ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুয়াকাটায় জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭৯ Time View
১৫৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় রাতের আঁধারে সীমানা প্রাচীর ভেঙে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।

 

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এমএ মোতালেব শরীফ।

 

 

সংবাদ সম্মেলনে মোতালেব শরীফ বলেন, কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কুয়াকাটা গেস্ট হাউসসংলগ্ন তার পৈতৃক সম্পত্তিতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দখলের চেষ্টা চালানো হয়। তার ভাগ্নে ও স্থানীয় জামায়াত নেতা শাহাবুদ্দিন ফরাজী দলবল নিয়ে ওই জমিতে প্রবেশ করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন।

 

তিনি জানান, অভিযুক্ত শাহাবুদ্দিন ফরাজী কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহকারী বাইতুল মাল সম্পাদক এবং দলের রুকন সদস্য।

 

মোতালেব শরীফের দাবি, কুয়াকাটা গেস্ট হাউসের পাশের ১২৪/১২২৬ নম্বর খতিয়ানের জমিটি তার বাবার মালিকানাধীন ছিল। বাবার মৃত্যুর পর আইনগত বণ্টনের মাধ্যমে তিনি ওই জমির মালিকানা লাভ করেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জাল কাগজপত্র ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমিটি দখলের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

তিনি আরও জানান, গত ৩ জানুয়ারি অভিযুক্তরা গেস্ট হাউসের পেছনের অংশে স্থাপনা নির্মাণের হুমকি দেন। এ ঘটনায় তিনি মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এরপরও বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ শাহাবুদ্দিন ফরাজীর নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল জমিতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে মহিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহাবুদ্দিন ফরাজী বলেন, তিনি কোনো জমি দখল করতে যাননি। জমিটির মালিকানায় তার মা ও খালাদের ন্যায্য অংশ রয়েছে। নিজেদের প্রাপ্য বুঝে নিতেই সেখানে যাওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

 

মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, বিষয়টি জমিসংক্রান্ত বিরোধ। লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

কুয়াকাটায় জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

Update Time : ০১:০০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১৫৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় রাতের আঁধারে সীমানা প্রাচীর ভেঙে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।

 

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এমএ মোতালেব শরীফ।

 

 

সংবাদ সম্মেলনে মোতালেব শরীফ বলেন, কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কুয়াকাটা গেস্ট হাউসসংলগ্ন তার পৈতৃক সম্পত্তিতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দখলের চেষ্টা চালানো হয়। তার ভাগ্নে ও স্থানীয় জামায়াত নেতা শাহাবুদ্দিন ফরাজী দলবল নিয়ে ওই জমিতে প্রবেশ করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন।

 

তিনি জানান, অভিযুক্ত শাহাবুদ্দিন ফরাজী কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহকারী বাইতুল মাল সম্পাদক এবং দলের রুকন সদস্য।

 

মোতালেব শরীফের দাবি, কুয়াকাটা গেস্ট হাউসের পাশের ১২৪/১২২৬ নম্বর খতিয়ানের জমিটি তার বাবার মালিকানাধীন ছিল। বাবার মৃত্যুর পর আইনগত বণ্টনের মাধ্যমে তিনি ওই জমির মালিকানা লাভ করেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জাল কাগজপত্র ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমিটি দখলের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

তিনি আরও জানান, গত ৩ জানুয়ারি অভিযুক্তরা গেস্ট হাউসের পেছনের অংশে স্থাপনা নির্মাণের হুমকি দেন। এ ঘটনায় তিনি মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এরপরও বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ শাহাবুদ্দিন ফরাজীর নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল জমিতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে মহিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহাবুদ্দিন ফরাজী বলেন, তিনি কোনো জমি দখল করতে যাননি। জমিটির মালিকানায় তার মা ও খালাদের ন্যায্য অংশ রয়েছে। নিজেদের প্রাপ্য বুঝে নিতেই সেখানে যাওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

 

মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, বিষয়টি জমিসংক্রান্ত বিরোধ। লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।