নিজস্ব প্রতিবেদক : সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বরিশাল ৫ আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মোহাম্মাদ ফয়জুল করীম। গণমাধ্যমের সাথে এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ প্রতিশ্রুতির কথা ব্যক্ত করেন।
২০০৮ সালের কথিত নির্বাচনে অংশ নিয়ে বরিশালে পরাজিত হন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত (হাতপাখা) প্রতীকের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মোহাম্মাদ ফয়জুল করীম। তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমীর। এবারের নির্বাচনে মানুষ দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ইসলামের পক্ষে রায় দেবে বলে প্রত্যাশা তার। নির্বাচনে বিএনপিকে বড় দল মনে করলেও মাঠে প্রচার প্রচারণায় সরব এ প্রার্থী। তিনি একই সাথে বরিশাল ৬ বাকেরগঞ্জ থেকেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
গণমাধ্য : আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার প্রতিশ্রুতি কী ?
ফয়জুল করীম: আমি নির্বাচিত হলে সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত একটি দেশ গরবো। আমরা প্রতিটি ভোটারের নিরাপত্তা দিতে চেষ্টা করবো। বরিশালে কোন মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, মিথ্যা মামলায় জর্জরিত না হয়, নারী পুরুষ, হিন্দু-মুসলিম সর্ব শ্রেণির মানুষের নিরাপত্তা ও তাদের উন্নয়নের জন্য আমি চেষ্টা করবো।
গণমাধ্য : নির্বাচনী আচারণবিধি পালনে নেতাকর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী?
ফয়জুল করীম: অবশ্যই আমাদের প্রথম কাজ হবে নির্বাচনী আচরণ মেনে চলা। যদি আমরা নিজেরাই নির্বাচনী আচরণ মানতে না পারি, তাহলে আমরা কিভাবে আইন প্রয়োগ করবো। তাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি আমার কর্মীদের নির্বাচনী আচারনবিধি মেনে চলার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছি। আশা করি আমি ও আমার দলের সকল কর্মী আচারণবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা থেকে শুরু করে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।
গণমাধ্য : গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী ?
ফয়জুল করীম: গণভোটের পক্ষে রায় হবে, এটাই হচ্ছে আমার কথা। আমি গণভোটের বিষয়ে সকলকে বলবো সবাই যাতে গণভোটে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে সিল মারে।
গণমাধ্য : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?
ফয়জুল করীম: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমার প্রত্যাশা এদেশের মানুষ বারবার ফ্যাসিস্ট, জালেম ও চাঁদাবাজদের নির্বাচিত করেছে। এবার আমি সকল ভোটারদের আহ্বান করব তারা যেন হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেয়। ইসলামের পক্ষের শক্তি, কুরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে আইন রচনা করে সংসদ চালাবে, আইন কানুন চালাবে। এ প্রতিশ্রুতি হাতপাখা প্রতীকের দল একমাত্র ইসলামী আন্দোলনই ঘোষণা করে। এটা স্পষ্ট এখানে কোন ধ্রুমজল নেই। যদি ইসলামী হুকুমত কায়েম করতে চায় তবে হাত পাখায় ভোট দিবে। এতে সম্মিলিতভাবে দেশ গড়ার পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
বরিশাল সদর ও সিটি কপোরেশনের এ আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৫০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯৪৩ জন ও নারী ভোটার ২ লাখ ৪৭ হাজার জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ৭ জন।