ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এখনো ভালো হয়নি লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • ৪৯ Time View
৯২

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোলার লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল হোসেন। তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অভিযোগ যেন শেষ নেই। একের পর এক অনিয়ম করেই যাচ্ছেন তিনি।

 

অনিয়ম যেন তার কাছে একধরনের নিয়মে পরিনত হয়েছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। তখন আবুল হোসেন তার বক্তব্যে বলেছিলেন আমি ভালো হয়ে গেছি। কিন্তু এখনো ভালো হয়নি লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল হোসেন।

 

কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজারের কালমা ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি পুকুরের মাছ ধরে বিক্রি করে দিয়েছেন আবুল হোসেন ও তার স্ত্রী কালমা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্যাকমো জাকিয়া সুলতানা। এই ঘটনায় তদন্তে আবুল হোসেন ও তার স্ত্রীর বিরোদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হয়েছে। তবে এখনো এই ঘটনায় কার্য়করী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

 

মারামারির রোগী তানহাকে মামলা করার জন্য হাসপাতাল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরী করে দিবে বলে ২ হাজার টাকা নিয়েছেন তিনি। হাসপাতালে হাতের অঙ্গুল ভাংগা মো. জিদান নামের রোগীর প্লাষ্টার করার পর তার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা দাবী করার পর ঝগড়া করে ৮শ টাকা জোর করে নিয়ে নেন আবুল হোসেন। সেকমো হয়ে তিনি কর্তব্যরত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ না করে রোগী ভর্তি ও চেকআপ করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

৫ আগস্টের পর লালমোহন হাসপাতালে আবুল হোসেন সেবার নামে রোগীদের কাছ থেকে চাঁদাবজীর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর প্রথমে বরখাস্ত হয়, পরে তাকে লালমোহন থেকে বদলী করা হয়। এর কিছুদিন পর তিনি সবাইকে ম্যানেজ করে আবার লালমোহন হাসপাতালে চলে আসেন। এসেই তিনি পূর্বের চেয়েও কৌশুলী হয়ে লালমোহন হাসপাতলে অনিয়য়কে সৌন্দর্য্যরে শিল্পে দাড় করিয়েছেন। এখন প্রতিদিনই তার বিরুদ্ধে রোগীরা কোন না কোন অভিযোগ করেই যাচ্ছেন।

 

অভিযোগের ব্যাপারে সেকমো আবুল হোসেনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, আমাকে রোগীরা খুশি হয়ে যা দেয় তা আমি গ্রহণ করি। কারো সাথে কোন বার্গেডিং করে টাকা পয়সা নেইনা। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়।

 

 

সেকমো আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের বিষয়ে লালমোহন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত টিএইচ ডাঃ মোহসীন জানান, সেকমো আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

এখনো ভালো হয়নি লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল

Update Time : ১২:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
৯২

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোলার লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল হোসেন। তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অভিযোগ যেন শেষ নেই। একের পর এক অনিয়ম করেই যাচ্ছেন তিনি।

 

অনিয়ম যেন তার কাছে একধরনের নিয়মে পরিনত হয়েছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। তখন আবুল হোসেন তার বক্তব্যে বলেছিলেন আমি ভালো হয়ে গেছি। কিন্তু এখনো ভালো হয়নি লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল হোসেন।

 

কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজারের কালমা ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি পুকুরের মাছ ধরে বিক্রি করে দিয়েছেন আবুল হোসেন ও তার স্ত্রী কালমা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্যাকমো জাকিয়া সুলতানা। এই ঘটনায় তদন্তে আবুল হোসেন ও তার স্ত্রীর বিরোদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হয়েছে। তবে এখনো এই ঘটনায় কার্য়করী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

 

মারামারির রোগী তানহাকে মামলা করার জন্য হাসপাতাল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরী করে দিবে বলে ২ হাজার টাকা নিয়েছেন তিনি। হাসপাতালে হাতের অঙ্গুল ভাংগা মো. জিদান নামের রোগীর প্লাষ্টার করার পর তার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা দাবী করার পর ঝগড়া করে ৮শ টাকা জোর করে নিয়ে নেন আবুল হোসেন। সেকমো হয়ে তিনি কর্তব্যরত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ না করে রোগী ভর্তি ও চেকআপ করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

৫ আগস্টের পর লালমোহন হাসপাতালে আবুল হোসেন সেবার নামে রোগীদের কাছ থেকে চাঁদাবজীর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর প্রথমে বরখাস্ত হয়, পরে তাকে লালমোহন থেকে বদলী করা হয়। এর কিছুদিন পর তিনি সবাইকে ম্যানেজ করে আবার লালমোহন হাসপাতালে চলে আসেন। এসেই তিনি পূর্বের চেয়েও কৌশুলী হয়ে লালমোহন হাসপাতলে অনিয়য়কে সৌন্দর্য্যরে শিল্পে দাড় করিয়েছেন। এখন প্রতিদিনই তার বিরুদ্ধে রোগীরা কোন না কোন অভিযোগ করেই যাচ্ছেন।

 

অভিযোগের ব্যাপারে সেকমো আবুল হোসেনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, আমাকে রোগীরা খুশি হয়ে যা দেয় তা আমি গ্রহণ করি। কারো সাথে কোন বার্গেডিং করে টাকা পয়সা নেইনা। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়।

 

 

সেকমো আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের বিষয়ে লালমোহন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত টিএইচ ডাঃ মোহসীন জানান, সেকমো আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।