহ কম থাকায় এমন লোডশেডিং হচ্ছে। আমতলী উপজেলায় ১৩ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে।  সেখানে সরবরাহ পাচ্ছি মাত্র ৫ মেগাওয়ার্ড। ৮ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুতের লোডশেডিংতো থেকেই যাবে।

জানাগেছে, আমতলী উপজেলায় ৬৭ হাজার পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। ওই পরিবারের প্রতিদিন ১৩ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু গত ১৫ দিন ধরে বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে চার-পাঁচ ঘন্টাও বিদ্যুৎ থাকে। অবশিষ্ট সময় কোন না কোন ভাবে লোডিশেডিং হচ্ছে। এমন লোডশেডিং এর কারনে আমতলী জনজীবন অতিষ্ট হয়ে ওঠেছে।

গৃহিনী রুমা আক্তার বলেন, এখন বিদ্যুতের যন্ত্রনাই চরম। দিনেতো থাকেই না, আসে আর যায়, রাতে একটু থাকলেও তা গেলে আর আসেনা। বিদ্যুতের যন্ত্রনা থেকে রক্ষায় জন্য সরকারের কাছে দাবী জানাই।

স্কুল ছাত্রী তানজিলা আক্তার বলেন, বিদ্যুতের কারনে রাতে লেখাপড়া প্রায় বন্ধ। এখন হারিকেন ছাড়া উপায় নেই। মাছ বিক্রেতা আব্দুল কাদের বলেন, বরফ না পাওয়ায় মাছ নিয়ে খুব বিপদে আছি। আল্লাই জানে কখন এ বিপদ থেকে রক্ষা পাব। আমতলীর ফাতেমা আইস ফ্যাক্টরীর মালিক মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিদ্যুতের কারনে বরফ উৎপাদন প্রায় বন্ধ। ব্যবসার অবস্থা বেশ খারাপ। মাছ ব্যবসায়ীদের বরফ দিতে পারছি না। এতে তাদেরও সমস্যা হচ্ছে।