ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মঠবাড়িয়ায় স্কুলের প্রশ্নে শেখ মুজিব, ছবি ভাইরালের পর সমালোচনার ঝড়!

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৫৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • ২৫ Time View
৪৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : দক্ষিণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ খাস মহল লতিফ ইনস্টিটিউশনের দশম শ্রেণীর ২০২৬ সালের প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা প্রশ্নপত্র নিয়ে সামাজিক মাধ্যম ও সাধারণ জনমনে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দশম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে বঙ্গবন্ধুর উপাধি, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, মুজিবনগর সরকার এবং যুক্তফ্রন্ট গঠনের কারণসহ কয়েকটি প্রশ্ন নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। প্রশ্নপত্রটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে মুহুর্তেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায়।

ভাইরাল হওয়া প্রশ্নপত্রে দেখা যায়, ৭০ নম্বরের পরীক্ষায় দুটি সৃজনশীল প্রশ্ন ছিল। সেখানে বঙ্গবন্ধুর উপাধি, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, মুজিবনগর সরকার এবং যুক্তফ্রন্ট গঠনের কারণসহ কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রশ্নের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর অভিভাবক ও বিএনপি নেতাদের নানা মন্তব্য লক্ষ করা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধরনের প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত হওয়া টিক হয়নি। প্রশ্নপত্র প্রণয়নের ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা প্রয়োজন ছিল।

খাস মহল লতীফ ইনস্টিটিউশনের এডহক কমিটির অভিভাবক সদস্য মো. মিজানুর রহমান মিজান বলেন, শিক্ষকদের প্রশ্ন তৈরির সময় সতর্ক হওয়া উচিৎ ছিল। এমন প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়ার কারনে আগামী সভায় শিক্ষকদের জবাবদিহি করতে হবে।

খাস মহল লতীফ ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. খলিলুর রহমান বলেন, প্রি-টেস্ট ও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন আমরা নিজেরা প্রণয়ন করি না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন সংগ্রহ করা হয়। প্রশ্নগুলো সিলগালা অবস্থায় থাকে। পরীক্ষা কমিটি পরীক্ষার দিনই তা খোলে। আগে থেকে প্রশ্ন দেখার সুযোগ থাকে না। বিষয়টি কোথা থেকে এসেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার নজরুল ইসলাম বলেন, স্কুলের প্রশ্ন বাইরে থেকে করা বা আনার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকের কাছ থেকেই প্রশ্ন নেওয়ার কথা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধরনের প্রশ্ন এড়িয়ে চলা উচিত ছিল। প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা কমিটির প্রশ্নটি যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন ছিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা সংস্কার, দান-অনুদানে প্রশংসায় ভাসছে যুবনেতা আতিক ওসমানী 

মঠবাড়িয়ায় স্কুলের প্রশ্নে শেখ মুজিব, ছবি ভাইরালের পর সমালোচনার ঝড়!

Update Time : ১২:৫৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
৪৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : দক্ষিণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ খাস মহল লতিফ ইনস্টিটিউশনের দশম শ্রেণীর ২০২৬ সালের প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা প্রশ্নপত্র নিয়ে সামাজিক মাধ্যম ও সাধারণ জনমনে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দশম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে বঙ্গবন্ধুর উপাধি, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, মুজিবনগর সরকার এবং যুক্তফ্রন্ট গঠনের কারণসহ কয়েকটি প্রশ্ন নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। প্রশ্নপত্রটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে মুহুর্তেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায়।

ভাইরাল হওয়া প্রশ্নপত্রে দেখা যায়, ৭০ নম্বরের পরীক্ষায় দুটি সৃজনশীল প্রশ্ন ছিল। সেখানে বঙ্গবন্ধুর উপাধি, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, মুজিবনগর সরকার এবং যুক্তফ্রন্ট গঠনের কারণসহ কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রশ্নের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর অভিভাবক ও বিএনপি নেতাদের নানা মন্তব্য লক্ষ করা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধরনের প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত হওয়া টিক হয়নি। প্রশ্নপত্র প্রণয়নের ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা প্রয়োজন ছিল।

খাস মহল লতীফ ইনস্টিটিউশনের এডহক কমিটির অভিভাবক সদস্য মো. মিজানুর রহমান মিজান বলেন, শিক্ষকদের প্রশ্ন তৈরির সময় সতর্ক হওয়া উচিৎ ছিল। এমন প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়ার কারনে আগামী সভায় শিক্ষকদের জবাবদিহি করতে হবে।

খাস মহল লতীফ ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. খলিলুর রহমান বলেন, প্রি-টেস্ট ও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন আমরা নিজেরা প্রণয়ন করি না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন সংগ্রহ করা হয়। প্রশ্নগুলো সিলগালা অবস্থায় থাকে। পরীক্ষা কমিটি পরীক্ষার দিনই তা খোলে। আগে থেকে প্রশ্ন দেখার সুযোগ থাকে না। বিষয়টি কোথা থেকে এসেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার নজরুল ইসলাম বলেন, স্কুলের প্রশ্ন বাইরে থেকে করা বা আনার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকের কাছ থেকেই প্রশ্ন নেওয়ার কথা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধরনের প্রশ্ন এড়িয়ে চলা উচিত ছিল। প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা কমিটির প্রশ্নটি যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন ছিল।