নিজস্ব প্রতিবেদক : তালিমী জলসা শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়; এটি মানুষ গড়ার, চরিত্র গঠনের এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এটি এমন একটি দ্বীনি সমাবেশ, যেখানে কুরআন, সুন্নাহ, হাদিস, আকিদা, ফিকহ, আখলাক ও ইসলামী জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে শিক্ষা প্রদান করা হয়। ঈমান আরও মজবুত হয়। আমলের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়। কুসংস্কার, বিদআত ও গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার সচেতনতা তৈরি হয়। এছাড়াও সমাজে ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও নৈতিকতা বৃদ্ধি পায়। নতুন প্রজন্ম দ্বীনের সঠিক শিক্ষা অর্জনের সুযোগ পায়। নিয়মিত তালিমী জলসায় অংশগ্রহণ করে যা শিখি, তা নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করার প্রচেষ্টা করা এবং অন্যদের কাছেও দ্বীনের সঠিক শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা।

হযরত পীর ছাহেব কেবলা পীর ভাই, মুহিব্বীন সহ সকলকে উদ্দেশ্য করে বলেন- আমরা নিয়মিত তালিমী জলসায় অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে মানুষকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাঃ) এর অনুসৃত পথ-মত ও কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করি এবং একটি আদর্শ ইসলামী সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখি।

২৯ জুন সোমবার বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন আল-আমিন জামে মসজিদে ছারছীনা দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব বাহরে শরীয়ত কুত্ববুল আলম হযরত মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (রহঃ) ও মরহুম মাওলানা মাসুম বিল্লাহ এর স্মরণে ঈছালে ছাওয়াব ও তা’লিমী জলসায় প্রধান অতিথির আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।

তালিমী জলসায় অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, নায়েবে আমীর আলহাজ্ব মাওলানা মির্জা নূরুর রহমান বেগ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।