নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশাল-৪ আসনে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনি সহিংসতার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। এ ঘটনায় দুপক্ষ থেকে মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকালে বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ করেন বরিশাল-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট সৈয়দ গুলজার আহমেদ।
তিনি বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় আন্দারমানিক ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কলকুঠি মাদরাসা এলাকায় প্রচার চলছিল। তখন স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা তাদেরকে বাধা দেয়।
এ নিয়ে জামায়াত নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ করলে পাশের বিএনপি কার্যালয় থেকে লাঠিসোঁটা এনে হামলা চালায় বিএনপি কর্মীরা। এ সময় হামলাকারীরা জামায়াতের নেতাকর্মীদের ১২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে খালে ফেলে দেয় এবং একটি মোটরসাইকেল তারা নিয়ে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এ সময় লাঠির আঘাতে কয়েকজনের মাথা ফেটে যায় এবং একজনের পা ভেঙে যায়। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে আহত নেতাকর্মীদের উদ্ধার করেন। আহতদের মধ্যে দুজনকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং চারজনকে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আন্ধারমানিক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে গিয়ে উসকানিমূলক স্লোগান দিয়েছে। তারা অফিস ভাঙচুর করে পাঁচজনকে গুরুতর জখম করেছে। এ ঘটনায় কাজিরহাট থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কাজীরহাট থানার ওসি নবীউল হাসান বলেন, “দুই পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বলা যাবে।