ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কে হচ্ছেন আগামীর প্রধানমন্ত্রী! উঠে এলো জরিপে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২২১ Time View
২৫৬

অনলাইন ডেস্ক : আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের জনমতে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে জনপ্রিয়তায় এককভাবে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। বেসরকারি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের ‘পিপলস ইলেকশন পালস সার্ভে (পেপস)’-এর সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, ৪৭ শতাংশের বেশি মানুষ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

 

 

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেন ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবাইয়াৎ সারওয়ার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী বা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমর্থকদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এবং আওয়ামী লীগের সমর্থকদের বড় একটি অংশ এখন বিএনপিকে ভোট দেওয়ার কথা ভাবছেন। মূলত তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্তহীন ভোটারদের বড় অংশ বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে।

 

 

জরিপে অংশ নেওয়া ৪৭ দশমিক ৬ শতাংশ উত্তরদাতা তারেক রহমানকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন। এর পরেই রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, যাকে পছন্দ করেছেন ২২ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ। এছাড়া ২ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ নাহিদ ইসলামকে এই পদে দেখতে চান এবং প্রায় ২২ দশমিক ২ শতাংশ ভোটার এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি।

 

 

আগামীকাল নির্বাচন হলে নিজ এলাকায় কোন দলের প্রার্থী জিততে পারেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ৫২ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ বিএনপি প্রার্থীর নাম বলেছেন। আগের জরিপের তুলনায় বিএনপির সম্ভাব্য বিজয়ী হওয়ার হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে এই হার বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ১ শতাংশ। জরিপ অনুযায়ী, অর্ধেকের বেশি মানুষ এখনো নিজেদের পছন্দের প্রার্থী সম্পর্কে নিশ্চিত নন, যা আসন্ন নির্বাচনে এক বড় সমীকরণ তৈরি করতে পারে।

 

 

চলতি বছরের ১৬ থেকে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলার ৫ হাজার ১৪৭ জন নাগরিকের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনসহ ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর জনগণের মতামত নেওয়া হয়। বিআরএআইএন ও ভয়েস ফর রিফর্ম নামক দুটি নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সহযোগিতায় এই টেলিফোন জরিপটি পরিচালিত হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ইউনিলিভার অফিসের সামনে থেকে অটোগাড়ি চুরির অভিযোগ

কে হচ্ছেন আগামীর প্রধানমন্ত্রী! উঠে এলো জরিপে

Update Time : ১২:০২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
২৫৬

অনলাইন ডেস্ক : আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের জনমতে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে জনপ্রিয়তায় এককভাবে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। বেসরকারি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের ‘পিপলস ইলেকশন পালস সার্ভে (পেপস)’-এর সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, ৪৭ শতাংশের বেশি মানুষ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

 

 

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেন ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবাইয়াৎ সারওয়ার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী বা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমর্থকদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এবং আওয়ামী লীগের সমর্থকদের বড় একটি অংশ এখন বিএনপিকে ভোট দেওয়ার কথা ভাবছেন। মূলত তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্তহীন ভোটারদের বড় অংশ বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে।

 

 

জরিপে অংশ নেওয়া ৪৭ দশমিক ৬ শতাংশ উত্তরদাতা তারেক রহমানকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন। এর পরেই রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, যাকে পছন্দ করেছেন ২২ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ। এছাড়া ২ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ নাহিদ ইসলামকে এই পদে দেখতে চান এবং প্রায় ২২ দশমিক ২ শতাংশ ভোটার এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি।

 

 

আগামীকাল নির্বাচন হলে নিজ এলাকায় কোন দলের প্রার্থী জিততে পারেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ৫২ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ বিএনপি প্রার্থীর নাম বলেছেন। আগের জরিপের তুলনায় বিএনপির সম্ভাব্য বিজয়ী হওয়ার হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে এই হার বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ১ শতাংশ। জরিপ অনুযায়ী, অর্ধেকের বেশি মানুষ এখনো নিজেদের পছন্দের প্রার্থী সম্পর্কে নিশ্চিত নন, যা আসন্ন নির্বাচনে এক বড় সমীকরণ তৈরি করতে পারে।

 

 

চলতি বছরের ১৬ থেকে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলার ৫ হাজার ১৪৭ জন নাগরিকের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনসহ ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর জনগণের মতামত নেওয়া হয়। বিআরএআইএন ও ভয়েস ফর রিফর্ম নামক দুটি নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সহযোগিতায় এই টেলিফোন জরিপটি পরিচালিত হয়।