ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমতলীতে হামের প্রার্দুভাব : হাসপাতালে এন্টিবায়েটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সংকট

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ১৮ Time View
৩২

নিজস্ব প্রতিবেদক : আমতলী উপজেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত ১৩ দিনে ৩০ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছে।

 

মঙ্গলবার পর্যন্ত ১৫ শিশু চিকিৎসা শেষে সুস্থ্য হয়ে হাসপাতাল ছাড়লেও ১৫ শিশু এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছে। কিন্তু হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সংঙ্কট রয়েছে। সঙ্কট থাকায় বাহির থেকে স্বজনদের এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন ক্রয় করতে হচ্ছে। দ্রুত হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সরবরাহের দাবী শিশুর স্বজনদের।

 

জানাগেছে, সারা দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও আমতলী উপজেলায় ছিল ভিন্ন চিত্র। জুন মাস পর্যন্ত তেমন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়নি। কিন্তু সেই চিত্র জুলাই মাসে ভেঙ্গে গেছে। গত ১৩ দিনে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫ জন শিশু চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। তবে এখনও ১৫ শিশু হাসপাতালে ভর্তি আছে।

 

এদিকে হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সঙ্কট রয়েছে। এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সঙ্কট থাকায় শিশুদের সরবরাহ করতে পারছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলে জানান শিশুর স্বজন রাবেয়া ও তাজিনুর। ফলে স্বজনদের বাহির থেকে এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন ক্রয় করতে হচ্ছে। এতে হামে আক্রান্ত শিশুর স্বজনদের আর্থি ক সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত হাসপাতাল এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সরবরাহের দাবী হামে আক্রান্ত শিশুর স্বজনদের।

 

অপর দিকে হামে আক্রান্ত শিশুদের আলাদা ইউনিটে রেখেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ওই ইউনিটে বেড না থাকায় ফ্লোরে বিছানা পেতে শিশু ও শিশুর স্বজনদের থাকতে হচ্ছে। এতেও তাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, হাসপাতালের আলাদা ফ্লোরে হাতে আক্রান্ত শিশু ও শিশুর স্বজনরা বিছানা পেতে থাকছেন।ি এ ইউনিটে আলাদা কোন বেড নেই।

 

শিশুর স্বজন রাবেয়া ও তাজিনুর বলেন, হাসপাতাল থেকে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন দিচ্ছে না। এগুলো বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে। এতে আমাদের আর্থিক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। দ্রুত হাসপাতালে এন্টিবায়েটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সরবরাহের দাবী তাদের।

 

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ হুমায়ুন আহমেদ সুমন বলেন, হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সঙ্কট রয়েছে। তিনি আরো বলেন, হতদরিদ্র শিশুদের এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সরবরাহ করা হচ্ছে।

 

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ চিন্ময় হাওলাদার বলেন, নতুন অর্থ বছরের কারনে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের কিছুটা সঙ্কট থাকলেও কিছুদিনের মধ্যে সেই সঙ্কট কেটে যাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পোশাক শিল্পে মূল্য সংযোজন বাড়াতে বাংলাদেশে বড় সম্ভাবনা দেখছে দক্ষিণ কোরিয়া

আমতলীতে হামের প্রার্দুভাব : হাসপাতালে এন্টিবায়েটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সংকট

Update Time : ০১:১৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
৩২

নিজস্ব প্রতিবেদক : আমতলী উপজেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত ১৩ দিনে ৩০ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছে।

 

মঙ্গলবার পর্যন্ত ১৫ শিশু চিকিৎসা শেষে সুস্থ্য হয়ে হাসপাতাল ছাড়লেও ১৫ শিশু এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছে। কিন্তু হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সংঙ্কট রয়েছে। সঙ্কট থাকায় বাহির থেকে স্বজনদের এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন ক্রয় করতে হচ্ছে। দ্রুত হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সরবরাহের দাবী শিশুর স্বজনদের।

 

জানাগেছে, সারা দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও আমতলী উপজেলায় ছিল ভিন্ন চিত্র। জুন মাস পর্যন্ত তেমন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়নি। কিন্তু সেই চিত্র জুলাই মাসে ভেঙ্গে গেছে। গত ১৩ দিনে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫ জন শিশু চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। তবে এখনও ১৫ শিশু হাসপাতালে ভর্তি আছে।

 

এদিকে হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সঙ্কট রয়েছে। এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সঙ্কট থাকায় শিশুদের সরবরাহ করতে পারছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলে জানান শিশুর স্বজন রাবেয়া ও তাজিনুর। ফলে স্বজনদের বাহির থেকে এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন ক্রয় করতে হচ্ছে। এতে হামে আক্রান্ত শিশুর স্বজনদের আর্থি ক সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত হাসপাতাল এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সরবরাহের দাবী হামে আক্রান্ত শিশুর স্বজনদের।

 

অপর দিকে হামে আক্রান্ত শিশুদের আলাদা ইউনিটে রেখেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ওই ইউনিটে বেড না থাকায় ফ্লোরে বিছানা পেতে শিশু ও শিশুর স্বজনদের থাকতে হচ্ছে। এতেও তাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, হাসপাতালের আলাদা ফ্লোরে হাতে আক্রান্ত শিশু ও শিশুর স্বজনরা বিছানা পেতে থাকছেন।ি এ ইউনিটে আলাদা কোন বেড নেই।

 

শিশুর স্বজন রাবেয়া ও তাজিনুর বলেন, হাসপাতাল থেকে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন দিচ্ছে না। এগুলো বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে। এতে আমাদের আর্থিক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। দ্রুত হাসপাতালে এন্টিবায়েটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সরবরাহের দাবী তাদের।

 

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ হুমায়ুন আহমেদ সুমন বলেন, হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সঙ্কট রয়েছে। তিনি আরো বলেন, হতদরিদ্র শিশুদের এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সরবরাহ করা হচ্ছে।

 

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ চিন্ময় হাওলাদার বলেন, নতুন অর্থ বছরের কারনে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের কিছুটা সঙ্কট থাকলেও কিছুদিনের মধ্যে সেই সঙ্কট কেটে যাবে।